Posts

Showing posts from March, 2023

নীরদচন্দ্র চৌধুরী

Image
নীরদ সি. চৌধুরী জন্ম২৩ নভেম্বর ১৮৯৭ কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ, ব্রিটিশ ভারত (বর্তমান বাংলাদেশ)মৃত্যুআগস্ট ১, ১৯৯৯ (বয়স ১০১) লাথবুরী রোড, অক্সফোর্ডশায়ার, যুক্তরাজ্যছদ্মনামবলাহক নন্দী (শনিবারের চিঠি)পেশালেখক এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বজাতীয়তাভারতীয়সময়কাল১৯৩০-১৯৯৯ধরনসাহিত্য, সংস্কৃতি, সমাজসাহিত্য আন্দোলন কর্মজীবনসম্পাদনা উপেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী ও সুশীলা সুন্দরী চৌধুরানীর ৮ সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয় নীরদ চৌধুরী তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের অবিভক্ত বাংলা (বর্তমান বাংলাদেশের) কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদীতে ১৮৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ এবং কলকাতায় পড়াশোনা করেছেন। এফএ পরীক্ষা পাশ করে তিনি কলকাতার রিপন কলেজে (বর্তমান সুরেন্দ্রনাথ কলেজ) অন্যতম বাঙালি লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে একত্রে ভর্তি হন। এরপর নীরদ কলকাতার অন্যতম খ্যাতিমান স্কটিশ চার্চ কলেজে ইতিহাস বিভাগে ভর্তি হন। ১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন স্কটিস চার্চ কলেজের ছাত্র হিসেবে তিনি ইতিহাসে সম্মানসহ স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং মেধা তালিকায় নিজের স্থান করে নেন। স্কটিশ চ...

বাজ পাখীর গতি

Image
একটা বাজপাখি সাউথ আফ্রিকা থেকে ফিনল্যান্ডে উড়ে যাওয়ার সময় তার শরীরে কিছু ইকুইপমেন্ট বসানো হয়েছিলো। যার কারনে এই ছবিতে  স্যাটেলাইট থেকে তার যাত্রাপথ দেখাচ্ছে। পাখিটি ৪২ দিনে এই ১০,০০০ কি.মি. পথ উড়ে পাড়ি দিয়েছে। গড়ে প্রতিদিন প্রায় ২৩০ কি.মি. উড়েছে সমান্তরালভাবে। স্যাটেলাইটে তার রুটে ভালোভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, বড় জলাশয় বা সমুদ্র সামনে আসলে সে সেখান থেকে পথ পরিবর্তন করেছে যেন বিশ্রাম নিতে চাইলে স্থলভুমি পায়। আবার, মিশর-সুদানের মরুভূমিকেও পাশ কাটিয়ে গিয়েছে যেন তৃষ্ণা পেলে জলের অভাবে না পড়তে হয়। কঠিন কঠিন এসব ম্যাপিং, রাউটিং, আল্টিটিঊড নলেজ সায়েন্টিস্টরা যুগের পর যুগ ধরে যেখানে ডেভেলপ করে, পাইলটদের এসব শিখতে যেখানে বছরের পর বছর লেগে যায়, এই ছোট্ট পাখিকে তাহলে কে শেখালো এতকিছু? আরও মজার কথা হল, হাই আল্টিটিঊডে উড়ার সময় এদের ১% এনার্জিও খরচ হয়না, শুধু ভেসে ভেসে, অনেক সময় ঘুমিয়ে ঘুমিয়েও এরা শত শত মাইল পাড়ি দিতে পারে। এই নিখুঁত টেকনোলজি কিভাবেই বা এদের শরীরে এলো? সংগৃহীত 

তিন বিপ্লবীর ফাঁসি

Image
তিন বিপ্লবীর ফাঁসি তিনজনের ফাঁসির আদেশ হয়েছিল ২৪শে মার্চ ভোরবেলায়, কিন্তু দেশজুড়ে বিক্ষোভের আঁচ দেখে ভয় পেয়ে গেল প্রশাসন। তাই লাহোর জেলে এসে গেল নির্দেশ, নির্ধারিত সময়ের এগারো ঘন্টা আগেই তিন বিপজ্জনক বন্দীর ফাঁসি কার্যকর করা হবে। সেই মতো নেয়া হলো চূড়ান্ত প্রস্তুতি। ২৩শে মার্চ, ১৯৩১। বিশেষ আদেশে মৃত্যুপথযাত্রী বন্দীকে দেয়া হয়েছে সেদিনের খবরের কাগজ। নির্জন সেলে বসে তাই ‘The Tribune’ পত্রিকা পড়ছিলেন ভগৎ সিং। সেদিনকার কাগজে লেনিনের লেখা একটি বইয়ের রিভিউ বেরিয়েছিল, সেটাই মন দিয়ে পড়ছিলেন তিনি। কখন যে গরাদের ফাঁক দিয়ে রবিকিরণ আসা বন্ধ হয়ে গেছে, খেয়ালই করেননি। হুঁশ ফিরল চীফ ওয়ার্ডার চতুর সিংয়ের ডাকে। নামে চতুর হলেও ধর্মপ্রাণ এই শিখ মানুষটি সম্ভ্রমের চোখে দেখতো ভগত ও জেলবন্দী তাঁর দুই সহযোগীকে। মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও এমন নির্বিকার থাকতে পারে যারা তাঁরা আর যাইহোক সাধারণ মানুষের পর্যায়ে পড়ে না। ভগতের সেলের বাইরে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘‘বেটা অব তো আখরি ওয়াক্ত আ পঁহুছা হ্যায়। মেরা এক বাত মান লো.....!" ভগৎ হেসে বললেন,’বেশ তো বলুন কি হুকুম?’ চতুর সিং আন্তরিকতার সাথে ...

