স্বামী বিবেকানন্দ
শিরোনামে স্বামীজীর মায়াবতী।
কলমে অশ্রুকণা দাস।
বীরগৈরিক সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ,
অসীম সাহসী যোগীশ্রেষ্ঠ তুমি বিবেকানন্দ।
ত্যাগ ও সেবায় ব্রতী আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান ,
অবহেলিত শূদ্র ও নারী শিক্ষার করিলে প্রসারণ।
গভীর ধ্যান মগ্নতা হেলায় হারায়ে,
আপনারে সপিঁলে মানবের কল্যাণে।
সকল হৃদয় মাঝে ভগবান বিরাজমান,
এ চিরসত্য তুমি করিলে উদঘাটন।
গুরু ভাইয়েরা মিলে ধূনী জ্বেলে করিলে শপথ,
যাপন কঠোর কর্মযজ্ঞ গুরু নির্দেশিত পথ।
সাত সমুদ্র তেরো নদী করিলে পার,
শাশ্বত হিন্দুধর্ম সমুখে আনিলে সবাকার ।
কঠোর পরিশ্রম আর সাধনার বলে,
স্বপ্ন সার্থক করি বেলুড় মঠ গড়িলে।
স্বপ্নের ফসল অদ্বৈত আশ্রম মায়াবতী ,
সবুজের কোলে হিমালয়ের নির্জন বনভূমি।
দেওদার, ফার, পাইন পাহাড়ি গাছে ,
অতুলনীয় সৌন্দর্য ওক, রডোডেনড্রনের মাঝে। মাইপট্টাতে পূজিতা দেবী পাহাড়ি দেবস্থান,
মায়াবতী হলো মাইপট্টা স্বামীজীর পছন্দের স্থান।
হিমালয়ের সুউচ্চ শৃঙ্গ গভীর নির্জন অরণ্য ,
গুরুর কৃপায় অদ্বৈতবাদ অনুভূতি অনন্য।
সীমারেখার বাইরে অদ্বৈতবাদ শাশ্বত চিরন্তন,
কলিযুগে অন্নগত প্রাণে বেদান্ত স্বাদের আস্বাদন।
বেদান্তের আদর্শ আত্তীকরণ হবে প্রকৃতির সাথে,
অদৃশ্য সীমারেখা ভুলিয়ে বিজ্ঞানের হাত ধরে।
ক্ষুদ্র আমিত্বের গণ্ডি ভেঙে বিরাটের পূজন,
স্বামীজি বলেছেন কর্মতে হৃদয় রাখো মগন।
বেলুড় মঠ ,মায়াবতী অদ্বৈত আশ্রম মহাপুণ্য ধাম,
হেথায় সাক্ষ্য বহে স্বামী বিবেকানন্দের দিব্য পদছাপ।
মায়াবতীর নিস্তব্ধতা নৈসর্গিক সৌন্দর্য চিত্তাকর্ষক,
শান্ত শুভ্র হিমালয়ের কোলে মায়াবতী সাধনার ক্ষেত্র।
আমি কবিতা ও ছোটগল্প লিখতে ভালবাসি কিছু সৃষ্টি করে ভীষণ তৃপ্তি পাই।কাটিং এমব্রয়ডারি ও উল বুনতে ভালোবাসি তবে এখন কবিতা আমার সঙ্গী।অনেক পত্রিকায় আমার লেখা প্রকাশিত হয়েছে সংবর্ধনা পেয়েছি অনেক প্রকাশক থেকে।
Comments
Post a Comment