Posts

Showing posts from October, 2021

Poem ( কবিতা )

Image
এসো মা লক্ষ্মী  প্রনতি তালুকদার  ১৯/১০/২০২১ এসো মা  লক্ষ্মী  সবার ঘরে ঘরে বসো। কারুর উপর রাগ কোরোনা, সবার ঘরেই ভালোবেসেই থেকো। মনের মতো সাজাবো তোমায় আজ, ফুলে ফুলে  সাজিয়ে রাখবো আলোয় ভরিয়ে দিও। আল্পনাতে গল্প থাকবে,  তোমার ভোগে ছড়িয়ে দেবো ভালোবাসা। এসো মা তুমি একবার অন্তত এসো। এই ভাঙা ঘরে যেখানে চাঁদের আলোয় ঝলমল করছে, এই ঘরে এই রাঙা মাটিতে।  তোমার রাঙা চরণ ফেলে ফেলে এসো। কোথাও বা কোনো বাড়িতে তোমায় সোনার  পালঙ্কে বসাবে,কেউ হয়তো সোনার থালায় রুপোর বাটিতে পায়েস দেবে! জান মা আমার দশ বছরের ছেলে বলেছে তোমার মা এই বাড়িতে আসবে না। দেখ না বড়ো বড়ো বাড়ির লোকেরা সারা বছর  তোমার মায়ের পুজো করে।  কত দামি দামি ফল ভোগ দেয়, আর তুমি  আজ কত কষ্ট করে পুজো করছো। সেটা কি তোমার মা বুঝবে! আজ আমার বাড়িটাও ঝলমল করছে। উঠোনের পূব দক্ষিণ কোণায় একটা শিউলি  গাছ আছে তাতে অজস্র ফুল ফুটেছে।  একটু পর থেকে সেই গাছের তলাটা  ফুলে ফুলে সাদা হয়ে যাবে।  তুমি সেই  ফুলের উপর দিয়ে আস্তে আস্তে এসো, আমি আজ জেগেই থাকবো। ঘরে একটা কাঠের পিঁড়ি আছে...

Poem ( কবিতা )

Image
"এসো মা লক্ষ্মী, বসো ঘরে"।  কোজাগরী লক্ষ্মী পূজোর শুভ অবসরে সকলকে জানাই আন্তরিক শুভকামনা। সকলের সংসারেই মা-অন্নপূর্ণার কৃপা বর্ষন হোক এই প্রার্থনাই করি। কবিতা--এসো মা লক্ষ্মী কলমে--নীতা কবি মুখার্জী 19/10/2021 লক্ষী আমাদের শান্ত শিষ্ট সুন্দর এক মেয়ে তাঁর প্রসাদেই খাই আমরা ভাতটুকু ঘি দিয়ে "এসো মা লক্ষী বসো" বলে আহ্বান করি তাঁকে কোজাগরীতে আলপনা দিয়ে বরণ করি "মা" কে। ঠাম্মা বলেন লক্ষী নাকি দেখেন ঘুরে ঘুরে যার বাড়ীতেই প্রদীপ জ্বলে থাকেন যে তার ঘরে আলো ঝলমল পূর্ণিমা রাত, স্বপ্নের দেশ যেন মায়ের প্রসাদ বর্ষণ হয় মনে প্রাণে মেনো। দূর্গা পূজো শেষ হলো যে,লক্ষীর পূজো হবে এই নিয়েই তো গেরস্থ ঘর ব‍্যস্ত থাকেন সবে বাদ‍্যি, ঘণ্টা, কাঁসর কিছুই চান না আমার মা নিষ্ঠা আর ভক্তি দিয়েই সাধন করে যা। ধনের দেবী, রূপের দেবী, সুখের দেবী যিনি লক্ষী নামেই শান্তির বাস, মঙ্গলময়ী তিনি ধনের পিছে ছুটে বেড়ায় মর্ত‍্যবাসী যত সৎকর্মে অর্জন করো, নাও সৎ জীবনের ব্রত। লক্ষী আর নারায়ণের যুগল আরাধনায় ঘটের পূজোয়, পটের পূজোয় ব‍্যস্ত থাকে সবাই সবার শেষে তোমার কাছে এই প্রার্থনা করি সবার মুখে অ...

