Posts

Showing posts from January, 2022

গাঁদা ফুল ( ইনকা, পিটুনিয়া ইত্যাদি )

Image
স্বপ্না ব্যানার্জী -  গাঁদা ফুল কে বিভিন্ন নামে ডাকা হয় - গন্ধা/ গেন্ধা / গেনদা / ইনকা / পিটুনিয়া ইত্যাদি। গাঁদা ফুলের বিভিন্ন জাত ও রং থাকলেও উজ্জ্বল হলুদ ও গাঢ় কমলা রঙের বেশি দেখা যায়। গাঁদা ফুল শুধু বাগানের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না ,এর অনেক উপকারিতাও আছে। পূজোর কাজে লাগার সাথে সাথে ঔষধি গুণ ও আছে। বাংলাদেশে দুই ধরনের গাঁদা পাওয়া যায় - ১. আফ্রিকান গাঁদা - এই ধরনের গাঁদা হলুদ রঙের হয় আর গাছের আকৃতি বেশ বড় হয়। এদের নাম হল - ইনকা,গিনি গোল্ড ,ইয়েলা সুপ্রিম ,গোল্ডস্মিথ ,ম্যান ইন দি মুন ইত্যাদি। ২. ফরাসি গাঁদা - এই ধরনের গাঁদা কমলা হলুদ হয়। এদের রক্ত গাঁদাও বলা হয়।এই গাছ আকারে ছোট হয়। পাপড়ির গোড়ায় কালো ছোপ থাকে। এদের নাম হল - মেরিয়েটা , হারমনি , লিজন অব অনার , সাদা গাঁদা,জাম্বো গাঁদা , রক্ত বা চাইনিজ গাঁদা ইত্যাদি। এইবার গাঁদা ফুলের উপকারিতার আলোচনা করি - ১. গাঁদা ফুল থেকে বিভিন্ন ধরনের সুগন্ধি তৈরী হয়। ২. গাঁদা ফুলে থাকা অ্যান্টি - অক্সিডেন্ট  ও ফ্যাভনয়েড নামক উপাদান মানবদেহের ক্যান্সার কোষ এর বৃদ্ধি প্রতিহত করতে সক্ষম। ৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ...

স্বামী বিবেকানন্দ

Image
মহান সন্ন্যাসী ও দার্শনিক স্বামী বিবেকানন্দ ১৮৬৩ সালে ১২ জানুয়ারী ভারতের পবিত্র ভূমিতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন একজন দার্শনিক ও ভারতীয় সংস্কৃতির প্রচারক । স্বামী বিবেকানন্দ সমাজ কল্যাণ মূলক কাজের জন্য আমাদের দেশে তো জনপ্রিয় ছিলেন তবে ১৮৯৩ সালে তিনি আমেরিকার শিকাগো শহরে আয়োজিত একটি ধর্মীয় মহাসভায় উৎকৃষ্ট বক্তিতার পর থেকেই তিনি পাশ্চাত্যের বিভিন্ন দেশগুলিতে জনপ্রিয়তা লাভ করেন । বিবেকানন্দ কলমে - স্বপ্না ব্যানার্জী ' বিলে ' মা ডাকতেন আকুল হয়ে প্রতিষ্ঠিত উকিল বিশ্বনাথ দত্ত তাঁর ছেলে নরেন্দ্রনাথ দত্ত ছিল অতি মেধাবী ১৮৮৯ এ মাধ্যমিক , ক্রমে এগিয়ে চলে পড়াশনা বি.এ. তে প্রথম শ্রেণী ধর্ম নিয়ে মনে ছিল শঙ্কা ধর্ম শঙ্কা দূর করতে যান ব্রহ্মসমাজ মনের সন্তুষ্টি না পেয়ে সতেরো বছর বয়সে রামকৃষ্ণের শরণাপন্ন হন দক্ষিণেশ্বরে মায়ের কাছে পাঠান রামকৃষ্ণ পিতার মৃত্যুর কারণে চরম আর্থিক দুর্দশাতেও তিনি মায়ের কাছে বুদ্ধি , ভক্তি চাইলেন রামকৃষ্ণ জয় মা , জয় মা বলে তাঁর উদিত বিবেক দেখে তাঁর নতুন নামকরণ করেন -  " বিবেকানন্দ " বিবেকানন্দের বাণী -  " শিক্ষা হচ্ছে মানু...

