Posts

Showing posts from April, 2022

শুভ নববর্ষ ১৪২৯

Image
কবিতা- নববর্ষ (২১.৪.২২) কবি- নীলাঞ্জনা নন্দিতা স্থান - হিন্দমোটর হুগলী, বৈশাখ মানে উন্মাদনা কালবৈশাখী ঝড় বৈশাখ মানে বঙ্গাব্দের প্রথম মাসটি ধর বৈশাখ হলো রবিঠাকুরের জন্মের রবিমাস বৈশাখ হলো তাঁকেই স্বরণ সন্ধ্যা ও সকাল। বঙ্গাব্দের শুরু ১লা বৈশাখ কবি গুরু হাসেন জন্ম তাঁর ২৫শে বৈশাখ সকলে তা জানেন বৈশাখী হাওয়া তপ্ত দুপুরে মুক্ত বিহঙ্গ ডাকে ঝড় জল উপেক্ষা করে রবির গন্ধ মাখে। ভূমন্ডলে রবিন্দ্র গীত আহা উৎফুল্ল শিহরণ কি আনন্দ রবি মাখা সুর মেখেছে সর্ব প্রান আম্র মুকুল কৃষ্ণচূড়া ধ্বনিত কোকিল স্বর সুখ দুঃখ যতো বেদনা হাসি কান্নায় ভর । প্রথম প্রেম তাঁরই সাথে জল পরে পাতা নরে সেই সুরে পাগলা হাতি কেন যে মাথা নাড়ে টপ্পা বাউল প্রতিবাদের ঝড় তুলেছো লেখায়  দূরের নও প্রানের সখা হৃদয় করেছো জয়। রবিতে স্থিতি বৈরাগ্য তুমি, তুমিই যে চঞ্চল চির যৌবনা লাস্যময়ী প্রতিটি হৃদয়ে ঘর  নতুন সুবাস কালবৈশাখী নববর্ষের প্রীতি বাঙালির ঘরে উৎসব ঢেউ সঙ্গে সম্প্রীতি। গীতবিতান গীতাঞ্জলি হৃদয়ে দিয়েছি স্থান রবিমাসে রবির সৃষ্টি শুধু আম্র মুকুল ঘ্রাণ  কালের গতি আসুক ফিরে এই বৈশাখ মাস হৃদয় জুড়ে নববর...

শ্রীরামপুর - এর ইতিহাস ( ভাগ - ১ )

Image
শ্রীরামপুর এর ইতিহাস - পুরীর রথযাত্রার পরেই সবার আগে যে জায়গাটির নাম আমাদের মাথায় আসে তা হলো শ্রীরামপুর ।            শ্রীরামপুর পশ্চিমবঙ্গের হুগলি নদীর ডানতীরে অবস্থিত । কয়েক শত বছরের পুরনো এই শহরটি । শ্রীরামপুর নগরায়নে তিনটি ধারা দেখতে পাই - ১) প্রাক নগরায়ণ কাল ( ১৭৫৫ খ্রি পূর্ববর্তী অবস্থা ) , ২ ) নগরায়ন কাল (১৭৫৫ - ১৮৪৫ খ্রি ) এবং ৩) শিল্পায়ন কাল ( ১৮৪৫ - ১৯৪৭ খ্রি ) । ১) প্রাক নগরায়ণ কাল -                 মুগল আমলের বহু আগে থেকেই সরস্বতী ও হুগলি নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলটি ছিল বর্ধিষ্ণু জনপদ । পনেরো শতকে লেখা বিপ্রদাস পিপলাই - এর মনসা মঙ্গল কাব্যে আকনা ও মাহেশ নামের উল্লেখ রয়েছে । শ্রী চৈতন্যের সমকালীন পুঁথিতে এই দুটি নাম ছাড়াও চাতরার উল্লেখ পাওয়া যায়। টেভার্নিয়ার - এর ভ্রমণবৃত্তান্তে মাহেশের রথযাত্রার বিবরণ রয়েছে । হিন্দু দেব - দেবীর মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ এখনও শ্রীরামপুরে দেখা যায়।যেমন - বল্লভপুরে হেনরী মার্টিন প্যাগোডা , রাধাবল্লভজীউর মন্দির ( আঠারো শতক ), চাতরার গৌরাঙ্গ মন্দির , রামসীতার মন্...

কবিতা ( Poem )

কবিতা --- প্রেমের বাতাস কলমে ---  বিকাশ যশ --------------------------------------- প্রেমের বাতাস বইছে বলেই আসছে সুখের ফাগুন প্রেমের বাতাস বইছে বলেই লাগছে মনেতে আগুন । প্রমের বাতাস বইছে বলেই বৃষ্টি ঝর ঝর প্রেমের বাতাস বইছে বলেই হৃদয় এত বড়। প্রেমের বাতাস বইছে বলেই বাঁধছে সুখের ঘর প্রেমের বাতাস বইছে বলেই পায় না অবসর। প্রেমের বাতাস বইছে বলেই নেই মুখেতে চাবি প্রেমের বাতাস বইছে বলেই রাখছে সুখের দাবি। প্রেমের বাতাস বইছে বলেই ফুল ফোটে ফুল বনে প্রেমের বাতাস বইছে বলেই ঝড় তোলে ঐ মনে। প্রেমের বাতাস বইছে বলেই গাইছে পাখি গান প্রেমের বাতাস বইছে বলেই মন করে আনচান । -------------------------------------