Poem ( কবিতা )

Image
আহ্বান  মীনা রায় বন্দ্যোপাধ্যায়  সাড়া দাও ওগো সুখ এসো ডাক শুনে,  কত কাল আর বলো থাকি কাল গুণে! করি কাজ ছাড়ি লাজ ভুলে সাজ কভু , ছাড়ি দুখ এসো সুখ কাঁদি আজ প্রভু! যতো চাই কিছু পাই খেদ নাহি তবে হবে ভোর ঘরে দোর গায়ে জোর সবে! সব স্বামী খুব দামি জায়াদের কাছে মন ভরে বেশ করে  সেবা ভাত মাছে! পথ চলি আর জ্বলি রোদ তেজে ভরে , রোদ বেশি  ছাতা খান হাত দিয়ে ধরে। কম বেশী দুখ সবে দেবে এই মনে সকলেই চায় প্রাণে প্রিয়তোষ ধনে। অনুনয় রও সাথে দিন রাতে প্রভু  মরি তাই দাও দেখা ডাকি আজ তবু। এই মনে সেই ক্ষণে পাই দেখা যদি  দুই চোখে বহে যায় জল ধারা নদী। সুখ চেয়ে নাই পেয়ে পাই দিশা বটে , ভুল করে লোভ যত ঠিক যাহা ঘটে! শুভ হয় যেবা সয়  ভালো রয় বেশী রাগ রোষে ত্যাগ করে নাই তোলে পেশী।

Mahalaya

Image
ববি ব্যানার্জি বিষয়..  "মহালয়া " , মহালয়ার সঙ্গে দুর্গাপূজোর আদৌ কোনো সম্পর্ক নেই।  সকালে রেডিওতে মহালয়া শোনা হয় - ওটা মহালয়া নয়। ওটা "মহিষাসুরমর্দিনী"  নামের একটি অনুষ্ঠান। এর সঙ্গেও মহালয়া'র কোনো সম্পর্ক নেই। এই দিনে অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার হয়, এই পর্যন্তই। -   মহালয়া কথাটি এসেছে 'মহত্‍ আলয়' থেকে। হিন্দু ধর্মে মনে করা হয় যে পিতৃপুরুষেরা এই সময়ে পরলোক থেকে ইহলোকে আসেন জল ও পিণ্ডলাভের আশায়।প্রয়াত পিতৃপুরুষদের জল-পিণ্ড প্রদান করে তাঁদের আত্মাকে 'তৃপ্ত' করা হয়। - শুদ্ধ, অশুদ্ধের ব্যাপার নয়। এর সঙ্গে মহাভারতের যোগ আছে।  মৃত্যুর পর কর্ণের আত্মা পরলোকে গমন করলে তাঁকে খাদ্য হিসেবে স্বর্ণ ও রত্ন দেওয়া হয়েছিলো। কর্ণ এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে তাঁকে বলা হয়, তিনি সারা জীবন স্বর্ণ ও রত্ন দান করেছেন, কিন্তু প্রয়াত পিতৃগণের উদ্দেশ্যে কখনও খাদ্য বা পানীয় দান করেননি। তাই স্বর্গে খাদ্য হিসেবে তাঁকে সোনা দেওয়া হয়েছে। বিমর্ষ কর্ণ বলেন, তাঁর পিতৃপুরুষ কারা সেটা তো তিনি মৃত্যুর মাত্র একদিন আগেই জানতে পেরেছেন। তাঁর দোষ কোথায়! যমরাজ তখন বোঝেন, সত্যিই তো, এতে কর...