স্বামী বিবেকানন্দ

Image
বিষয়   স্বামীজির উপর লেখা কবিতা  শিরোনাম    বিশ্বের বিষ্ময়! কলমে    প্রনতি তালুকদার  তারিখ    ২৯/১২/২০২১ বিবেকানন্দ কেবল একজন মানুষ!  না তিনি আমাদের আত্মার আত্মীয়,  সারা বিশ্বের বিষ্ময়। যখনই যতটুকু জানতে চাই সবসময় নতুন নতুন জ্ঞ্যান অর্জন করি।তাঁর বুকে বেজে উঠতো  মানুষের দারিদ্র্য, দুর্দশা,কান্না, সেই আওয়াজ।  জীবনের জয়রথে তিনিই একমাত্র সারথি। তোমার বাণী গীতার মতো সারাবিশ্বের  যত অর্জুন কারুর যেন  পথভ্রষ্ট না হয়।  যে মন্দির থেকে আলোর কিরণ বেরিয়ে আসে  তাঁর ছোঁয়ায় সেটা দ্রুত ছোটে। এইজন্য জগতে আত্মতুষ্টির বিকল্প পথ তিনিই খুঁজে পেয়েছেন।মনের গভীরে বিশ্ববীজে ব্যাক্ত করেছেন তাঁর মহিমা।ওই বিশাল আলো নিজের বুকে ধারণ করেছেন।এই বিশ্বনিখিলে তিনি ছিলেন অপুর্ব দর্শন। তাঁর প্রতিভার জ্যোতি সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি জ্ঞ্যানের আলো  দান করেছেন দিব্যদৃষ্টি। এই দেশ ভারতবর্ষকে সারাবিশ্বের কাছে মহান করে তুলে ধরেছেন। তাঁকে সর্বান্তকরণ দিয়ে প্রনাম জানাই। আর আমাদের সাধনাই হোক হৃদয় দিয়ে তাঁকে অনুভব করে কিছ...

স্বামী বিবেকানন্দ

Image
শিরোনাম-বিবেকানন্দ স্মরণে  কলমে-সৌরভ পাত্র  ভাঙ্গাহার,মশানঝাড়,খাতড়া,বাঁকুড়া,পশ্চিমবঙ্গ,ভারত,722121  দিনাঙ্ক-12/01/2022 জন্ম তোমার বাঙালী ঘরে, মনে রাখে তোমার আদর্শ বিশ্বজুড়ে। তুমিই ভারত মাতার আদর্শ  সন্তান, রেখেছিলে জগৎসভায় ভারতের মান। করেছো ভেঙ্গে চুরমার, জাতপাতের কুসংস্কার। ফুটেছে হাসি সবার মনে, 'জীবে প্রেম' মহামন্ত্র উচ্চারণে। তোমার আদর্শের শ্রেষ্ট দর্পণ, আদর্শভূমি রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন। শিকাগো ধর্মসভার ইতিহাসের কথা, জানে জগৎসভার আবালবৃদ্ধবনিতা। ধর্মশ্রেষ্ঠ সনাতন- করেছো তুমি মাহাত্ম্য বর্ণন, তুমিই সনাতন সৈনিক,তোমায় করি স্মরণ।