বিশ্ব কবিতা দিবস

Image
বিশ্ব কবিতা দিবস একটি হারানো কবিতা  প্রনতি তালুকদার  ২৩/৩/২০২৩ কতদিন লিখে লিখে হাত ব্যাথা  তবুও একটা কবিতা তোমাকে দিতে পারলাম না। শব্দ ছন্দ ধ্বনী লয় হারিয়ে গেছে  ওই পাহাড়ের কোণে।  কতরকম ভাবে চেষ্টা করে চলেছি একটা পূর্ণ কবিতা তোমায় উপহার দেব। সেটা কি আমার হবে না, নাকি অভিমান হয়েছে কবিতার, আমার নিজের লেখা  কতদিন কেটে গেল একটা লাইন লিখতে  পারিনি।  কবিতার জন্য আমার বেঁচে থাকা যখনই লিখতে চাই খাতাটি কোথায় খুঁজতে খুঁজতে  ধানের শীষে, পচা আলুর বস্তায়,  কাছাকাছি চলে এসেছি।  আমার কবিতা আকাশ থেকে সুবাস ছড়ানো বৃষ্টি।  কবিতা আমার নিজের কাছে বায়না আজও  অবুঝ।  কত রাত জেগে কত রাত বসে লিখে রেখে যাই দূরে।  চারিদিকে যত বাঁধা থাক মানিনা আইন  কানুন। স্বপ্নগুলো আঁকা বাঁকা ছবি  কবিতা তাদের জন্য।  দিলাম একটু সাজিয়ে গুছিয়ে রেখে দিও হৃদয়ে নিও। হলো আমার পূর্ণ কবিতা,  যারা কবি যাদের লেখনী কবিতা সম্মান দেখাতে  পারে তাদের প্রণাম জানাই।  কবিতা আপন প্রাণের মাঝে সুখ প্রদীপ   দুঃখের কোথাও পরশ। বে...

বিশ্ব জল দিবস

Image
পাখির কিচিরমিচিরে মুখরিত থাকত লেক, এখন ভ্যানিসড! গতকাল ছিল বিশ্ব জলদিবস, একটি করুণ প্রতিবেদন।  খল নায়ক  এল নিনোর জন‍্য বলিভিয়ার প্রাণ-চাঞ্চল্যের বিশাল হ্রদ 'পুপু' বর্তমানে  মরুভূমির পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বলিভিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম হ্রদ পুপু হ্রদকে স্থানীয়রা ডাকে লাগু পুপু নামে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১২ হাজার ৯০ ফুট উঁচু এই হ্রদের অবস্থান বলিভিয়ার মধ্য-পশ্চিম অঞ্চলে। প্রায় ৯৭৭ বর্গমাইল অঞ্চলজুড়ে অবস্থিত এই হ্রদের গভীরতা গড়ে প্রায় ৮-১০ ফুট। বিখ্যাত টিটিকাকা হ্রদে থেকে উদ্ভূত দেসাগুয়াদেরো নদীর জল ছিল এই হ্রদের প্রধান জলের উৎস। যতদূর চোখ যায় শুধু জল আর জল। হ্রদের অর্ধস্বচ্ছ নীল জলের বুকে হাজার হাজার ডিঙি নৌকা ভেসে বেড়াচ্ছে। ভরা মৌসুমে জলের বুকে হাজারো মাছের প্রাচুর্য জেলেদের হাতছানি দিয়ে ডাকে। তখন রাত-দিনব্যাপী মাছ ধরার ধুম পড়ে যায়। সেই মাছ ধরে স্থানীয় বাজারে উপযুক্ত মূল্যে বিক্রি করে জেলেরা। মাছ বিক্রির টাকায় দুই বেলা খেয়েপড়ে দিন গুজরান করে তারা। সামান্য বিশ্রামের পর পুনরায় ঝাঁপিয়ে পড়ে বলিভিয়ার অন্যতম হ্রদ পুপুর বুকে। দিনের আলো নিভে যাওয়ার পর জ্বলে ওঠে জেলেদের আ...

বিশ্ব কবিতা দিবস

Image
নারীর ভুমিকা কবির নাম-শ্রীরাজদীপ ------------------------------------ নারী হয় দেবি সংসারের মঞ্চে সেবিকা পালিতা বৃক্ষ। যার ছায়া ঘিরে থাকে পরিবার সাজিয়া জননী মুখ্য।। রাঁধুনি হয় নারী ধোপানি সাজিয়া খাওয়াইতে পারে যতনে। কভু নারী সাজে পুজারিনী এক পরিবার মাঝে রতনে।। শিশুর নিকটে ধাত্রী জননী উঠৌনেতে চাষীর বৌ। কামুক পুরুষ নির্জনে নিশিথে পতিতা মহলে মৌ।। নারী নাকি কভু দয়াময়ী দেবি অমৃত তুলিয়া ধরে। আহার ত্যাজিয়া সন্তানের তরে জীবন দানিয়া মরে।। নারী পারে গৃহ সাজাইতে দ্রুত সাজিতে দক্ষ নিজে। জানে নারী জাতি দানিতে অপরে ভালোবাসা নীরে ভিজে।। নারী হয় নটী সকলের তরে সুরেলা সংগীতে ভরে। অপরের দুঃখে ব্যথিত জীবন অশ্রুতে নয়ন ঝরে।।

গল্প

Image
           " মুখার্জী মাসিমা " কানপুর থেকে কাজ সেরে মাঝরাতে নিউ দিল্লী শিয়ালদহ রাজধানী এক্সপ্রেস ধরে কলকাতায় ফিরছি ! এ সি টু টায়ার স্লীপার কোচে টিকিট বুকিং করাই ছিল ! ট্রেন প্রায় এক ঘন্টা পঞ্চাশ মিনিট লেট ! উঠে দেখি কম্পার্টমেন্ট ফাঁকা ! একে অফ সিজন তার ওপর শীতের মাঝরাত বলে কথা ! ওঠার পর চেকার আমাকে একটা আপার বার্থ এ সিট দেখিয়ে দিয়ে চলে গেলো ! লোয়ার বার্থের নিচে  সুটকেস টা রেখে ওপরে উঠে নজর গিয়ে পড়লো পাশের সিটে ! একে শীতকাল তার ওপর  এ সি কম্পার্টমেন্ট, বেশ ঠান্ডা লাগছে ! পাশের ওপরের বার্থে এক ভদ্রলোক সাদা চাদরের ওপর কম্বল গায়ে গভীর নিদ্রায় মগ্ন আর লোয়ার বার্থে এক ভদ্র মহিলা পাশ ফিরে ঘুমিয়ে আছেন ! দেখে স্বামী স্ত্রী বলেই মনে হলো ! সারা দিন কাজের চাপে ক্লান্ত শরীরে কখন ঘুমিয়ে পড়েছি মনে নেই ! ঘুম ভাঙলো সকালের চা আসার পর ! আমার  নিচের বার্থের লোক মাঝপথে নেমে যাওয়ায় নিচের সিট টা খালি ছিল ! বাথরুম থেকে মুখ ধুয়ে গরম চায়ের কাপ নিয়ে বসলাম জালনার ধারে ! উল্টো দিকের মহিলা আগেই  উঠে পড়েছেন !  জানালার বাইরের দৃশ্য দেখতে ব্যস্ত ! ট্রেন চলছে হু হু...