Mahalaya

Image
কবিতা - " মহালয়া " কলমে - " স্বপ্না ব্যানার্জী " দেখি কাশ মনে জাগে আশ এবার তাহলে আসবেন মা                  আগামনীর বার্তা বয়ে আনলো মহালয়া                 চারিদিকে সাজো সাজো রব                 সারা বছরের প্রতীক্ষা , হল অবসান নতুন জামা , নতুন সাজ কোথায় - কোথায় ঘুরবো বন্ধুদের হাঁক - ডাক এখনো হলো না ?                  তাড়াতাড়ি কর বেশি ঠাকুর                  দেখা যাবে না                  সব বার্তা বয়ে আনে মহালয়া পিতৃ পক্ষের তর্পণ গঙ্গার ঘাটে ভীড় ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কন্ঠস্বর -                   দিকে - দিকে সারা বছরের প্রতীক্ষার অবসান হলো                  দেখো মহালয়া এলো ।।

Mahalaya

Image
শিরোনামে মহালয়া কলমে অশ্রু কণা দাস মহান আলয় হতে আসে মহালয়া, এদিনে মর্তে আসেন পিতৃপুরুষরা। পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পন গঙ্গাবক্ষে, দেবীপক্ষের সূচনা এই শুক্লপক্ষে। বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কন্ঠে শ্লোক ও গ্ৰন্থণা, শারদপ্রভাতে মহালয়ার আলাদা মাত্রা। মন আনমনা শারদীয় উৎসবের বাতাবরণ, দেবী দুর্গা অশুভ বিনাশ করে শান্তি স্থাপন। ভোরের বাতাসে ঝরা শিউলির সুবাসে, নবহিল্লোল প্রকৃতির বুকে কাশের বনে। শিল্পী আঁকেন মৃন্ময়ী মায়ের চক্ষু তুলির টানে, রেডিও বেতারের টানে মন ধায় সুদূর অতীতে।

Mahalaya

Image
মা রাখী চক্রবরত্তী মা আসছেন দিকে দিকে আনন্দেরই রব, ঘুচাও মাগো বিষম জ্বালা অনাচারী স্তব।  মনের মাঝে নিত্য নতুন আখরে দিন গোনা, হোক না মা এবার তোমায়   ভালোবাসায় বোনা।

Mahalaya

Image
***প্রার্থনা***    -------- রচনা কাল:--04/11/2018 ভাবনায়:-- ভাস্কর বনিক  এসো মা --- মা মাগো ধরাধামে তুমি ফিরে এলে ভরালে চিত্ত সুখে তব নাম মুখে মুখে সন্ধ্যা মগন হয়  আলোক উজ্জ্বলে ধরাধামে তুমি ফিরে এলে।। চারিদিকে পরে সাড়া নিশিদিন একাকার  ছেলে বুড়ো একসাথে  ধ্বনি ওঠে বারে বার  জয় মা জয় মা বলে ডাকে যে সকলে ধরাধামে তুমি ফিরে এলে।। তুমি যে বিশ্ব মাতা বিভেদ কর হে দূর যত মত তত পথে মিলে যাক একই সুর দান্দিক মন নীড়ে  প্রেম সুধা বর্ষালে। ধরাধামে তুমি ফিরে এলে।।