স্বামী বিবেকানন্দ

Image
শিরোনাম-- মনের মণিকোঠায় বিবেকানন্দ । কলমে-- মীনা রায় বন্দ্যোপাধ্যায়  [ লেখক পরিচিতি : শ্রীরামকৃষ্ণদেব, মা সারদা ও স্বামী বিবেকানন্দের জীবনী পাঠে আনন্দিতা মীনা রায় বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর পাড়া শ্রীরামপুর সারদাপল্লীতে চাতরা , সারদাপল্লী, শ্রীরামকৃষ্ণ সেবায়তন মন্দির নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।  ] বিবেকানন্দ! নামটি উচ্চারণ করে অনুভব করতে হয়। কি অমোঘ অর্থ! বিবেক +আনন্দ। অর্থাৎ আনন্দময় বিবেক। বিবেক আর আনন্দ এ দুটিই অদৃশ্য অনুভূতি। অদ্ভুত উপলব্ধির বিষয়। আপাত অদৃশ্য বটে ,তবে ব্যক্তির ব্যক্তিত্বে ছাপ ফেলে । এক অপরূপ সৌন্দর্য প্রকাশিত হয় ব্যক্তির অবয়বে।চলনে বলনে মানুষকে মহামানব করে তোলে এই উচ্চারণ। আর সঙ্গে সঙ্গে সেই জ্ঞানদীপ্ত আঁখি , উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব, পরম সুন্দর  সুমধুর কন্ঠস্বর ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণদেবের পরম প্রিয় পার্ষদ নরেনকেই মনে পড়ে। যাঁকে প্রথম দর্শনেই শ্রীরামকৃষ্ণ দেব বলেন --সপ্তর্ষি মন্ডলের অন্যতম ঋষি। দর্শনে প্রথম বিভাগে প্রথম  সিমলের নরেন জানতে গেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণের কাছে  ঈশ্বর কি আছেন?উত্তরে  আছেন জেনে পরবর্তী প্রশ্ন ...

স্বামী বিবেকানন্দ

Image
🌻🌻🌻ভারত পুত্র বিবেকানন্দ🌻🌻🌻                         মিতালী মুখার্জী অমৃতের বানী নিয়ে এসেছিলে তুমি তোমার কৃপায় ধন্য এ ভারত ভূমি ধন্য মা ভুবনেশ্বরী তুমি যে মহান এমন অমূল্য রত্ন করে গেলে দান।  রামকৃষ্ণ শ্রীমায়ের কৃপা তুমি পেলে বিশ্বমাঝে ভারতের পরিচয়  দিলে। আসমুদ্র হিমালয় জয় করে এসে   তোমার চরণ রেনু ভারতেই মেশে সাগর বন্দনা করে চরণ তোমার তোমার স্বদেশ মন্ত্র  ভারতের প্রাণ। শিকাগো ধরমসভা জয় করে এলে  মহার্ঘ বিদেশি ফুল নিবেদিতা পেলে।বেলুন মঠের হোতা হে গুরু স্বামীজী এখনো আঁধারে দেশ দাও কৃপারাজি 🙏💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐🙏 আমি শিক্ষিকা ,, সমাজ সেবিকা। লেখিকা বা কবি  বলার থেকে সাহিত্যপ্রেমি শুনতে ভালবাসি।

স্বামী বিবেকানন্দ

Image
শিরোনাম- স্বামীজীর স্মরণে লেখা কলমে- পূজা দাস তরফদার হে যুগপুরুষ হে বীর সন্ন্যাসী  বিবেকানন্দ তোমারে সশ্রদ্ধ প্রণাম। মানবজাতির জ্ঞানবিকাশে, জাতির উন্নতিতে তোমার জীবনদর্শন এর বাণী আজও অম্লান। ১২ ই জানুয়ারি ১৮৬৩ ধরাভূমিতে স্বামী বিবেকানন্দের  জন্ম। স্বামী বিবেকানন্দ ১৮৭১ সালে ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রতিষ্ঠিত মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউশন সর্বপ্রথম পড়াশোনার  জন্য ভর্তি হন। সেখানেই পড়াশোনা করেন এবং  পরে তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হন এবং সেই বছরই প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে নজির স্থাপন করেন। হিন্দু পুনর্জাগরণে তিনি ছিলেন অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব। স্বামী বিবেকানন্দ রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠা করেন। ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোয় বিশ্ব ধর্ম মহাসভা প্রদত্ত চিকাগো বক্তৃতায় মাধ্যমে তিনি পাশ্চাত্য সমাজে হিন্দুধর্ম প্রচার করেন। তার মহান বাণীগুলো আজও আমাদের মনের মাঝে স্মরণীয়। তিনি বলেছিলেন - " অজ্ঞ-মুচি, মেথর, চন্ডাল, আমার রক্ত আমার ভাই" সবাইকে সমান মর্যাদা দিলে তুমি, সবাইকে একসাথে একসূত্রে বাধঁতে শিখিয়েছো তুমি। স্বামীজি আরও বলেছি...