বিশ্ব কবিতা দিবস

Image
সৌরদিন বিপ্লব ভট্টাচার্য্য  যেদিন জীবনে প্রথম সূর্য উঠেছিল, সকালের প্রথম আলোয়— আলো মাখা চোখে দেখেছিলাম এক নতুন প্রভাত। আলতো হাওয়ায় তোমার এলোমেলো চুল নেড়ে সে বলেছিলাম ভালো আছো বন্ধু?  সেদিন জীবনের প্রথম উচ্ছাসে বলে ছিলে এমন বন্ধু যার, বলো কী দুঃখ আছে তার?  সেকি কখনও ভালো না থেকে পারে? তারপরে কেটে গেছে অন্তহীন কত না সময়— টিভির পর্দার ঝিঁঝিঁ দৃশ্যের মতো পূর্ণিমার নির্জন আকাশের দিকে চেয়ে। সেই তপ্ত উচ্ছাস কেটে — হয়তো বা উদগ্র কামনার নদী জমাট বরফে হয়েছে সংহত,  শীতল হিমবাহের করি ও সংবর্ত, শুয়ে আছে এক শবদেহ; পচে না, গলে না, কারণ- তার কামনা নেই, নেই কোনো উদগ্র আকাঙ্খা— তাই তো তার জীবনও নেই। হে নতুন দিনের সূর্য- পারবে কি প্রাণের স্পন্দন জাগাতে? বলতে পারবে তো পলাশ কৃষ্ণচূড়ার রঙিন উচ্ছাস? হিমবাহ গলে যাচ্ছে— হয়তো বা অনেক যুগ পরে ঘুম ভেঙে আলো দেখছে ফার্ণের সতেজ চারা; আজ, প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি তোমার সুরে সুর মিলিয়ে, আমিও বলবো ঝর্ণার মুখের রূপালি ঝিলিক ভেঙে দাও, হৃদয়ের চড়া হয়েছে আজ মরুদ্যান....

বিশ্ব কবিতা দিবস

Image
*দুরু দুরু ভাবনা ভাসাই*        অসীম দাস  আলাপ করতে করতেই বিকেল হয়ে এলো । ইচ্ছে থাকলেই কি আর বিস্তারিত হওয়া যায় ? খনিজ আসক্তি ছেড়ে পাহাড়িয়া তর্জনী ফুঁড়ে  এগিয়ে চলেছে রথ পর্যটকী পথে । আমি তো কুয়োতে পিছলে -পড়া চাঁদ তুলে  রাত্রি কপালে আয় আয় টিপ দিতে জানি । অথচ আমারই অর্ধেক বয়সী নৌকা  শত শত স্রোতের আগুনে পুড়ে  অভিজ্ঞ সেতু হয়ে গেলো ! সামর্থ্যহীন ইচ্ছে- হিমে মেঘের উপত্যকায়  বিস্তীর্ণ বৃষ্টি হওয়া যায় না । গুরু গুরু ধামারের ধান ভানতে ভানতে  তাই , লঘু প্রতিভার সুরে  দুরু দুরু ভাটিয়ালি ভাবনা ভাসাই ।

বিশ্ব কবিতা দিবস

Image
আজি সুপ্রভাতে সকল কাব্য সাথীকে জানাই আমার আন্তরিক কাব্যিক শুভকামনা ❤❤❤❤❤❤❤ আমার একটি লেখায় কবিতা-র প্রতি অনন্ত শ্রদ্ধা ও আত্মিক প্রেম নিবেদন করলাম। কবিতা_তোমায়      ২১|০৩|২০২৩ তোমার সাথে ঘর বেঁধেছি  শব্দের ও সন্ধানে লক্ষ হীরের আলোক প্রভা তোমার পানে টানে শব্দের ও সন্ধানে।। তোমার চোখের কাজল কালোয় তোমার ভাবের অমল আলোয়  নিত্য পূজার সাজাই বেদী  ভাবের আহ্বানে। শব্দের ও সন্ধানে।। তোমার সুরের স্বরমালিকায় আমার মনের নীহারিকায় বিশ্বজয়ের গন্ধ যে পাই তোমার অপার দানে। তোমার সাথে ঘর বেঁধেছি  শব্দের ও সন্ধানে।। বিবস্বান

বিশ্ব কবিতা দিবস

Image

বিশ্ব কবিতা দিবস

Image
"ছাতিম ফুলের গন্ধ"( অনুগল্প)  কলমে অশ্রুকণা দাস। অরুণা নতুন বউ হয়ে শ্বশুরবাড়িতে এসে খুব চেনা একটা গন্ধ অনুভব করল সন্ধ‍্যাবেলা।এক লহমায় মনটা আনন্দে ভরে উঠলো খুব আপন একটা কিছু সে পেয়েছে এইখানে। কালরাত্রি বাড়ী ভর্তি লোকজন, নতুন পরিবেশ,চেনা গন্ধে স্মৃতির সাগরে ডুবে গেল।  অরুণা ক্লাস সেভেনে পড়ে তখন ওর বাবা-মা এক দুর্ঘটনায় মারা যায়। ঠাকুরমা দাদুর পরিচর্চায় বড় হয়েছে। ছাতিমতলার অনেক গল্প, কথায়, মা বাবার স্মৃতি আঁকড়ে সে বড় হয়েছে। ভালো রেজাল্ট করে টুয়েলভ পাস করে। তারপর কলেজ হোস্টেল থেকে উচ্চ শিক্ষা লাভ করে চাকরিতে জয়েন করে। ঠাকুরমাকে দেখাশোনা করে। দাদু মারা গেছেন ঠাকুরমা বর্তমানে বাড়ি বিক্রি করে একটা বৃদ্ধাশ্রমে আছেন। ইতিমধ্যে পলাশ একজন ব্যাঙ্ক কর্মী  তার সাথে অরুণার আলাপ হয়। ধীরে ধীরে প্রেম ও পরিণয় সুত্রে শ্বশুড়বাড়ীতে আজ প্রথম রাত্রি অরুণার। কালরাত্রি নতুন পরিবেশে অরুণার ঘুম হল না। কখন সকাল হবে? চেনা গন্ধ টা কোথা থেকে আসছে?  তাকে দেখতেই হবে। ভোরের আলো ফুটতেই চুপিচুপি উঠে জানলা খুলে দেখে একটা ছাতিম গাছ বাড়ির পিছনে। ভীষণ খুশি হল, ছাতিম গাছ জানে ত...