Mahalaya

Image
একুশের আগমনী  মীনা রায় বন্দ্যোপাধ্যায়  মহালয়ার উন্মাদনা আগের থেকে কমলো অনেক,  বারে বারেই ঝড় -ঝঞ্ঝা থমকে দিচ্ছে জগৎ ক্ষণেক! আশ্বিনে দেবীপক্ষ শুরু হবে অমাবস্যা গেলেই , শুভ মহালয়া আগমনী দেবী মাতা ধরায় এলেই। আকাশ বাতাস মধুর আনন্দিত  কাশের দোলা কুমুদিনী শতদলে দেখি সরোবরে হাইটি তোলা ! শেফালিকার সুবাসেতে শিউলিতলে সন্ধ্যা মুখর , মাঠে মাঠে কচি ধানের শিষে হাওয়ার দোলন তুখর। প্রাতে শিশির রবির কিরণ দূর্বা ঘাসে মুক্তো জ্বলে , কবি শিল্পী গানে কবিতায় শারদীয়ার গল্প বলে । উপহারটা দেওয়া- নেওয়া আবহাওয়াতে কমলো বটে, সমাজ বিপর্যস্ত জনজীবনে এই জন্যেই বিপত্তি ঘটে। নিত্য প্রয়োজনে আকাশছোঁয়া বাজার দড়ে মানুষ কুঁজো,  আনন্দ খুব হবে তবু জানি বঙ্গবাসির দুর্গা পুজো! কাটবে জানি আর পাঁচটা দিনের থেকে অন্যরকম,  বন্ধু পেলে সামনে ফোনে করবো শুধু বকম্ বকম্।  চারটি দিনে থাকবেন মা দশভুজা এই ধরাধামে  আনন্দময়ীর আগমনে প্রকৃতিতে খুশির বন্যা নামে। নতুন পোশাক পরে সুবাসিত ভোগ প্রসাদ খাওয়া , প্রতিবেশী আত্মীয় বন্ধু ছাদ প্যান্ডেলেই কাছে পাওয়া! পরিবেশ পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে বাড়ি ঘর পথ ঘাট,...

Mahalaya

Image
দেবীপক্ষের শুভলগ্নে,     আগমনী সুর উঠল বেজে।  শিউলি ফুলের গন্ধে মাতে,     ভোরের আলোর শুভেচ্ছাতে।  কাশফুলেতে ভুবন ভরা,      নীল আকাশের নীলিমাতে।  মহালয়ার পূণ্য দিনে,     তর্পণ চলে ঘাটে ঘাটে।  ভালোবাসার মানুষগুলো,     মুক্তি পাবার আশে।  দশভুজার দশহাতে,     বধ করবে অশুভকে।  পাপ মুক্ত পৃথিবী গড়তে,     মহিষাসুরের নিধন করে।  বরণ করে আগমনীকে,     বাঙালির মন খুশিতে দোলে।

Mahalaya

Image
মাতৃ-পক্ষ সুজান মিঠি “ইত্থং যদা যদা বাধা দানবোত্থা ভবিষ্যতি ।। তদা তদাবতীর্যাহং করিষ্যাম্যরিসংক্ষয়ম্‌ ।।” ওই যে গঙ্গায় উপচে পড়ছে ভিড়… পিতৃপক্ষের অবসান তিথিতে পূর্বপুরুষের জন্য তর্পণে ব্যস্ত পুত্র, প্রপৌত্র… ঠিক তার পাশটিতে ওই যে বধূটি কান্নায় ভিজিয়ে নিচ্ছে গালের কালশিটে ওখানে তুমি কোথায় মা? আকাশ ঘন নীল। বৃষ্টির পরে তরতাজা গাছ। কাটছে...কাটছে  গাছটার মূল কাটছে পাতা কাটছে পাতা থেকে সালোকসংশ্লেষ তারপর মৃত কাঠ … দাউদাউ জ্বলে ওঠা আগুন তারপর ছাই। ওখানে তুমি কোথায় মা? রোজ বিকেলে ছোট্ট এক স্বপ্ন আঁকত  যে দুটো হাত একসঙ্গে হারিয়ে যেত পাখির মত, ফুলের মত ওদের কুচি কুচি করে নদীর স্রোতে ঢেলে দিল যে অনার কিলিং ওখানে কোথায় তুমি মা? মাতৃপক্ষের শুভ সূচনা হচ্ছে আজ ঠাকুরদার রেডিওর উপরে দুটো শিউলি, ধুপ আর একটানা বীরেন ভদ্র। মায়ের চোখে আলো পুজো আসছে!  ঠাকুরদার এঁটো কাপ ধুয়ে শিউলিতলায় কুড়িয়ে নেয়… "বাজলো তোমার আলোর বেনু" সুর। কিন্তু ওই শিউলিতলায় তুমি কই মা? অষ্টমীর অঞ্জলি শেষে কেয়া'র লাল গরদের শাড়ি রক্তে মাখামাখি… গণধর্ষণের পরে গলায় ফাঁস হাতে শক্ত করে ধরে রাখা তোমার আশীর্বাদ। ওখানে তু...