শুভ নববর্ষ ১৪২৯

Image
কবিতার শীর্ষ নাম : —                   স্বপ্নাবেষ্টিত বার্তালাপে......... ,                                  অমিতাভ দত্ত  জান, লিখি আমি কবিতা শুধু তোমারই জন্যেই, শুধু তুমি অন্ততঃ ; শুধু তুমি পড়ো বলেই ! এছাড়াও তো আমি ; শুধু আমি, আর কেউই নয়, কেবলই তোমার রূপ সৌন্দর্য্য কথা ভেবে ভেবে, কেতকী বকুল সুগন্ধিত সুবাসিত সুবাসে, মনাকাশে অনায়াসে অনাবিল সুখানুভূতি নিয়েই, দুঃখ্যানুভূতি নিয়েও ; মৃত্যুও মেনে নিতে পারি ! কে যেন আড়ালেতে বিজনে নির্জনে একান্তে, কঠোর উপবাসে প্রার্থনায় অশ্রুজলে ভাসে! সে সিকোয়েন্সের ছবি আমায় কাঁদায়,  দূর সুদূরের গহন অরণ্যে নগ্ন সৌন্দর্য্য শালবনে । সবুজ পল্লবে সজ্জিত সাজসজ্জায় আশালতা, শোনায় বিলম্বিত বিস্তারে ভূপালীর তান সরগম,  দোলায় দোদুল দোলে ছন্দে মনানন্দে সুর,  স্পর্শসুখাবেশে স্পর্শসুর শিহরিত শিহরণে আকাশে  গ্রীষ্মের খরতাপে জ্বালায় মন মোমের সুদীপ শিখা, অন্তর্লোকের অনুভবে তোমার মুখচ্ছবি ভাষে! শীৎকার...

শুভ নববর্ষ ১৪২৯

Image
কবিতার নাম-শুভ নববর্ষ কবির নাম-শ্রীরাজদীপ ঠিকানা-কমলপুর বাঁকুড়া ভারত তারিখ-১৭/০৪/২০২২ *********************** নতুন বছরে চরণ ফেলিয়া আজি তোমারে স্মরণ করি। পুরানো বছরে কত কি ঘটেছে ভুলিতে কি আর পারি? হারিয়েছি মোরা কিংবদন্তি সংগীত জগতের লতা। কত গান গেয়ে হাসালে কাঁদালে নীচু করে কি মাথা।। মধুর কন্ঠী সন্ধ্যাদি তোমায় হারিয়েছে মহাপৃথিবী। সংগীতের সুরে কত কি দিয়েছো মন পর্দায় ওঠে ছবি।। পি কে ব্যানার্জি চুনী গোস্বামী সৌমিত্র চ্যাটার্জী দেশে। কাঁদালে সবারে করোনার কালে বিদায় নিয়েছিলে নিজে হেসে।। কেন চলে গেলে অভিষেক তুমি নায়কের পদ ত্যাজি। তোমার আসন শূন্য রাখিয়া টলিপাড়া বিনে মাঝি।। শন্তু বিহীন বাদশার আসন অভিনয় অভিমানে। ফিরিয়া আবার পারো না আসিতে অভিনেতা সিংহাসনে।। নতুন বছরে খুলেছে দুয়ার শান্তি স্বস্তি যেন পুণ পাই। যেমতি মথুরা শোভে নাই কভু বিনোদ বিহনে রাই।। বিশ্ব হইতে পুরানো বছরের বিদায় হোক মহাযুদ্ধ। ইউক্রেনে যত বিপদ ঘিরেছে রুশ অপসারি ক্রূদ্ধ।। নতুন বছরে বাংলায় হোক সুজলা সুফলা ফসলে। ভূমি আন্দোলন শান্ত হউক অধিক ফল হোক এসমতলে।। ভারতের সব সীমান্তে সমর হিংসা ও গোলাগুলি। থামুক যতন...

শুভ নববর্ষ ১৪২৯

Image
প্রচলিত ভাষা কলমে - সুহানা পরভিন দৌড়ে যে প্রথম হবে সেই দৌড় রাণী  চিনি কে ইংরাজী তে ' সুগার ' বলে জানি মধু যে মিষ্টি খুবই ইংরেজিতে ' হানি ' টাকা দিয়ে চলবে জীবন তাই কি বলে ' মানি ' এসব ভাষা প্রচলিত আমরা সবাই জানি মনের ভিতর আছে সবার ছোট্ট একটা ' মনি ' এসব কথা লোকো মুখে মাঝে - মাঝেই শুনি ।