স্বামী বিবেকানন্দ

Image
স্বামীজি-র প্রতি ******************** দামাল শৈশবের তীব্রতা,  তুমি ছড়িয়ে দিলে আধ্যাত্মিকতায়। গেরুয়া বসনে এনে দিলে অন্য ভালোবাসার রঙ। নিষ্পাপ শিশুর গ্রহনযোগ্যতায়, বিশ্বকে করলে আপন, নিমেষে। প্রচলিত সন্ন্যাসের পথ ছেড়ে তুমিই প্রথম শোনালে বাস্তব জীবনের বাণী। পৃথিবীকে বানালে একটা দেশ-- ভাতৃত্বের বন্ধনে বেঁধে ফেললে সারা বিশ্বের মানুষকে। ক্ষণস্থায়ী জীবনের দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ছড়িয়ে দিলে সকলের মননে,চিন্তনে। হে যৌবনের দূত, প্রণমী তোমায় আজ শুভক্ষণে। সুভাশিস সরকার। আমি সুভাশিস সরকার। আদি ঠিকানা কোলকাতা হলেও আমার জন্ম হাওড়া জেলায়। বানিজ্য বিভাগের ছাত্র হলেও,কলেজ জীবন থেকেই সাহিত্যে অনুরাগ।লেখালিখির অভ্যাসটাও তখন থেকেই।  পড়াশুনার সাথে সাথে কবিতা চর্চা আর খেলাধূলা চলতে থাকে। জীবনের একটাই নেশা,,,,,তা হলো ভ্রমন। সেই ছাত্রজীবন থেকে শুরু হয়ে,আজও চলছে।

স্বামী বিবেকানন্দ

Image
বিবেকানন্দ  স্মরণে   সমরেন্দ্রনাথ ঘোষ বাংলা  মায়ের গুণী ছেলে বিশ্বজোড়া  নাম,  তোমার  জন্মদিনে জানাই  সশ্রদ্ধ  প্রণাম।  নেতাজির  প্রিয় স্বামিজী তুমি নিবেদিতার গুরু,  তোমার  জন্য  দেশের কাজ ৺ওরা করেছিলেন  শুরু।  অগণিত  মানুষের  মনে আজ তোমার  বিশেষ স্থান,   রামকৃষ্ণ  মিশন তোমার‌ই মিশন করে গেছো যা দান সারা বিশ্বে  সেবা কাজ করে মিশনের আজ নাম,  শিক্ষাজগতেও পরিচিতি  তার সেরা শিক্ষার ধাম।   দরিদ্রসেবা, চিকিৎসাতেও তোমার  দৃষ্টি  ছিল, বেদান্ত আজ সারা পৃথিবীকে শান্তির পথ দিল।  তোমার  কষ্ট  কতটা ছিল আমরা বুঝিনা  তা,  তুমি  প্রবক্তা নিরপেক্ষতার প্রেরণা  বিশ্ব মা। পরিচিতি  রামকৃষ্ণ  মিশনের  প্রাক্তন  ছাত্র, লেখক, অধ্যক্ষ, সম্পাদক, সাংবাদিক।