Mahalaya

Image
কবিতা- শারদীয়া কলমে- জয়া ঘটক খড়দহ, রহড়া এমনি করে বাজবে সুর গাইবে পাখী আপন মনে, শরৎ আকাশ দিচ্ছে উঁকি বলছে আমার কানে- কানে। সারদপ্রাতে উঠবে রবি সোনার আলো মাখব গায়ে, দুঃখ যতেক যাবে ধুয়ে ঘরে- ঘরে উঠবে বেজে মঙ্গল ঘন্টা আপনি সেজে ঠাকুর দালানে গড়বে খাঁচা, দূর গাঁয়ের ঐ কামাল চাচা মাটির প্রলেপ দিয়ে তাতে চক্ষু দান হবে যে প্রাতে। একশো আটটি পদ্মফুলে সরোবরটি উঠবে ভরে, যত আছে কচিকাঁচা আয়না ছুটে বাঁধি আশা তমশার ঐ অন্ধকারে  থাকব না আর বদ্ধ ঘরে! রঙিন পাখা মেলে দিয়ে বেড়াই ঘুরে বিশ্বজুড়ে।।

Mahalaya

Image
মাতৃ আরাধনা ---------------------          সুজিত নস্কর দূর্গা নামে মোহিত হয়ে যাই সকলে, শ্রীরামচন্দ্র দূর্গা পূজা করলেন অকালে। সেই অকালের বোধন মেনেই হয় বাঙলায় পূজা, নতুন জামা কাপড় পড়ে একটু রাজা রাণী সাজা। ছোটোদের ভারী মজা এখন এ প্যান্ডেল ও প্যান্ডেল যাওয়া। ঠাকুর দেখার পাশাপাশি এটা ওটা খাওয়া। দশভূজা আসেন তিনি সন্তান দের নিয়ে, পূজা নেন বনেদি বাড়ি, সার্বজনীন সবখানেতে ই গিয়ে। বনেদি বাড়ির সাবেকি আনা মায়ের ভালো লাগে, সার্বজনীন ক্লাব সদস্যরা বিনিদ্র রাত জাগে। পাঁচটি দিন ভালোই কাটে নানান আয়োজনে, ব্রাম্ভন ঠাকুরের কদর থাকে পূজার প্রয়োজনে। আরাধ্যদেবী দূর্গা হলেও সন্তানরাও পূজিত হন, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ সকলেই পূজা পান। ভক্তি ভরে ডাকলে মাকে, শক্তি আসে মনে।  বাঙালির এই মাতৃ সাধনা চলুক সনে্ সনে্।

Mahalaya

Image
মহালয়া আসছে সমরেন্দ্রনাথ ঘোষ মহালয়া আসছে,  বাতাসে কাশ ভাসছে।  ঢাকিরা এবার নাচবে,   বাচ্চাগুলো  ৺বাচবে।  বাড়িতে মানুষ  বন্দি,  নাচে ভৃঙ্গী, নন্দী। দুর্গা মা আসবেন,  কোমরজলে ভাসবেন।

Mahalaya

Image
আগমনী  *********** কাশের বনে দোল মনেতে হিল্লোল আসছে পূজো একটা বছর পরে মহালয়ার সুরে কাছে এবং দুরে খুশীর আমেজ সবার ঘরে ঘরে। সাদা মেঘের দল করছে নানান ছল গোধূলীতে সাজছে নানা সাজে আসছে খুশীর দিন পৃথিবী রঙ্গীন মাটির মানুষ ব্যস্ত ভীষন কাজে। মাতছে শহর গ্রাম পুরবে মনোস্কাম দেবীর কাছে এইটুকুই তো আশা বাড়িয়ে দিয়ে হাত শারদ সুপ্রভাত সবার মনে ছড়াক ভালোবাসা। সুভাশিস সরকার।