বিশ্ব কবিতা দিবস

Image
বিশ্ব কবিতা দিবস কবিতা হোল সেই ধারাল কোদাল, যা সরিয়ে দেয় হৃদয় পথের  জঞ্জাল। নীল, সবুজ আর রঙিন ফুলের বাহার, কবিতা চিরকাল ধরে বন্দনা করে তার। জীবনের যত শোক দুঃখ আর তাপ, দিনে দিনে বাড়িয়ে চলেছে হৃদয়ের চাপ। ভুলে যেতে হবেতা  বিশ্বের  আনন্দধারায়, বনের পাখি যেমন মুক্ত সুরে গান গায়। প্রকৃতি ছড়িয়ে দেয়  যে অনাবিল খুশি, প্রানের প্রান্তে যেন বাজে তারি বাঁশি। মুগ্ধ হৃদয়খানি এনে দিতে হবে সেখানে, কবিতার হাত ধরে অন্তরের শুদ্ধ সমর্পণে। হীরা রোদ,দিগন্ত জোড়া সবুজের হিল্লোল, বসন্তের বাতাসে মনে যখন দেয় দোল, ব‍্যাকুল হৃদয়ের আকূল হয় করতে সমর্পণ, সেইখানে ভালোবেসে কবিতা হোক আপন। Indrani Mukherjee

বিশ্ব কবিতা দিবস

Image
https://www.facebook.com/groups/454918032886904/permalink/760472888998082/?sfnsn=wiwspwa&ref=share&mibextid=1YhcI9R

বিশ্ব কবিতা দিবস

Image
মৃত্যুর আন্দোলন  কলমে - সুহানা পারভিন  দেশকে স্বাধীন করার জন্য       যারা করেছেন আন্দোলন শুধু দেশকে বাঁচানোর জন্য       শত শত মানুষ জন তারা করেনি আনন্দ মজা, শুধু       শুধু করেছে আন্দোলন তারা হল এই পৃথিবীর        আসল জনগণ যারা এই দেশের স্বাধীনের জন্য         করেছেন আন্দোলন তারা এই পৃথিবীর বুকে        বেঁচে নেই এখন নিজের জীবন বাজি রেখে        তারা করেছেন আন্দোলন তাদের আঘাতে মৃত্যু হয়েছে         তারা বেঁচে নেই এখন।।

বিশ্ব কবিতা দিবস

Image
একটাও কবিতা লিখিনি --- সুনীল সরকার  শব্দের ঝংকারে ঝংকৃত হয় আনন্দ বেদনার বর্ণমালা, রসাস্বাদনে পরিতৃপ্তি ফল্গুধারা,  কখনও দহন জ্বালা। বিস্তৃত পৃথিবীর শ্যামলীমা প্রকাশ পরিপূর্ণ কাব্যরথে চড়ে, ভাবনা ভাবের মেলবন্ধন  পাঠকের অন্তরে অন্তরে অনাগত ভবিষ্যতের উপজীব্য  বিষয় সন্ধানে নিয়োজিত, কালের কণ্ঠের উচ্চারিত  বিবিধ প্রসঙ্গ পরিমিত। প্রতিবাদে মুখরিত কলমে রক্ষিত অফুরন্ত কালি, মুখোশের উন্মোচনে সাধুবাদ  সমাজে সুখের ডালি। মানসচক্ষে প্রকৃতির সৌন্দর্য  বর্ণিত কাব্য শব্দ বর্ণে। প্রেমের গোপন আলাপন বুঝি বাজে প্রতি কর্ণে। কবির ভাষায় অনূদিত হয় কল্পনার জগত থরে থরে। পাঠক হৃদয়ের গভীরে ডুবে চাহিদা পূরণে ব্রত করে। কবি হতে আসিনি কখনও শব্দের জালে ভাবনা বুনি। একটাও কবিতা লিখিনি  শোনেন যত জ্ঞাণীগুণী।

বিশ্ব কবিতা দিবস

Image
মাগো তুমি দেখালে আমায় এই পৃথিবীর প্রথম আলো ,তোমার স্পর্শেই জানলাম আমি ভালোবাসার সব আবেগগুলো ।স্নেহের পরশে মায়ার বাঁধনে বাঁধলে তুমি নারীর টানে ,রাখলে আমায় জড়িয়ে বুকে তোমার মধ্যমণ স্থানে ।তোমার সুধা রস পান করে আমি বড় যে হলাম একটু করে, পরম মমতায় আদরে ভরেছো রেখেছো ভালোবাসায় মোরে ।হাটতে শেখা হাতে খড়ি তোমার হাতেই সবটা শুরু ,ভালো মন্দ চিনিয়ে দিলে তুমি যে মা আসল গুরু ।মনের খবর সবটা জানো চাওয়া পাওয়ার হিসাব মত ,সবটুকু সুখ দিতে পারো তুমি তোমার সাধ্যে আছে যত ।সব অপরাধ সব অভিযোগ দিতে পারো মাফ করে  অবলীলায় তুমি দুঃখ ভুলে কাছে টানো বারে বারে।তোমার আঁচলে মুখ লুকানো মুখ মোছা চোখ বাঁধার খেলা এমন করে কোথায় পাবো মা কেইবা দেবে এই সুখের মেলা। নিজের সুখের ভাবনা বেঁচে সুখ কেনো মা নিজেই যেচে, অপত্তের একটু সুখের আশায় ভাবনা তোমার অনেক উঁচে। তোমায় বোঝার সাধ্যি বুঝি এ সংসারে নেই যে কারো ,তোমায় বোঝে কজন মাগো সেটাও বোঝার ধার না ধারো । সব খাবারেই মায়ের হাতের জাদু আছে যেন ভরে ,সাধারন ও অমৃতসম যেন লাগে মহাভোগ তারে। পৃথিবীর সব সুখ আছে মা তোমারি ওই কোলের মাঝে ,ওই কোলে যে স্বর্গ খুঁজি সকা...