স্বামী বিবেকানন্দ

Image
স্বামীজি স্মরণে শ্রীরাজদীপ মোদের শতকোটি প্রণাম গ্রহন করো হে বীর বিবেকানন্দ। সমরবাহিনী ধ্যান গম্ভীর কর্মযোগী তুমি সাজিয়েছো ধরা ছন্দ।। স্থাপন করেছো মার্কিন মুলুকে সনাতনী হিন্দু ধর্মের সিংহাসন। তোমার ভাষণে ওরা ভারত চিনেছে ঈশ্বরে দিয়েছে ওই মন।। তুমি বলেছিলে হে মোর ভ্রাতৃ ভগিনী আমেরিকা দেশবাসী। মেথর মুচি ও কামার কুমোর চাষী আমি সকলেরে ভালোবাসি।। শ্রীগীতায় তোমরা মনখানি দিও ভগবান যেথা বসিয়া। সকলের কাছে দিও পরিচয় ভারতবাসী আমরা হাসিয়া।। তুমি বলেছিলে ধরমের চেয়ে করমই প্রধান বলো উন্নত করি শির। তাই বুঝি তুমি জগৎ সভায় সসম্মানে হয়েছো দেশের বীর।। কলিকাতার বুকে আবির্ভূত হলে তাই ধন্য ভারত ভূমি। শয়নে স্বপনে দিবা অবসানে স্বামীজি আজি শ্রীচরণে তব নমিঃ।। ১৯৮৭ সালের জানুয়ারি মাসে আমার জন্ম ২০০৩সালের মাধ্যমিক পাশ করি।সপ্তম পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ার সময় আমি খেলাধুলা নামে একটি কবিতা লিখে আমার পাশের গ্রামের দুর্গা পূজার অনুষ্ঠান উপলক্ষে সুবিনিয়র পত্রিকায় আমার কবিতা প্রকাশিত হয়। তবে কবিতা লেখায় ঝড়ের গতিতে শুরু হয় একাদশ শ্রেণী থেকে।এম বি বি এস পাশ করার পরে অনেক বেশি বেশি করে কবিত...

স্বামী বিবেকানন্দ

Image
~শৈশবে নরেন্দ্রনাথ ~ সুহানা পারভীন        শৈশবে সেই নরেন্দ্রনাথ        তুমিই হলে বিবেকানন্দ।        তুমি ছিলে সমাজ সেবী,         ছাত্রাবস্থায় ছিলে মেধাবী        শৈশবে সেই নরেন্দ্রনাথ        ছিলে তুমি খুবই দুরন্ত।       ভয় ছিল না ভূত পেত্নী        আর  ব্রম্ভদৈত্য।      দুষ্টু ছেলে বলে তুমি      বলতো সবাই  বিলে।             ধর্ম প্রচারের জন্য তুমি      শিকাগোতে গেলে।            রামকৃষ্ণ দেবের                    দেহত্যাগের পরে,      তাঁর বাণী প্রচার করলে      ছয় বছর ধরে।       দেশবাসীর দুঃখ-দূর্দশা       উপলব্ধি করে। স্কুলের নাম- বড়গাছিয়া অঞ্চল পান্নালাল  সিট...

স্বামী বিবেকানন্দ

Image
(তুমিই মোদের বিবেকানন্দ) জাতীর বিবেক জাগিয়ে তুমি       করেছো মনুষ্য রে ধন্য। তুমি যে সেই চেতনা জাগান       মোদের বিবেকানন্দ ।। বাংলার সেই ছোট্ট বিলে । আপন গুনে জগৎ ছুঁলে ।। মাতৃগর্ভে তোমার শিব রুপের                              প্রকাশ। জীবে প্রেম মন্ত্রে তুমি বলেছ            আকাশ বাতাস।। শিশু কালেই শীতেকাতর বৈরাগী   রে করে কম্বল দান। রেখেছো তুমি আপন দয়াবান       হৃদয়ে র প্রমান।। সুঠাম দেহী সন্যাসী তুমি              পেয়েছিলে আত্মচেতনা। রামকৃষ্ণ মা সারদা র প্রিয়শিষ্য      তুমি ছিলে স্বনামধন্যা ।।              ( শ্রাবনী ) । আমি শ্রাবনী গাঙ্গুলী । দূর্গাপুর এর বাসিন্দা। আমি একজন হোম মেকার। ব‌ই পড়তে ভালোবাসি। কবিতা পড়তে লিখতে ভালো লাগে। অবসর সময়ে সুযোগ পেলে সমাজ কল্যাণ মুলক কাজের সাথে যুক্ত থাকি ।