Mahalaya

Image
শারদ প্রাতে *********** শ্রাবনী ঘোষ পিতৃপুরুষ  তর্পনেতে জাগে মহালয়া, সাজো সাজো রবে সকাল, আসবে  সর্বজয়া। পিতৃপক্ষের শেষ হলে আজ দেবীপক্ষের শুরু, মায়ের আগমনের আশা বুক যে দুরুদুরু। পুণ্যদিনে মুখরিত আগমনী গান, মা আসবেন এই ধরাতে, খুশীর কলতান। কাশের বনে দোলদোলানো খুশীর  হাওয়া মাতে, শিউলি ঝরা হাসিমুখে, শরৎ আসে প্রাতে। জলাশয়ে উজল আলোয়, পদ্ম ফুলের দল, বুলবুল আর টিয়ার ঝাঁকে প্রকৃতি ঝলমল। মহালয়ার প্ররোম্ভেতে বদলে যে যায় সবি। দুর্গা পূজার হই হুল্লোড় মন মাতানো ছবি।।।।

Mahalaya

Image
বিষয়-আগমনী  শিরোনাম-আগমনী  কলমে-সৌরভ পাত্র  দিনাঙ্ক-04/10/2021 আর ফেরে না হারিয়ে যাওয়া দিনগুলি বার বার মনে পড়ে যায়,মনটা বেশ খুশি খুশি; ভোরের আলোয় হালকা শিশির বিন্দু,হাতে তুলি।  তুলোর মতো সাদা মেঘের দিকে তাকিয়ে থাকি তখন মন ভাবায় এটা কোন সময়; হঠাৎ প্রাণের শুভ্র!এসে বলে কলেজে আগমনীতে অভিনয়ে থাকবি কি? আমি তো জানি তুই ভালোবাসিস অভিনয়। স্যারের নির্বাচনে কার্তিকের চরিত্রে অভিনয়ে মনোযোগী মন মজে রিহার্সালে; মন বড্ড উতলা হয়ে বলে উঠে আগমনী এল বলে।

Mahalaya

Image
মহালয়ার একটি ভোর প্রনতি তালুকদার  ৪/১০/২০২১ আবার উঠবে জেগে এই কালো  মেঘ সরে গিয়ে দেখা দেবে শরতের আকাশে ভোর। আজ ঝড় ঝঞ্ঝা কেটে গিয়ে নীল নীলিমার  ঢেকে যাবে আকাশ। নদীর গভীরে ঢুবে যায় আজকের সূর্য।  প্রান্তরের কিনারে দাঁড়িয়ে তুমি মুখোমুখি শরতের  রাতে। গভীর রাতে লক্ষ লক্ষ লোকের কোলাহল। সব স্তব্ধ হয়ে আছে যেন হয়ে আছে গাছের পাখিরা।  রাতজাগা পাখি ডাকতে ডাকতে চলে গেল অনেক  দূরে। কিন্তু আজও পাখিরা সোনালী আলো টের পায়  ধীরে ধীরে এগিয়ে যায় সেই আলোর দিকে।  আজ মহালয়া, কিন্তু এখনো আকাশ কালোই হয়ে  আছে। চারিদিকে বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে  শুরু  হয়ে গেছে রেডিওতে মহালয়া ।তবে এখন সব বাড়ির থেকে সেই সুর ভেসে আসে না। কারণ এখন মোবাইল বা কম্পিউটারের যুগ, তবুও শোনা যাচ্ছে।  আর অনেক অনেক বছর আগে পাড়া, গাঁ, শহর গমগম করতো।তাও তো শোনা যাচ্ছে! সেই সুর সেই  গলা শুনলে এখনো গাঁয়ে কাঁটা দেয়। মহালয়ার ভোরে তখনো ভালো করে  আলো ফোটেনি, মন্দিরের পুরোহিত ভবেন চাটুয্যে  তর্পণ করতে এসেছেন। তর্পণ শেষ হলেও সূর্যদেবের দেখা নেই, দেখা দেবেন কি ন...