শুভ নববর্ষ ১৪২৯

Image
নবীন বরণ ( দুই ) নবীন বরণ করেছি মা আমি নবীন বরণ ছোট্ট ছিলাম , তুমি বাবার বউ ছিলে জানতাম একটু বড় হতেই বুঝতে পারলাম আমার মায়ের কদর বাবার কাছে কতটা আমিও যে বাবার সম্পত্তি হয়ে উঠছিলাম কাছে ডাকা বুকে হাত বোলানো ঠিক কতটা বড় হয়েছি ঠিক যেমনটা ফলটা কতটা পেকেছে দেখা মাঝে - মাঝে খদ্দের এনে দর - দস্তুর মা পারেনি আমি পেরেছি আমার নববর্ষের পদার্পণ সঙ্গে মা কে নিয়েছি ইঁট ভাটায় কাজে যেতাম এসে টাকা কটা বাবার হাতে তুলে দিতাম ভেতর - ভেতর পাকা ব্যবস্থা করে মাকে নিয়ে বেরিয়ে এসেছি ভালো আছি , আমি , মা মাথা উঁচু করে কাজ করে খাই আর খুব গর্ব করে বলি আমার বাবার বলিদান দিয়েছে কেউ সেটা যে আমি , সেটা মনে -  রাখি ও গর্ব অনুভব করি ।। কলমে - স্বপ্না ব্যানার্জী

শুভ নববর্ষ ১৪২৯

Image
শিরোনাম  নতুন বছরে ভাগ্য কলমে   প্রনতি তালুকদার  তারিখ৷ ১৩/৪/২০২২ নতুন সকাল নতুন বছর  আবার দেখ আসে। এখন  আবার সূর্যি মামার  মেঘগুলো সব ভাসে। নতুন বছরেই আয়রে ছুটে  করছে চোখের জ্বালা।  ভোরেই আবার উঠতে হবেই  পাখিরা সবাই পালা। গাছের ডালে পাখির বাসায়  তারাও জানে আজ। নতুন বছরে সবাই মিলে এসে করবে অনেক  কাজ। আয়রে সবাই ছুটে ছুটে মাঠ  ঢেউ খেলিয়ে আয়। আজকে দেখ শ্যামল ধানের  মাঠে চাষিরা যায়। পুরনো স্মৃতি যতই ভালো  পেছনে ফেলেই চলো। নতুন সালেই নতুন আশায়  বাঁচবে সবাই  বলো। একটা বছর বাড়লো সবার সাজবে সবাই নিজে।  গাইবে আবার নাচবে সবাই  তাই আসছে সেজে। নদীর জলে ঢেউ খেলে যায় মনের মাঝের সাজ। নতুন নতুন আশায় বাঁচে চাষি  তাই ঘরে ঘরে আজ।  সবাই কেমন মজায় আছে  শিশুরা মেলেছে ডানা।  নিত্যনতুন জামা কাপড় হয়েছে  তাদের জন্য আনা।   বস্তির শিশু পথ শিশু নতুনের  থেকে অনেক দূরে। তারা শুধু তাকিয়ে দেখে খাবার  হয়তো আসবে উড়ে।

শুভ নববর্ষ ১৪২৯

Image
বিষয়--নববর্ষ শিরোনাম--নতুনের গান গাই নীতা কবি মুখার্জী 15/4/2022 নব আনন্দে জেগে ওঠো আর তারে আহ্বান করো নতুন বছর এসেছে দুয়ারে নতুন আশায় ভরো। নবীন যুগের নব সম্ভার ,ধনে ধানে ফুলে ভরুক সবার দুঃখ দারিদ্র্য দূরে যাক আর নতুন আলোর জয়জয়কার। পুরাতন আর অশুভ যতো জ্বলে পুড়ে সব হয়ে যাক ছাই নবনবীনের গান গেয়ে আজ নতুন সমাজ গড়ে তোলা চায় প্রদূষণে ভরা পৃথিবীটাকে দূষণমুক্ত করবো আমরা সকলে হাসবো, সকলে গাইবো, বাঁচবো সবাই মানুষের পারা। অন‍্যায় সয়ে বাঁচার চেয়ে লড়াই করে মরা ভালো ভাই মাথা উঁচু করে বাঁচার জন‍্যে লড়াই করবো আমরা সবাই হালখাতা আর গাজন মেলায় মিলবো আমরা সব ভাই ভাই ধনী দরিদ্র দেখবো না ভাই, একসাথে নিয়ে চলবো সবাই। ধর্মান্ধতা অসহিষ্ণুতায় ভরে গেছে দেশ ভরেছে সমাজ রক্ষা করতে আমার সমাজ এসো সবে মিলে করি সব কাজ নতুন শিশুটি এসেছে যে আজ, তার বাসযোগ্য করবো সমাজ কূটকচালীর বেড়াজাল ভেঙ্গে সুগমের পথ গড়বো যে আজ। শুভ অবসরে করি আলিঙ্গন, দীন দরিদ্র মুচি ব্রাম্ভণ মানুষ সবারে করি আহ্বান, গাইবো যে আজ মানবতার গান। নিজেকে নিয়ে বিব্রত হতে আসি নাই এই পৃথিবী মাঝে  সকলের জন্য, সবার পাশে থাকবো সকল কাজে। Copyright@nit...