স্বামী বিবেকানন্দ

Image
শিরোনামে  স্বামীজীর মায়াবতী।  কলমে অশ্রুকণা দাস।  বীরগৈরিক সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ, অসীম সাহসী যোগীশ্রেষ্ঠ তুমি বিবেকানন্দ।  ত্যাগ ও সেবায় ব্রতী আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান , অবহেলিত শূদ্র ও নারী শিক্ষার করিলে প্রসারণ।  গভীর ধ্যান মগ্নতা হেলায় হারায়ে, আপনারে সপিঁলে মানবের কল্যাণে। সকল হৃদয় মাঝে ভগবান বিরাজমান, এ চিরসত্য তুমি করিলে উদঘাটন।  গুরু ভাইয়েরা মিলে ধূনী জ্বেলে করিলে শপথ, যাপন কঠোর কর্মযজ্ঞ গুরু নির্দেশিত পথ। সাত সমুদ্র তেরো নদী করিলে পার, শাশ্বত হিন্দুধর্ম সমুখে আনিলে সবাকার । কঠোর পরিশ্রম আর সাধনার বলে, স্বপ্ন সার্থক করি বেলুড় মঠ গড়িলে। স্বপ্নের ফসল অদ্বৈত আশ্রম মায়াবতী , সবুজের কোলে হিমালয়ের নির্জন বনভূমি।  দেওদার, ফার, পাইন পাহাড়ি গাছে , অতুলনীয় সৌন্দর্য ওক, রডোডেনড্রনের মাঝে। মাইপট্টাতে পূজিতা দেবী পাহাড়ি দেবস্থান, মায়াবতী হলো মাইপট্টা  স্বামীজীর পছন্দের স্থান।  হিমালয়ের সুউচ্চ শৃঙ্গ গভীর নির্জন অরণ্য , গুরুর কৃপায় অদ্বৈতবাদ অনুভূতি অনন্য।  সীমারেখার বাইরে অদ্বৈতবাদ শাশ্বত চিরন্তন, কলিযুগে অন্নগত ...

স্বামী বিবেকানন্দ

Image
শিরোনাম--বিবেকানন্দ স্মরণে কলমে--নীতা কবি মুখার্জী আমাদের সবার প্রিয় মনীষী বিবেকানন্দ তুমি তোমার গরবে গর্বিত হয় আমার ভারতভূমি। রামকৃষ্ণের মানস-পুত্র, মহান মনীষী নরেন ভারত-দেশের সনাতন ধর্ম সর্ব সমক্ষে তুলে ধরেন। তাঁহার বানী যে অমর বানী আমরা যে তা মানি তাঁহারই দীক্ষায় দীক্ষিত হই, তাঁরেই ঈশ্বর জানি। জীবে করো প্রেম, আর্ত-দুঃখী সবারেই সেবা করো ঈশ্বর-সৃষ্ট এই দুনিয়াটা প্রেম দিয়ে শুধু ভরো। ধর্ম-বিজয়ে যাত্রা করলেন দেশ হতে দেশান্তরে ভারত-মায়ের সনাতন ধর্ম রইলো সর্বোপরে। দামাল, চঞ্চল, দস্যি ছেলে, নাই তুলনা তাঁর ভয় কাকে বলে জানতেন না, দুঃসাহস যে অপার। ধন্য গো মাতা রত্নগর্ভা, রতন তোমার ছেলে একশো কোটি সন্তান মাঝে হয়তো একটা মেলে। ধর্মের নামে দিকে দিকে আজ, লড়াই-লুটত-রাজ অমানুষ, ভীরু ধর্মান্ধরা শোষন করছে সমাজ।  একবার ফিরে এসো এ ধরায় বীর-সন্ন্যাসী তুমি তোমার পাদস্পর্শে ধন্য আমরা, ধন্য মাতৃভূমি। ভারত-মায়ের বীর সন্ন্যাসী, মহান ঋষি যে তুমি তোমার চরণ-পরশে হয়েছে ধন্য ভারতভূমি ছোট্ট নরেন বড় দুরন্ত, বড় যে দস্যি ছেলে সকল ভয়কে জয় করে সে যে সব বাধা পায়ে ঠেলে। ধর্মকে নিয়ে কাটাছেঁ...