Mahalaya

Image
আগমনীর সুর বিপ্লব ভট্টাচার্য্য তুমি আসবে বলেই নীল আকাশে সাদা মেঘ রাশি তুমি আসবে বলেই উলঙ্গ শিশুর মুখে ফোটে হাসি। তুমি আসবে বলেই কাশ ফুলের নিত্য মাথা নাড়া তুমি আসবে বলেই নতুন করে জামা কেনার তাড়া। তুমি আসবে বলেই ঘাসের উপর হিমের পরশ পড়ে তুমি আসবে বলেই সবুজ ঘাসের উপর শিশির পরে। তুমি এলে— কিন্তু বস্তিবাসী মেয়েটা জামা পেল না; বানভাসিরা তোমার দেখা পেল না; চায়ের দোকানের ছেলেটা ছুটি পেল না; প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরেও বুড়ি ঠাকুমা দুমুঠো খেতে পেল না। আগমনীর সুর যদি বাজে- শুধু মন্দির আর প্যান্ডেলে কেন?  আমার রক্ত-মাংসে গড়া মায়ের মাটির ঘরে আগমনীর সুর কবে বাজবে....?

Mahalaya

Image
ছুটির কবিতা ছুটির বাঁশি বাজলো ওরে , শরৎ এসেছে পেঁজা পেঁজা তুলোর ভিড়ে নৌকা ভেসেছে। নদীর পাড়ে ,কাশের বনে কিসের ওরে দোলন, পূজা পূজা গন্ধ মাখা মাতোয়ারা গগন। নানা ফুলে ,নানা রঙে প্রজাপতির ডানা, সারাবেলা করবো খেলা ,মানবো নাকো মানা ? হিমেল ছোঁয়া ডালে ডালে,শিউলি ফুলে ফুলে হাওয়ায় দোলে পদ্ম পাতা ,দোদুল দুলে দুলে। দুগ্গা মা আসার আশায় উঠলো সেজে ধরা, নতুন জামায় খোকাখুকী ,নাচবে বুঝি তারা। হরেকরকম দোকান সাজে,হরেকরকম ছবি, প‍্যান্ডেলেরই গাঁ ঘেষে তাই , উঠবে বুঝি রবি। পড়াশুনায় মন বসে কি! স্বপ্ন চোখে রচি  মাগো এবার দাও গো ছুটি ,নিজের মতো বাঁচি।                         --- অন্তরা সিংহরায়

Mahalaya

Image
মহালয়া                 বাসুদেব মাল।       আমার মনে হয় দুর্গা পূজার সাথে মহালয়ার কোন যোগ বা সম্পর্ক নেই।এটা নিছক একটা গীতি আলেখ্য।এবং বাংলা তথা সারা ভারতে সকল মানুষ মন্ত্র মুগ্ধ হয়েছে।এবং এর হিন্দী অনুবাদ করা হয়েছে।         এই কথা বলার কারণ  এই যে দুর্গা পূজা বাংলা তথা ভারতে অনেক আগে থেকে প্রচলিত।বাংলার কথাই বলি,এই পশ্চিম বাংলা দুটি পূজো খুব প্রাচীন  একটা পুরুলিয়ার রাজ বাড়ির আর একটি বিষ্ণুপুরের রাজ বাড়ির। পুরুলিয়ার পূজো প্রায় ১৩০০বছরের আর বিষ্ণুপুরের পূজো ১২০০ বছরের তবে  গবেষকদের এ নিয়ে কিছু দ্বিমত আছে।যাক তর্কের বিষয় এখন ছাড়ি।          যেখানে বাংলার পূজো হাজার বছর ছেড়ে গেছে,সেখানে এই মহালয়ার বয়স একশো বছর বয়স হয় নি। মহালয়া প্রথম প্রচার হয়,১৯৩২খৃঃ ষষ্ঠীর দিন সন্ধ্যায় নাম দেওয়া হয় বসন্তের সরি। পরে ১৯৩৩খৃঃ প্রভাতী নামে,দেবী পক্ষের প্রভাতে প্রচার হয়।পরে ১৯৩৬ খৃঃ মহিষাসুর  বধ নাম দেওয়া হয়।এবং ১৯৩৭ মহিষাসুর মর্দনী নামে প্রচার হয়।সেই থেকে...