শুভ নববর্ষ ১৪২৯

Image
আজ বোশেখে সমরেন্দ্রনাথ ঘোষ আজ বৈশাখের প্রথম দিনে শুভেচ্ছা  পাই কত,  পাঠিয়ে দিল বহু লোকে  বন্ধু  ছিল যত।  ওরা যেন  ভালো  থাকেন চড়া গরমের দিনে,  ঠান্ডা  হাওয়া  পান না সবাই  নতুন  এ সি কিনে।  নুন আনতে  পান্তা  ফুরোয় আজকালকার  দিনে,  যায় না বাঁচা কোনোমতেই ভালোবাসা  বিনে।  নববর্ষে কামনা করি  সবাই  ভালো  থাকুন,  নিজে ভালো  থেকে ভাই  অন্যে ভালো রাখুন।

শুভ নববর্ষ ১৪২৯

Image
নতুন বছর তোমাকে ******************* নুতন আশা,নুতন ভাষা নুতন সুরে গান, নুতন চেতন,নুতন মনন কাব্য অভিযান। আশায় বাঁধে আশ, নুতন নুতন অভিলাষ ভালোবাসার সুখে অচল দীর্ণ অতীত লাশ। অভিমানের ছুটি যে আজ নুতন পরিধান, নুতন সুখের সুরে মাতুক নব্য প্রণিধান। কষ্ট জীবন,নষ্ট বেদন দর্পে করুক বাস পরিত্রানে,সসম্মানে বিশ্বে ভরুক শ্বাস। রবির আলোয় উদ্ভাসিত আজকে নুতন ভোর, বৈশাখী আজ বাঁধুক রাখী, মায়ার বাহুডোর।।।। শ্রাবনী ঘোষ

শুভ নববর্ষ ১৪২৯

Image
কবিতা__স্বাগত নববর্ষ কলোমে _পূর্নিমা রায় তারিখ_১৫/০৪/২২ নতুন বছর আসলো বলে খুসির  জোয়ার আর কোলাহলে মন প্রাণ কত আশা আর ভালোবাসা পেলো তারা নতুন আমেজে খুশির  নেশায় পাগলপারা দিশেহারা। উধাও দুঃখ ঠোঁটের ফাঁকে হাসি খেলে যায় গেয়ে ওঠে ওরা ভালোবাসার গান। নববর্ষ কে স্বাগত জানাই সাধ্যমত সবাই বেজে ওঠে মনে খুশির সানাই কষ্ট ভুলে বরণ করি তারে নতুন পোশাকে কচিকাঁচাদের সাথে আমরাও মাতি  আনন্দেতে  শুভ নববর্ষ এ কথার বিনিময়ে আশীর্বাদ আর ভালবাসা  ভরে পাই। হিংসা মারামারি রোগ শোক দুঃখ উধাও হয়ে যাক নববর্ষ আনুক বয়ে অনেক খুশি ভালোবাসার পূর্ণতা শুধু পাক।

শুভ নববর্ষ ১৪২৯

Image
নববর্ষ তন্দ্রিলা মুখার্জী এই যে নববর্ষ নতুনের স্পর্শ আনন্দেতে লুটোপুটি নববর্ষের ছুটি! করব না তো রাগ ভাগ ঝগড়া ভাগ! থাকতে হবে ভালো নতুন যে সব আলো!

শুভ নববর্ষ ১৪২৯

Image
তোমায় ভালোবেসে। কলমে অশ্রুকণা দাস । চেনা পথের অচেনা গোলকধাঁধায়, বেদুইন মন সুদূরে পথ হারাতে চায়।  তোমার ভালবাসার নিত্য চোরাস্রোতে, ডুবুরি মন গভীর অতল তলে।  পরানে তোমার প্রেমের পরশ, একটু ছোঁয়া গভীর আবেশ। ছাতিমতলায় চাঁদনী সাঁঝে, পথ ভোলা দুটি মন ভাসে উল্লাসে।  অঙ্গীকারে গাঁথা মালা দিয়ে, পথচলা  জীবনের সিঁড়ি বেয়ে। ভালোবাসার  নয়ন মেলে তোমায় হেরি, সাগরের প্রেমে ঢেউ এর লুটোপুটি।  শ্রাবণ ধারায় মেঘের গুড়ুগুড়ু রবে, তোমার প্রেমে সিক্ত আমি দিন রাতে।  প্রেমের অটুট বন্ধন নিঃস্বার্থ সন্ধিতে, ব্যাকুল বেপরোয়া হৃদয়ে রোদেলা বসন্তে।  চেনা পথের অচেনা গোলকধাঁধায়, বেদুইন মন সুদূরে পথ হারাতে চাই।।

শুভ নববর্ষ ১৪২৯

Image
কবিতা- *অবুঝ মন*  কলমে - *বিপ্লব ভট্টাচার্য্য* নির্জন নদীকূলে একাকী আমি শান্ত নদীতীর তবু অশান্ত ঢেউগুলো পায়ের কাছে আছড়ে পড়ছে। ওপারে সবুজ বনানী শান্ত গ্রাম। তোর কথা আজও মনে পরে মনে পরে নদীর স্রোতের মতো কালো চুলের প্লাবন- আমি তোর মনের সৌন্দর্যে পাগল হয়ে ছিলাম। তবু তুই আজ আমার মনটাকে ভেঙে মুচড়ে দিয়ে চলে গেলি। আজ আমার সব স্বত্বা তোর কাছে মূল্যহীন। এখন প্রকৃতির প্রেমে অন্ধ আমি আমার অবুঝ মন— সবুজ পাখিকে হাতছানি দিয়ে ডাকে- কেন জানিস? ওরা আমার ভালোবাসাকে উপেক্ষা করতে পারে না। ওদের মনের কথা যে আমি বুঝতে পারি, আমার মনের ব্যথায় যে ওরাও সমব্যথী। তাই অশান্ত নদী, পাহাড় পাখির ডাক আজও আমাকে হাতছানি দেয়...