বিশ্ব কবিতা দিবস

Image
আজ বিশ্ব কবিতা দিবস উপলক্ষে আমার সকল, কবি বন্ধু এবং বন্ধুদের জানাই প্রভাতী শুভেচ্ছা।  প্রথমেই আমি কবিগুরুকে প্রণাম জানিয়ে, আমার নিজের একটি লেখা , কবিগুরু, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে, নিবেদন করলাম।  ঈশ্বর সকলের মঙ্গল করুন সকলে জন্য ঈশ্বরের কাছে, শুভ কামনা করি। ------------------------------------ 🙏 ।।স্পর্শ।।  দীঘল দীঘির বটের ছায়ার শেষে,  দাঁড়িয়ে আছেন মাস্টারমশাই  ,  তার দৃষ্টির মধ্যে আছে লম্বা পথের ছবি আঁকা।  উড়ে যাওয়া ছেঁড়া পাতাগুলি কুড়িয়ে কুড়িয়ে আনা মন রাখা গোধূলি বেলায় ,আবির সরে এখনই বলবেন আসি তবে?  ছড়িয়ে থাকা স্মৃতিগুলি মনের মধ্যে মেলে ধরে।  সন্ধ্যার গায়ে ঝিকিমিকি করে উঠে। একটা জীবন একটাই পথ নেই কোন দিশা।  কখন গড়িয়ে গেছে সমস্ত দিন সমস্ত রোদ হরিণের ও আগে। ,  রাত্রি ঘনিয়ে আসে রেল লাইনের ধারে বটের পাতার ওপর জ্যোৎস্না পড়েছে দেখি উড়ে যায় এক ঝাঁক সাদা পালকের ছায়া।,  ঘরে ফেরা পাখির শরীর বেগে সময় মহল,  পাতার মর্মর আওয়াজে তিনিও বলেন ভালো থেকো। ,  তার পদরেখা ভিজে যায় কুয়াশার জলে,  ...

বিশ্ব কবিতা দিবস

Image
আন্তর্জাতিক কবিতা দিবসে সকল কবির জন্য শুভকামনা রইলো। সকল কবিই জয়যুক্ত হোন। ,শিরোনাম--কবি ও কবিতা কলমে--নীতা কবি মুখার্জী 21/3/2023 কবিতা আমার জীবন রে ভাই, কবিতায় বাঁচি মরি, কবিতায় হাসি, কবিতায় কাঁদি, কবিতায় জীবন ধরি। কবিতা জীবনে, কবিতা মননে, মনের মানসী তুমি! কবিতা বিনা কবির দশা যে জলহীন মরুভূমি। কবিতা আমার আসে না মননে, লিখতে পারি না আমি, দেবীর কৃপায় যা কিছু লিখি  তাই যে অনেক দামী। কবির কল্পনা রূপ পায় তাঁর লেখনীখানির জোরে, সেই কবিতাই আলো জ্বালে মনে,কতো কিছু মনে পড়ে। কবি লিখে রাখে শৈশব-কথা কবিতার মহাছন্দে, বৃদ্ধ বয়সে সেই লেখা পড়ে সুখ পায় মহানন্দে। প্রেমের কবিতা লিখে রাখে কোনো পাগল প্রেমিক-কবি, হৃদয়-আঁগনে ফুটে উঠে যেন সুন্দর এক ছবি। ছন্দ-কবিতা দাগ কাটে মনে, সকল হৃদয়ে প'শে, ছন্দ-ছড়ার সুরেলা গানে সবে আনা যায় বশে। মানব মনে আলো জ্বালে কবি তাই পূজে সারা বিশ্ব, বিশ্বকবির কবিতা ও গানে সকলেই হয় শিষ্য। কবিতা দিয়েই লিখে রাখে কবি রূপসী পিয়ার-কথা, সুন্দর মুখের বর্ণনা পড়ে আসে মনে মাদকতা। দুখের সাগরে ভাসলে কবি সৃষ্টি করেন করুণ রস, কবি নজরুলের দুখের বেদনা এনে দেয় মান-যশ। শোকে দুখে সুখ...

বিশ্ব কবিতা দিবস

Image
**** মন বিহারিনী ****                        ### ধীরাজ কুমার গিরি ### নিশার  অবসানে         খুঁজি তোমায় প্রানে                 তবু দেখা না গো পাই। ভোরের আকাশে        এই  স্নিগ্ধ বাতাসে                 যেন কোথা হারায়ে যাই। প্রভাতের গানে        বিহঙ্গের কলতানে                ভোর হলো যেই  ধীরে ধীরে। এই নয়ন তোমারে           কেন যে বারে বারে                 খুঁজে ফিরে মোর মন মন্দিরে। চেয়েছিলেম প্রাণে          সাজাবো যতনে                 দিব খোঁপাতে দোপাটি ফুল। সেরূপে বাহারে          কন্ঠে পুস্পহারে                  কর্নে দোলাবো সাতরঙ...

