Mahalaya


একুশের আগমনী 
মীনা রায় বন্দ্যোপাধ্যায় 

মহালয়ার উন্মাদনা আগের থেকে কমলো অনেক, 
বারে বারেই ঝড় -ঝঞ্ঝা থমকে দিচ্ছে জগৎ ক্ষণেক!
আশ্বিনে দেবীপক্ষ শুরু হবে অমাবস্যা গেলেই ,
শুভ মহালয়া আগমনী দেবী মাতা ধরায় এলেই।

আকাশ বাতাস মধুর আনন্দিত  কাশের দোলা
কুমুদিনী শতদলে দেখি সরোবরে হাইটি তোলা !
শেফালিকার সুবাসেতে শিউলিতলে সন্ধ্যা মুখর ,
মাঠে মাঠে কচি ধানের শিষে হাওয়ার দোলন তুখর।

প্রাতে শিশির রবির কিরণ দূর্বা ঘাসে মুক্তো জ্বলে ,
কবি শিল্পী গানে কবিতায় শারদীয়ার গল্প বলে ।
উপহারটা দেওয়া- নেওয়া আবহাওয়াতে কমলো বটে,
সমাজ বিপর্যস্ত জনজীবনে এই জন্যেই বিপত্তি ঘটে।

নিত্য প্রয়োজনে আকাশছোঁয়া বাজার দড়ে মানুষ কুঁজো, 
আনন্দ খুব হবে তবু জানি বঙ্গবাসির দুর্গা পুজো!
কাটবে জানি আর পাঁচটা দিনের থেকে অন্যরকম, 
বন্ধু পেলে সামনে ফোনে করবো শুধু বকম্ বকম্। 

চারটি দিনে থাকবেন মা দশভুজা এই ধরাধামে 
আনন্দময়ীর আগমনে প্রকৃতিতে খুশির বন্যা নামে।
নতুন পোশাক পরে সুবাসিত ভোগ প্রসাদ খাওয়া ,
প্রতিবেশী আত্মীয় বন্ধু ছাদ প্যান্ডেলেই কাছে পাওয়া!

পরিবেশ পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে বাড়ি ঘর পথ ঘাট, 
নিম্নচাপের বৃষ্টি - ঝড়ে চিন্তিত সব ডুবলো মাঠ।

Comments

Popular posts from this blog

কানপুরের জগন্নাথ মন্দির

শ্রীরামপুর - এর ইতিহাস ( ভাগ - ১ )