শুভ নববর্ষ ১৪২৯

Image
কবিতা নেয় সুরের কোলে ঠাঁই কললে,:- কৃষ্ণা চক্রবর্তী কেটে গেছে অনেক গুলো বছর মনের ভেতর বনপলাশের কলি, সৃষ্টি ছাড়া আশার আনাগোনা বয়েস বলে এবার আমি চলি। পাগল পাড়ায় কবির গলায় গান কবিতা নেয় সুরের কোলে ঠাঁই, হাওয়ায় ভাসে মাতাল মহুয়ারা বৃষ্টি ভেজা মাটির গন্ধ পাই। ইচ্ছে গুলো আপন মনে ঘোরে, অনেক কিছু লেখার আছে বাকি, মনের মাঝে উথালপাথাল করে কলম টাকে হাতছানিতে ডাকি। কবিতা নেয় আলসেমি আড়মোড়া তাকেও আমি অনেক ভালবাসি, দিনের শেষে একলা রাতের বেলা আঁধার কেটে অন্য মনে হাসি।

শুভ নববর্ষ ১৪২৯

Image
*এসো হে নতুন* *ভাস্কর বনিক* এসো হে নতুন, চির নবীন,  শুভ সঞ্চালনে হে অপ্রতিম। হৃদয় কাননে কাঙ্ক্ষিত আশা, নিরাময় হোক মানস বাসা, ঝরুক মুক্তি অহমিকা ছেদী। আমার আমিকে করহে ধ্বংস,  পুড়িয়ে ফেলো অচেতন অংশ। পুরাতন রাগ, চাপা অভিমান,  বিসর্জন হোক নির্মম নিস্বান, সরসে পরশে দুঃখের অবধি। পথের ক্লান্তি হোক দূরীভূত,  দীনতার জ্বালা হোক পরাভূত। মজুক অন্তর সহনের শক্তিতে,   চলুক জীবন কর্মের ভক্তিতে,  এসো আঁধার প্রাচীর ভেদী। সংযত হোক অনীপ্সিত প্রবৃত্তি, যুদ্ধের বাসনায় পড়ুক ইতি। নব আনন্দের জাগরূক মননে, সতত আকুল চিদাত্মা সাধনে, অপেক্ষার প্রহর গুনি নিরবধি।

শুভ নববর্ষ ১৪২৯

Image
এসো, হে বৈশাখ ********************* বৈশাখ, তুমি থমকিয়ে যেও        ভুবন ডাঙার মোড়ে অভুক্তদের চাল এনে দিও        রোজ একমুঠো 'করে। বৈশাখ, তুমি ওদের কি চেনো        যাদের ভেঙেছে ঘর? পারলে,একটা ছাদ করে দিও        ওদের মাথার 'পর। বৈশাখ, তুমি ওই শিশুদের        একটা খবর নিও ওদেরই ভবিষ্যতের জন্য       পড়তে পাঠিয়ে দিও। বৈশাখ, তুমি রাজপথে দেখো        উলঙ্গ সেই ছেলে, একটা বস্ত্র এনে দিও তাকে        যেওনা গো তাকে ফেলে। বৈশাখ, তুমি শুরুতে ওদের       মুছিয়ো চোখের জল, কালবোশেখীর তান্ডবে আর       কোরো না ছলাৎছল।  বৈশাখ, তুমি ওদের জীবনে        একটুকু রং দাও নিপীড়িত ওই শিশুদের সব        দৈন্যতা মুছে নাও। বৈশাখ, তুমি বার বার এসো        থাক এই আনাগোনা ওদের দুচোখে এঁকে দিয়ে যেও        ভরসার আল্পনা। সুভাশিস সরকার।  ১লা বৈশাখ, ১৪...