তে নদী যত গভীর , তার বয়ে যাওয়ার শব্দ ততই কম ( গল্প )

Image
"যে নদী যত গভীর, তার বয়ে যাওয়ার শব্দ ততই কম " দীর্ঘ প্রায় ত্রিশ বছর পর হোটেল লবিতে পুরোনো বন্ধুর সাথে দেখা।  শৈশবের অতি সাধারণ শান্ত, শিষ্ট , ভদ্র, বিনয়ী বন্ধুটি দেখতে এখনো সেই আগের মতো।চলাফেরা একেবারেই সাধারণ। কুশলাদি বিনিময়ের পর-বললাম- আমি ওকে বাড়িতে পৌঁছে দিতে পারি। ওকে যতনা বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার আগ্রহ তার চেয়ে  গোপন আগ্রহ  আমার দামী মার্সিডিজ গাড়িটি দেখানো।    ও ধন্যবাদ জানিয়ে বললো- ও নিজের গাড়িতেই যেতে পারবে। পার্কিং লটে দুজনে পাশাপাশি হেঁটে হেঁটে আসলাম।  সাধারণ একটা গাড়ি চালিয়ে ও ফিরে গেলো। পরের সপ্তাহে ওকে ডিনারে আমন্ত্রণ জানালাম। ফ্যামিলি নিয়ে আসলো। মার্জিত একটা পরিবার। একেবারেই আড়ম্বরহীন। তবে,  মনে হলো-বেশ সুখি। আমার মনের কোনো একটা জায়গা থেকে বারবার ওকে দেখাতে চাচ্ছিলাম— দেখো- আমার কী সুন্দর অভিজাত বাড়ী।  দামী বাড়ির সব আসবাবপত্র। নানা রকমের  লাক্সারিয়াস সংগ্রহ। গল্পের ফাঁকে ফাঁকে বুঝাচ্ছিলাম-অফিস  ট্যুরে কত দেশে দেশে ঘুরতে হয়।  ইশারা ইঙ্গিতে এও বুঝাচ্ছিলাম- ও চাইলে বিজন্যাসে আসতে পারে। কত ধ...

ঝাড়খন্ডের মেয়ে দীপিকা কুমারী

Image
_*কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের সেই দৃশ্য--*_  অভিমন্যু একা চক্রব্যূহ ভেদ করে ঢুকে পড়েছেন আর কৌরবপক্ষের ১৪ মহারথী এবং ৫ অক্ষৌহিনী সৈন্য সেই বালককে ঘিরে ফেলেছে কিন্তু সেই বালক-বীরের তেজের সামনে কৌরবপক্ষের বড় বড় মহারথীরাও দাঁড়াতে পারছেন না। কৃপ, দ্রোণ, কর্ণ, শল্য, দুঃশাসন, অশ্বত্থামা, শকুনি-- সবাই তার কাছে পরাজিত। কৌরব সৈন্যরা অভিমন্যুর বাণে কচুকাটা হয়ে যাচ্ছে। দুর্যোধন তা দেখে বললেন, "আজ এই বালক তো একাই পুরো কৌরব সৈন্যকে মেরে শেষ করবে, আপনারা কিছু করুন !" ‎ দ্রোণ বললেন, "যতক্ষণ এই বীরের হাতে ধনুক আছে ততক্ষণ একে হারানো অসম্ভব !  আগে এর হাতের ধনুক কাটো !" দেখতে দেখতে ১৪ মহারথীর সম্মিলিত আক্রমণে বালক অভিমন্যুর হাতের ধনুক কাটা গেল। চক্রব্যূহে একলা ধনুর্ধরের হাতে ধনুক না-থাকলে তার ঠিক কতটা অসহায় লাগে, সেটা ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন তীরন্দাজ, ঝাড়খণ্ডের দীপিকা কুমারী কে জিগ্যেস করুন ! ‎ ঝাড়খণ্ডের হতদরিদ্র আদিবাসী পরিবারের এই কন্যাটির বাবা-মা দু'জনেই দিনমজুর। মাত্র চোদ্দ বছর বয়েসে, বাবার বানিয়ে দেওয়া বাঁশের ধনুক নিয়েই দীপিকা স্কুল লেভেলের আর্চারিতে চ্যাম্পিয়ন। বাঁশের ধনুক নিয়েই স্কুল ...

একাল ও সেকাল

Image
এখন ইলেকট্রনিক ও সোশ্যাল মিডিয়ায় বাংলা সিনেমা ও টিভি সিরিয়াল এর নবাগত তারকাদের ও সেলিব্রেটি দের দেখতে পাই বিদেশী দামি গাড়ি ও কয়েক কোটি টাকার ফ্লাটে বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন। অথচ বাংলা সিনেমা কোন হলে দুই থেকে তিন দিনের বেশি চলে না। কয়েকটি ভালো সিনেমা নিশ্চয়ই চলে, সেখানে আবার দেখবেন সেখানে কোন নামি দামি অভিনেতা নেই।  আমার ছোটবেলায় মামাবাড়িতে থাকার সময় দেখেছি সুখেন দাসকে ট্রামের সেকেন্ড ক্লাসে যেতে। অনুপ ঘোষাল, নিমু ভৌমিক, অসিত বরন, উজ্জ্বল সেনগুপ্ত (যীশু সেনগুপ্তর বাবা), তপেন চট্টোপাধ্যায়,প্রদীপ মুখোপাধ্যায়, পরিচালক গৌতম ঘোষ ( আমার সহপাঠী) আমাদের পাড়া দিয়ে হেটে যাতায়ত করত। ষাটের দশকের শেষ দিকে জ্যোতি বসুকে দেখতাম ১১০০ ডি ছোটো ফিয়াট গাড়ি নিজে চালিয়ে সিপিএমের নেতা মুজফফর আহমেদের লেক প্লেসের বাড়িতে আসতেন। কোন ড্রাইভার অথবা সিকিউরিটি গার্ড দেখিনি। তবে সত্তরের দশকে জ্যোতি বসুকে ড্রাইভার চালিয়ে নিয়ে আসত। উত্তম কুমার ছোটো ফিয়াট গাড়িতে চড়তে দেখতাম। সমিত ভন্জ আমাদের দুটো বাড়ির পড়ে একজনের বাড়িতে ট্যাক্সি করে আসত, তখন ও বিখ্যাত অভিনেতা। সত্তরের দশকে মুক্তগন থিয়েটারের সামন...