Mahalaya

Image
শিরোনাম--আগমনী মায়ের আগমনে কলমে--নীতা কবি মুখার্জী 5/10/2021 শরৎ এলো রে দশ দিক আজ আলোয় আলোয় ভরে মেঘেদের ছুটি হয়ে গেছে তাই রোদ্দুর খেলা করে। মাঠ ঘাট সব সবুজে সবুজ শ্যামলিমা দিয়ে ভরা ঘাসের শিশির মুক্তোবিন্দু রূপো দিয়ে যেন গড়া। প্রবল উতাল প্রবাহের শেষে তটিনী হয়েছে শান্ত দুই কূল সাথে করে প্রেমালাপ, প্রেম ছিলো তা সে জানতো। কাশফুল আর শিউলীর ডালা বলে যেন উমা আসছে পাখির কূজন বলে যেন তারা প্রকৃতিরে ভালোবাসছে। দীঘি কালো জল করে টলটল কমল শালুক হাসে মরাল মরালী করে জলকেলী দুজনের পাশে পাশে। কচি শীষে ভরা ধানের আগা মাথা নাড়ে আর দোলে গায় যেন তারা আগমনী গান শারদা আসছে বলে। ছোটো ছেলেমেয়ে মন্দির পানে ছুটে যায় কলরবে মাটির প্রতিমা গড়া শেষ হলে পূজা শুরু হবে তবে। আকাশেতে যতো সাদা তূলোমেঘ দূর হতে দূরে ভাসে ভ্রমর যেন গো মধু আহরণে ফুল হতে ফুলে আসে। মাঝি মাল্লার ভাটিয়ালি গান মিশে যায় সাত সুরে নৌকায় বসে নতূন বধূটি দেখে শুধু ঘুরে ঘুরে। শরৎ তোমার অপরূপ রূপ,তাই যে গো তুমি রানী ভুবনমোহন শোভা দেখে তাই আমরা যে হার মানি। শারদ প্রভাতে পূজো পূজো রব আগমনী গানে ভরা উমা যে আসছে বাপের বাড়ীতে পড়েছে  যে তারই সাড়...

Mahalaya

Image
ভার্চুয়াল দূর্গা মা .......................... প্রিয়াঙ্কা মুখার্জী বন্ধু তোর হাসি দেখতে পায় হোয়াটসঅ্যাপে তে মিষ্টি সুর শুনতে পায় ফেসবুকে তে, তোর গায়ের গন্ধ পায় পারফিউমের অ্যাড এ তোর গায়ের স্পর্শ পায় শুধুই ভিডিও চ্যাট এ, ছোট্টবেলার পুজোর সময় নতুন জামার গন্ধ বিজয়ের পর নাড়ু মুরকী সবকিছু আজ বন্ধ, দুর্গা মাযে একাই এসে একাই চলে যাবে এই বছরেও তোমার পূজো  ভার্চুয়ালি হবে, এমন কত দুর্গা মাগো পথে-ঘাটে ঘোরে মানুষ ছাড়া মানুষ মাগো বাঁচবে কেমন করে, দশোভূজা তুমি মাগো  তুমিই মা কালী দাওনা মুক্তি এসব থেকে  আগের মতই চলি...