শুভ নববর্ষ ১৪২৯

Image
চিত্র শিল্পী দেবব্রত মান্না , আঁকা কথা বলে ।

শুভ নববর্ষ ১৪২৯

Image
বন্ধ্যা সময়             মৌসুমী ডিংগাল বন্ধু, এ সময় নয় বসে বসে কাব্য লেখার; এ সময় নয় প্রেমিকের হাতে হাত রেখে আকাশ কুসুম কল্পনা করার। ঐ শুনতে পাচ্ছো গুলির আওয়াজ ঐ দেখতে পাচ্ছো আকাশ থেকে বোমা বর্ষণ! ঐ দেখতে পাচ্ছো ঝরে গেছে তাজা তাজা প্রাণ রক্তাক্ত, বিকলাঙ্গ, পোড়া মাংসের দলা ঐ দেখতে পাচ্ছো নুড়ি পাথরের মতো পড়ে ঐ যে লাশ ছড়ানো ছিটানো কাছে দূরে! বন্ধু, ঐ যে দেখতে পাচ্ছো রক্তের কালো দাগ হ্যাঁ, ওখানে সকালেই খেলেছিল ছোট শিশুরা ওখানেই ফুটেছিল ফুল প্রাণের আবেগে ওখানেই সারারাত ধরে হয়েছিল নাচ গান। ওখানেই ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখেছিল প্রেমিক পুরুষ! কিন্তু আজ ধ্বংস হয়ে গেছে সব সৃষ্টি ধ্বংস হয়ে গেছে গোলাপী বিবেক, নীল মনুষ্যত্ব সে সবের আর কোনো চিহ্ন নেই বাতাসে ও মনে তাই পোড়া বারুদের ঘ্রাণ আভাস দিচ্ছে মৃত্যু আসন্ন প্রায়! বন্ধু, তাই আর কাব্যের আভাষ নয় চলো সবাই প্রতিরোধ গড়ে তুলি নয়তো চলো তুমি আমি মৃত্যুর দিন গুনি।                   সমাপ্ত

শুভ নববর্ষ ১৪২৯

Image
||  অভিমন্যুরা বেঁচে থাকে ||               ✍️বিমান  তারিখ:২৭_০৩_২০২২ যারা এখনো বেঁচে পচাগলা সমাজের বুকে   সভ্য আর অসভ্যের ছক ভাঙা মেঘের কোলাহলে বেচে দেয়নি মনুষ্যত্ব,বিবেক,আত্মচেতনার অধিকার আমার বন্ধুত্ব তাদের জন্য সুরক্ষিত থাক। ঝরে পরা জোছনার ঢেউয়ে নীরবতার খড়কুটোয় একথালা চাঁদ যদিও পথ হারায় নিঃস্ব আঁচলে দিগন্ত ছুঁয়ে আঁধারের দেশে আমি ভালোবাসি সেই পথহারা জোছনাকেই! বাতাসে কান পেতে শুনেছো কি কখনো? ছোঁয়াচে মানুষ মুঠো মুঠো ঘৃণা ছড়ায় নদীর বুকে থুতুর মতো... বয়ে যাওয়া নদী পদচিহ্ন রেখে যায় তার ইতিহাস চরার ধুলোয় আমি তাদেরও ভালোবাসি আপন ভেবে যদি ফিরতি জোয়ারে তাদের হৃদয় ভিজিয়ে মলিনতা দেয় ধুয়ে এই ভেবে! প্রত্যাশা রাখে না বারুদ ঠাসা হৃদয়  এরা ভালোবাসে কাছে টেনে.... অধিকারের প্রশ্নে রাত না জেগে। আমার ভালোবাসা গচ্ছিত রাখি নির্ঘুম রাত মেখে তাদের তরে। পুরাকালের ইতিহাসে চোখ হাতড়ায় আপন মনে রাত্রির গুহায় মুখ গুঁজে খুঁজে পায় সপ্তরথীর  আক্রমণে অভিমন্যু মরেছে বর্বর আক্রমণে একালের অভিমন্যুরা বেঁচে রবে আপন কীর্তিতে ম...

শুভ নববর্ষ ১৪২৯

Image
শিরোনাম:কবিতা তোমায় ভুলিনি কলমে: আমি কেয়া তারিখ:০৬/০৪/২২ আমি অক্ষরকে কাছে ডেকে বললাম,থাকবি আমার কাছে? আমার মতো করে!ঠিক যেমনটি চাই। অনেক ঝড় ঝাপটা,বিচ্ছেদ..... হঠাৎ তার আগমন,চুপিচুপি কথাবার্তা নিষ্পত্তি চুক্তি,বলে গেল সঙ্গে আছি তোর। সেই আমার খেলার সঙ্গী,খেলোয়াড় হয়ে উঠেছি, হার জিতের লড়াই প্রথমে হারলেও শেষমেষ জিত আমারই, অর্পিত হিসাবে চেয়েছিলাম তাদের সমষ্টিকে, পরের পর বসে আমার সাথে এসে যোগ দিল খেলায়, খুব আনন্দ,পুলকিত মন, সবাইকে নিয়েই আমার সুখের খেলার সংসার সবার একসাথে নাম দিলাম শব্দ,ভারী সুন্দর। খুনসুটি মারপিট লেগেই থাকে তাদের মধ্যে, কেউ কারো পিঠে চাপছে আবার কেউ কারো ঘাড়ে, কারো একটু লেজটা ছোট,কারো লেজটা ঘাড়ের ওপরে, সবাইকে নিয়েই দিন রাত যাপন,আমার ভালোবাসা। তাদের সাথে যোগ দিতে লাগলো আরো কত শব্দ, আমিও টেনে নিলাম কাছে,যুক্ত হল তাদের সাথে, পর পর বসে অনেক শব্দ একসাথে হলো, ভাবতে লাগলো তারা,আমরা ঠিক কিনা? উত্তর এলো আমরা ঠিক,এগিয়ে চলেছি... নাম দিলাম বাক্য,ভালোলাগার সম্পূর্নতা, অলংকার দিয়ে নিজেকে নিজেই সাজিয়ে তুললো, আমি শুধু তাদেরকে ভাবতে বলি,সহমত পোষণ করি, থাকতে বলে আমার ...