রাজশেখর বসুর জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলী

Image
রাজশেখর বসু (মার্চ ১৬, ১৮৮০ - এপ্রিল ২৭, ১৯৬০) ছিলেন একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক, অনুবাদক, রসায়নবিদ ও অভিধান প্রণেতা।  তিনি পরশুরাম ছদ্মনামে তার ব্যঙ্গকৌতুক ও বিদ্রুপাত্মক কথাসাহিত্যের জন্য প্রসিদ্ধ। গল্পরচনা ছাড়াও স্বনামে প্রকাশিত কালিদাসের মেঘদূত, বাল্মীকি রামায়ণ (সারানুবাদ), কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাসকৃত মহাভারত (সারানুবাদ), শ্রীমদ্‌ভগবদ্‌গীতা ইত্যাদি ধ্রুপদি ভারতীয় সাহিত্যের অনুবাদগ্রন্থগুলিও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে।  চলন্তিকা অভিধান প্রণয়নের জন্য তিনি সর্বাধিক পরিচিতি। সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাকে রবীন্দ্র পুরস্কারে ও ভারত সরকার পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত করে। ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে আনন্দীবাঈ ইত্যাদি গল্প গ্রন্থের জন্য তিনি সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করেছিলেন। রাজশেখর বসু ১৮৮০ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ই মার্চ অধুনা পশ্চিমবঙ্গের পূরব বর্ধমান জেলার বামুনপাড়া গ্রামে তাঁর মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলার বীরনগর (উলা) গ্রামে। তাঁর পিতা দার্শনিক পণ্ডিত চন্দ্রশেখর বসু ছিলেন দ্বারভাঙ্গা রাজ-এস্টেটের ম্যানেজার।  ...

লোকাল ট্রেনের ডেইলি প্যাসেঞ্জার

Image
লোকালট্রেনের ডেইলি প্যাসেঞ্জারদের কথাবার্তায় একটা যে আলাদা রকমের রসবোধ থাকে, তার কিছু উদাহরণ..😀😀 ট্রেনের ভিতর একজন আরেকজনকে জিজ্ঞস করলেন,   'কি দাদা, অফিসে চল্লেন?' ঝাঁঝালো উত্তর এলো, 'তা নয় তো কি? সকালবেলা ভিড় ঠেলে বাইজিবাড়ি যাচ্ছি নাকি?' একটা ট্রেন স্টেশানে দাঁড়িয়ে আছে, একজন লোক হন্তদন্ত হয়ে এসে জানলার ধারে বসা ভদ্রলোককে জিজ্ঞেস করলেন,  'দাদা এটা কি সব স্টেশনে থামবে?' ভদ্রলোক পেপার থেকে চোখ সরিয়ে গম্ভীরভাবে উত্তর দিলেন, 'কেন আপনি কি সব স্টেশনে নামবেন?' চলন্ত ব্যান্ডেল লোকালে একজন ট্রেনের হাতল ধরে ছুটতে ছুটতে প্রশ্ন করলেন, 'দাদা, এটা কি ব্যান্ডেল?' তাৎক্ষণিক নির্বিকার উত্তর ভেসে এল, 'না এটা হ্যান্ডেল।' দমদম থেকে সন্ধ্যেবেলার নারকীয় ভিড় জয় করে একজন একটা ট্রেনের পাদানীতে কোনওক্রমে ঠাঁই পেয়েছেন।  গোটা শরীরের ৮০% দরজার বাইরে, কেবল একহাতে একটা হাতল কোনওক্রমে ধরতে পেরেছেন। ট্রেন গতি নিয়ে নিয়েছে আর তার কানের পাশ দিয়ে পোষ্টগুলো সাঁইসাঁই করে চলে যাচ্ছে। ভদ্রলোক চিৎকার করছেন, 'দাদা, একটু চাপুন, একদম ঝুলছি যে।' ভেতর থেকে কে একজন উদাস গলা...

আট ভারতীয় অস্কার জয়ী

Image
এক কোলাজে আট ভারতীয় অস্কার জয়ী ১. ভানু আথাইয়া ( ১৯৮৩) : গান্ধী সিনেমার পোশাক পরিকল্পনার জন্য ২. সত্যজিৎ রায় (১৯৯২) : সারাজীবনের কাজের জন্য বিশেষ সন্মান ৩. এ আর রহমান (২০০৯) : স্লামডগ মিলিয়েনিয়ার ছবির জয় হো গানের জন্য ৪. রসূল পুকুট্টি (২০০৯) : স্লামডগ মিলিয়েনিয়ার ছবিতে সাউন্ড মিক্সিং এর জন্য ৫. গুলজার (২০০৯) : স্লামডগ মিলিয়েনিয়ার ছবির জয় হো গানের জন্য। ৬. কার্তিকী গঞ্জালভেস (২০২৩) : The elephant whisperers ছবির জন্য সেরা সল্পদৈর্ঘ্যের তথ্যচিত্র বিভাগে। ৭. এম এম কিরাভানি (২০২৩) : RRR ছবির নাটু নাটু গানের জন্য। ৮. চন্দ্রবোস (২০২৩) : RRR ছবির নাটু নাটু গানের জন্য। সংগৃহীত

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

নীরদচন্দ্র চৌধুরী মেস থেকে বেরিয়ে দেখলেন, তাঁর কলেজের প্রিয় বন্ধু বিভূতিভূষণ, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রাস্তার টাইম-কল থেকে কী একটা পাত্রে ধরে জল খাচ্ছেন! নীরদ বাবু নিশ্চিত হওয়ার জন্য এগিয়ে গেলেন। হ্যাঁ, কোনও সন্দেহ নেই, ইনিই তার বন্ধু, প্রিয় বন্ধু বিভূতিভূষণ। বিভূতিবাবুর জল পান শেষ হলে, নীরদ বাবু বলে উঠলেন, 'বিভূতি, তুমি এখানে জল খাচ্ছ, কী আশ্চর্য! কারণটা কী?' বিভূতিভূষণ একটু অপ্রস্তুতের হাসি হেসে বললেন, 'একটু আগে ছাতু খেলাম। তাই জল খেয়ে গলাটা ভিজিয়ে নিলাম।'  নীরদবাবু বললেন, 'তা তো বুঝলাম, কিন্তু তুমি আছ কোথায়? কী করছ এখন?'  বিভূতিভূষণ বললেন, 'আপাতত কিছু না, ওই ভুজিওয়ালার দোকানে একটা চৌকি খালি আছে। রাতে ওখানেই থাকি, মাসে পাঁচ টাকা দেব বলেছি। আসলে যে স্কুলে শিক্ষকতা করতাম, সেটা হঠাৎই ছেড়ে দিতে হলো। তাই এই অবস্থা চলছে।'  নীরদবাবু বললেন, 'বিভূতি, আমি তোমার কলেজের ঘনিষ্ঠ ক্লাসফ্রেনড, তুমি একবারটি আমাকে জানালে না, তোমার এমন অবস্থা, থাকার জায়গা নেই? চল আমার মেসে।'  সেই ৪১ এ, মির্জাপুর স্ট্রিটের মেসের বাসিন্দা হলেন বিভূতিভূষণ, নীরদবাবুর ঘর...

