বিশ্ব কবিতা দিবস


মাগো তুমি দেখালে আমায় এই পৃথিবীর প্রথম আলো ,তোমার স্পর্শেই জানলাম আমি ভালোবাসার সব আবেগগুলো ।স্নেহের পরশে মায়ার বাঁধনে বাঁধলে তুমি নারীর টানে ,রাখলে আমায় জড়িয়ে বুকে তোমার মধ্যমণ স্থানে ।তোমার সুধা রস পান করে আমি বড় যে হলাম একটু করে,
পরম মমতায় আদরে ভরেছো রেখেছো ভালোবাসায় মোরে ।হাটতে শেখা হাতে খড়ি তোমার হাতেই সবটা শুরু ,ভালো মন্দ চিনিয়ে দিলে তুমি যে মা আসল গুরু ।মনের খবর সবটা জানো চাওয়া পাওয়ার হিসাব মত ,সবটুকু সুখ দিতে পারো তুমি তোমার সাধ্যে আছে যত ।সব অপরাধ সব অভিযোগ দিতে পারো মাফ করে  অবলীলায় তুমি দুঃখ ভুলে কাছে টানো বারে বারে।তোমার আঁচলে মুখ লুকানো মুখ মোছা চোখ বাঁধার খেলা এমন করে কোথায় পাবো মা কেইবা দেবে এই সুখের মেলা। নিজের সুখের ভাবনা বেঁচে সুখ কেনো মা নিজেই যেচে,
অপত্তের একটু সুখের আশায় ভাবনা তোমার অনেক উঁচে। তোমায় বোঝার সাধ্যি বুঝি এ সংসারে নেই যে কারো ,তোমায় বোঝে কজন মাগো সেটাও বোঝার ধার না ধারো । সব খাবারেই মায়ের হাতের জাদু আছে যেন ভরে ,সাধারন ও অমৃতসম যেন লাগে মহাভোগ তারে। পৃথিবীর সব সুখ আছে মা তোমারি ওই কোলের মাঝে ,ওই কোলে যে স্বর্গ খুঁজি সকাল দুপুর সন্ধ্যা সাজে ।তোমার তুলনা তুমি মা গো তুল্য কিছুই নাই। জন্মে আসি যতবার যেন তোমার গর্ভে ঠাঁই পাই ,এই কামনা করি শতবার যেন তোমার চরণ পাই ।হাসিমুখে লুকাও তুমি চোখের জলের বাঁধ সকল আশা জ্বলাঞ্জলি দাও সব মনের মাঝের সাধ।
নজর এড়িয়ে নিজের খোরাক দাও সন্তানের মুখে তুলে ,অভুক্ত থেকেও  তুমি হাসিমুখে হাসিখুশি থাকো সকল কষ্ট ভুলে ।সন্তানের একটু ব্যথায় যে হায় তোমার চোখ ভরে যায় জলে ,বুঝতে তবুও দাও না তুমি ছলে বলে কৌশলে। রক্ষা করো তুমি সকল বাধা তোমার আশিসে সুস্থ থাকি মা কেটে যায় সব অশুভ বাধা।
এক নিমেষে উধাও হয় যে সকল ক্লান্তি ব্যথা ,মা বলে ডাক দিলে তোমায় থাকো তুমি যেথা। সন্তানেরই সুখে যে হয় মায়ের অপার সুখ,কোনো সন্তান দেয় না যেন সেই মায়েরে দুখ।
মন বলে তাই মাগো তুমি লিখতে যদি সন্তানেরই ভাগ্য ,অপার সুখী হতো সবাই আর থাকতো না কোনো দুর্ভাগ্য ।তুমি যে পরম করুণাময়ী কৃপা সদাই রেখো ,তোমার সন্তানের পাশে মাগো সদা সর্বদা থেকো ।তুমি শুধু মা তোমার সন্তানের মাথায় আশীর্বাদে হাতটা রেখো ,এই কামনাই করি মাগো আমাদের মত তুমিও ভালো থেকো।

কলমে_পূর্ণিমা রায় ✍️
২১/০৩/২৩
জয়পুর রাজস্থান

Comments

Popular posts from this blog

কানপুরের জগন্নাথ মন্দির

শ্রীরামপুর - এর ইতিহাস ( ভাগ - ১ )