শুভ নববর্ষ ১৪২৯

Image
দৈনিক কবিতা প্রতিযোগিতা কবিতার শিরোনাম:'একটি মেয়ের গল্প' কলমে:অরিজিৎ ঘোষ (০৯/০৮/২১). সেই মেয়েটা বলেছিল,এটা আমার বাড়ি আমি সাজাবো,সাজাবো আমার মনের মতন। সেই মেয়েটা বলেছিল,এটাই আমার বিছানা,আমিই শোবো,এটাই আমার পাশবালিশ। সেই মেয়েটা বলেছিল,এটা আমার বাগান,এর ফুলগুলো আমার খুব আদরের। সেই মেয়েটা বলেছিল এই উঠোনটুকু আমার, এখানে দাঁড়িয়েই আমি চিৎকার করে হাসবো। সেই মেয়েটা বলেছিল এই বইগুলো আমার, আমার নিত্যদিনের সঙ্গী,সুখ দুঃখের সঙ্গী। সেই মেয়েটা বলেছিল,এই ঠাকুরঘরটাও আমার, আমার শান্তির নীড়,এখানেই আমি চুপ করে বসে থাকবো আমার যতক্ষণ ভালো লাগে। সেই মেয়েটা বলেছিল ওই থালাটাই আমার চাই, ওটাতেই আমি ভাত খাবো, সেই মেয়েটা বলেছিল,আমি শুধু অস্মিতকেই ভালোবাসি,ওই আমার সব। দিন পেরিয়ে আবার দিন,আবার রাত,ছোট থেকে তার বড় হওয়া,সবাই ছিল চুপ,নীরব সম্মতি না অসম্মতি- সে অর্থ আজও দুর্বোধ্য অজানার অন্ধকারে নিক্ষিপ্ত নিত্যদিনের সত্যি। একদিন ঘরের লক্ষী বিদেয় হলো,বাজলো বাঁশি, সাজলো বাড়ি,জ্বললো আলো,কত লোক পেটপুরে খেলো,বইলো আশীর্বাদের বন্যা, দ্বিতীয় জীবন--যেভাবে হোক সবাইকে খুশী করতেই হবে,দায়িত্বট...

শুভ নববর্ষ ১৪২৯

Image
অন্ধ নীতিবাগীশ চিন্ময় বিশ্বাস ১৫/০৪/২০২২ এক একটা সময় অতিক্রান্ত হয়, আলুনি বছরের মতো কবিতা লিখবো বলে টেবিলে খাতা রেখে বসে আছি; পানসে ভাতের জলে যেভাবে চোখ মেলে পানসে চাঁদ--- এবার সেও চোখ মেলবে। পোস্ট পার্টাম ডিপ্রেশনে আটকে আছে মাটি, যাকে মা বলে ডাকতাম। নীতিবাগীশ ত্রি-নেত্র হারিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন; অবচেতনে খোঁজেন অলীক স্বপ্ন! ঠিক সেই সময় আমার কবিতার পাতায়, উড়ে এসে পড়ে নারীদেহের পোড়া ছাই, তখন কি তার শরীরে এঁটে দেব জল্লাদি প্রেমের তকমা? নিজেকে নিরাপরাধ ভেবে আটকে আছেন স্মৃতির পরিসংখ্যানে, একবার ভালো করে দেখুন পোড়া ছাইয়ের কালো দাগ লেগে আছে আপনারও মনে। এবার নিশ্চয় আপনি প্রেমের কথা লিখবেন না?

শুভ নববর্ষ ১৪২৯

Image
কবিতার শিরোনাম:জীবনের জলছবি কলমে:অরিজিৎ ঘোয (১৫/০১/২২) কোনো দিন নিজের মতো দিন হলো না,ঘেরাটোপ, কোনো একটি দিন অবিরাম ইচ্ছার কর্তৃত্ব,মরিচীকা, মনে ও শরীরে অসংখ্য বিভেদ,আমার নিজস্ব চোখে দেখা আমার কষ্ট,নোনা জলের নীচে আগুন। সব মিলিয়ে দারুণ পদ্য লেখার কারসাজি, আর সমস্ত আমিটা ছন্নছাড়া হয়ে যন্ত্রণার অমরত্ব। পাঁজরের কুঠির ভিতরে অবিরাম কেঁদে চলেছে লালনের অচীন পাখি,অনন্ত আকাশের হাতছানি। দুরূহ সব নানা কারণে সেই একই বাঁচার নানা ছক, অর্থহীন সব আলস্যে ভরা মৌসুমী স্বপ্নের উড়ান, মিথ্যার বেড়া দিয়ে ঘেরা হাসির রসমালাই বা লাড্ডু, বিবিধ চক্করের ফাঁদে আত্মপ্রতারণার বিবিধ ক্ষত। আমার সাথে সাপলুডো খেলছে বিচিত্র কত লোকজন,চেনা-অচেনা,নামী-অনামী,এদিকে পাশের বাড়ির বড় খোলা জানালার ফাঁক দিয়ে একটানা বিলম্বিত লয়ে শোনা যাচ্ছে বসন্ত বাহার, মা সেই গুটিগুটি পায়ে এসে বলে,"বাবা,চল খাবি চল,অনেক রাত হলো,খাবার যে সব ঠাণ্ডা হয়ে গেল,"-হঠাৎ একবার কেমন যেন সব ওলটপালট হয়ে গেল,কই আমিতো একা নই,জীবনের নিশ্চয়ই কিছু একটা অন্য মানে আছে,আমি জীবনের সাথে অধর্ম করতে পারিনা,অনেকের মধ্যেই আমি অনেক বার আমাকে চিন...