বিজ্ঞানী বিভা চৌধুরী

Image
বিজ্ঞানী বিভা চৌধুরীর নামে তারার নামাঙ্কন করল জ্যোতির্বিজ্ঞানী সংস্থা আন্তর্জাতিক অ্যাস্ট্রনমিকাল ইউনিয়ন প্যারিসে এই কথা জানিয়েছে । ৩৪০ আলোকবর্ষ দুরে একটি সাদা-হলদেটে বেঁটে তারা। প্রয়াত বিজ্ঞানী বিভা চৌধুরীর নামে তারাটির নাম বিভা লাইটবিম রেখেছে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান সংঘ। সেক্সটান নক্ষত্রপূঞ্জের মধ্যে উপস্থিত বিভা। তার এক্সোপ্ল্যানেটের নাম দেওয়া হয়েছে সন্তোমশা (মেঘলা)। ভারতের আকাশ থেকে দুটিকেই দেখা যায়। আমাদের সোলার সিস্টেমের বাইরে যেসব তারা আছে, তাদেরকে যেসব গ্রহ আবর্তন করে তাদের এক্সোপ্ল্যানেট বলা হয়। চলতি বছরে মাইকেল মেয়ার নোবেল পান ১৯৯৫ সালে এক্সোপ্ল্যানেট খুঁজে পাওয়ার জন্য। তারপর থেকে আকাশগঙ্গায় প্রায় ৪০০০ এক্সোপ্ল্যানেট খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। হোমি ভাবা ও বিক্রম সারাভাইয়ের সঙ্গে কাজ করেছিলেন বিভা চৌধুরী। নোবলজয়ী বৈজ্ঞানিক ব্ল্যাকেটের ল্যাবেও কাজ করেছেন তিনি। আজীবন গবেষণার সঙ্গে যুক্ত থাকা বিভাদেবীর পেপার প্রকাশ পেয়েছে নেচার সহ দেশ-বিদেশের নামীদামি প্রকাশনায়। তবুও ভারতে যোগ্য সম্মান পাননি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রাক্তনী। দেবেন্দ্র মোহন বোসের তত্ত্বাবধানে গবেষণা শু...

বাংলার প্রথম ইঞ্জিনিয়ার

Image
বাংলার প্রথম মহিলা ইঞ্জিনিয়ার---- ১৯৪৭ সাল | দেশ স্বাধীন হল | প্রযুক্তিবিদ্যার অধ্যয়নে তখন পুরুষদের একচ্ছত্র আধিপত্য | পশ্চিমবাংলার বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ তখন প্রযুক্তিবিদ্যার অধ্যয়নের অন্যতম পীঠস্থান | ১৯৪৭ সালেই পশ্চিমবাংলার তৎকালীন নিকুঞ্জ বিহারী মাইতি বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের দরজা খুলে দিলেন মহিলাদের জন্যে | প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন দুইজন ছাত্রী | ভর্তি হলেন দুজনেই | কিন্তু একজন দ্বিতীয় বর্ষেই কলেজ ছাড়লেন | রইলেন একজন ছাত্রী | ১৯৫১ সালে তিনি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করলেন | তিনিই ছিলেন বাংলার প্রথম ইঞ্জিনিয়ার | গোটা ব্যাচে তিনিই ছিলেন একমাত্র ছাত্রী | বাকি সকলেই ছিলেন ছাত্র | তিনি ইলা মজুমদার | জন্ম ১৯৩০ সালের ২৪শে জুলাই বর্তমান বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার মাদারীপুর গ্রামে | পিতা যতীন্দ্র কুমার মজুমদার ছিলেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট | মা ছিলেন গৃহবধূ | যতীন্দ্রবাবু ছোট থেকেই মেয়েকে মুক্ত পরিবেশে বড় করে তোলেন | ১২ বছর বয়সেই ইলা সাইকেল চালাতে পারত | মাত্র ১৬ বছর বয়সে শিখেছিলেন জিপ চালানো | খুলনায় তিনি নবম শ্রেণী অবধি পড়াশোনা করেন | এরপর ১৯৪৫ সালে ইলাদের পুরো পরিবার কলকাতায় চ...

ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় মৃত্যু দিনে শ্রদ্ধাঞ্জলী

Image
*প্রয়াত 'পাণ্ডব গোয়েন্দা' স্রষ্টা ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়* (Sasthipada Chattopadhyay) তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর Novelist Sasthipada Chattopadhyay Passed Away: প্রয়াত 'পাণ্ডব গোয়েন্দা' স্রষ্টা ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় (Sasthipada Chattopadhyay *)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। সকাল ১১টায় হাওড়া এক নার্সিংহোমে তাঁর মৃত্যু হয়।* আজই তাঁর শেষকৃত্যু সম্পন্ন হবে। স্ট্রোকের কারণে তাঁর মৃত্যু বলে সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর। গত ডিসেম্বর থেকেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তাঁর পরিবারের তরফে জানানো হয়, গতকাল রাতে স্ট্রোক হলে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তাঁর নিজের বাসভবন হাওড়ার জগাছা এলাকার ধারসায় মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে।  দুপুর ৩টেয় সেখানে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রয়াত সাহিত্যিক রেখে গেলেন তাঁর সৃষ্ট বাবলু, বাচ্চু , বিলু, ভোম্বল, বিচ্চু এবং পঞ্চু-কে। কয়েক প্রজন্মের কিশোর-কিশোরীরা বুঁদ ছিল এই রোমাঞ্চকর রহস্যে। পরতে পরতে রোমাঞ্চ। দুঃসাহসী, বুদ্ধিমান এবং নির্ভীক পঞ্চ পাণ্ডবকে তুলে ধরেছেন তাঁর উপন্যাসের পাতায়,যা শুকতারায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এরপর তা বইয়ের আকারে বের হয়। শুধু পাণ্ডব গোয়েন্দাই নয়, তাঁর সৃষ্টির ঝুলিতে রয়ে...