শুভ নববর্ষ ১৪২৯

Image
শিরোনাম : বেশ আছি। ✍️ রাজা চক্রবর্তী তারিখ : ৮/৪/২২. দু-বেলা কাজের মধ্যে ডুবে আছি, খেয়ে আছি, বেঁচে আছি,  স্মরণে আছি, মননে আছি। নিজস্ব স্বপ্নের বুদবুদে ডুবে আছি। গর্ভবতী নারীর মতন গর্ভে ভ্রুণের স্বপ্ন নিয়ে বেঁচে আছি। শুধু বেঁচে আছি....... সধবার শাখা পলা ও কপালের রক্তিম সিঁদুরের উজ্জ্বল তাঁরা, কখন বেয়ারা মেঘ এসে ঢেকে দিয়ে যায়, সেই ভয়ে নিয়ে বেঁচে আছি। পোকামাকড়ের সঙ্গী হয়ে বেঁচে আছি। রয়েছে গাছপালা, পাখির কলরব, সব আছে।  তবু একটা সুতোর মত পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে চলতে চলতে অসাবধানতা হয়ে উপর থেকে খাদে পড়ে গিয়ে স্বপ্ন ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়ার ভয় মনে জাগে,  তাই ঘাসের ভিতর মুখ ঢুকিয়ে পোকামাকড়ের সঙ্গে বেঁচে আছি। অপমানিত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে বৃদ্ধ বৃক্ষগুলো। সমাজের রুক্ষ চুলের ভিতরে উকুনে মতন ঘুরে বেড়ায় এই দুনিয়ার দালাল। সমাজের ভেতর দেখতে পাই বাঘ-সিংহের নখের দাগ। আঠারো ঘায়ের রক্তপুঁঞ্জ সেসব রয়েছে। হাঙ্গরের তীক্ষ্ণ দাঁতের হাসি লেগে আছে । সে দৃশ্য চোখ ঘুরিয়ে একবার দেখি, আবার খাসে মাথা গুঁজে ফেলি। তবুও বেঁচে আছি..... দিনের সত্তর ভাগ তুচ্ছতার ধুলো মেখে বেঁচে আছ...

শুভ নববর্ষ ১৪২৯

Image
ক্ষমতা স্বপ্না দত্ত চৌধুরী ০৯/১০/২০২১ ক্ষমতা! আহা !  ক্ষমতার কি অসীম শক্তি। খুব কষ্ট হয় যখন দেখি  কাছের মানুষ ,ভালোলাগা পছন্দের প্রিয় মানুষ  গতকালও কথা বলেছি প্রাণ খুলে, নিশি নিদ্রা শেষে জেগে উঠে দেখি হঠাৎ…… কেমন যেন গেলো বদলে। কত চেনা,কত আপন বলে ভেবেছি যারে হয়ে গেল সে দূর দ্বীপবাসী। কেন হয়  ! কেন হল এমন ? অনেক চুল ছিঁড়েও পাইনা ভেবে.... হয়তো ক্ষমতার জাদু কাঠির স্পর্শে সবই সম্ভব।  আমি মনস্তত্ববিদ নই, ওটা আমার সাবজেক্ট নয়। শুধু বুঝি মন,  তাই আবেগী মন ভালোবাসার উষ্ণ পরশে , ভালোবাসার চাদরের আবৃতে  চায় ভালোবাসার মানুষ গুলোকে মুড়ে  রাখতে। আনন্দের আবহে সবাইকে নিয়ে ছোট ছোট খুশি  ভাগ করে গায়ে মেখে, একসাথে জড়িয়ে থাকতে। জীবন তো একটাই  ভুলি কি করে..... না না!  কোন হতাশা নয়,  নয় কোন ক্ষোভ , বলছিনা একথা কোন মান অভিমান থেকেও..... আছে শুধু পাথর চাপা কষ্ট ,  খুব কষ্ট পাই এমন দমবন্ধ পরিবেশে থাকতে। কেন... কেন মানুষ গুলো বদলে যায় ? কি-ই জানি..... ক্ষমতার অলিন্দে বুঝি এমনটাই হয়।  যদি আরও বড় ক্ষমতার নাগপাশে কখনো জড়ায় ? কি হবে ত...