স্বামী বিবেকানন্দ
শিরোনাম- স্বামীজীর স্মরণে লেখা
কলমে- পূজা দাস তরফদার
হে যুগপুরুষ হে বীর সন্ন্যাসী বিবেকানন্দ তোমারে সশ্রদ্ধ প্রণাম।
মানবজাতির জ্ঞানবিকাশে, জাতির উন্নতিতে তোমার জীবনদর্শন এর বাণী আজও অম্লান। ১২ ই জানুয়ারি ১৮৬৩ ধরাভূমিতে স্বামী বিবেকানন্দের জন্ম। স্বামী বিবেকানন্দ ১৮৭১ সালে ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রতিষ্ঠিত মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউশন সর্বপ্রথম পড়াশোনার জন্য ভর্তি হন। সেখানেই পড়াশোনা করেন এবং পরে তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হন এবং সেই বছরই প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে নজির স্থাপন করেন। হিন্দু পুনর্জাগরণে তিনি ছিলেন অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব। স্বামী বিবেকানন্দ রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠা করেন। ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোয় বিশ্ব ধর্ম মহাসভা প্রদত্ত চিকাগো বক্তৃতায় মাধ্যমে তিনি পাশ্চাত্য সমাজে হিন্দুধর্ম প্রচার করেন। তার মহান বাণীগুলো আজও আমাদের মনের মাঝে স্মরণীয়।
তিনি বলেছিলেন - " অজ্ঞ-মুচি, মেথর, চন্ডাল, আমার রক্ত আমার ভাই" সবাইকে সমান মর্যাদা দিলে তুমি, সবাইকে একসাথে একসূত্রে বাধঁতে শিখিয়েছো তুমি।
স্বামীজি আরও বলেছিলেন - "জীবে প্রেম করে যেইজন সেইজন সেবিছে ঈশ্বর " তোমার হৃদয়স্পর্শ বাণী আজও জীবনের চরম সত্য বলে যায়। স্বামীজীর এই বাণী আমাদের অন্তরমনে জ্ঞানচক্ষু উন্মেষ ঘটায়, যাতে আমার সকল জীবের প্রতি ভালোবাসার দৃষ্টি রাখতে পারি।
হে মহামানব তুমি ভাতৃপ্রীতির কথা বলে গেছো সকলের মনে প্রানে। ৪ই জুলাই ১৯০২ মহাবীর সন্ন্যাসীর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ভারতবর্ষের নবজাগরণে স্বামীজীর অমূল্য পথনির্দেশ তাহাকে শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা এনে দিয়েছে।
আমার নাম পূজা দাস তরফদার, আমি দমদম ক্যান্টনমেন্ট নিবাসী। আমি স্কুল লাইফ থেকে কবিতা লিখতে ও পড়তে খুব ভালোবাসি। আমি সবার প্রথম আমার দশোভূজা গ্রুপে আমার লেখা পোস্ট করি এবং সেখান থেকেই আমার লেখার প্রতি আরো আগ্রহ ও অনুপ্রেরণা পাই। আমার লেখা এইপ্রথম স্বরচিত কবিতা "মা" বর্ণাক্ষর সাহিত্য নিবেদনে "মন ফাগুনের দিন" প্রকাশিত হবে। এখনো বইটি হাতে পায়নি কিন্তু এটা আমার প্রথম প্রাপ্তি।এর আগেও আমার লেখা সুমঙ্গলম ব্লকজিনে প্রকাশিত হয়েছে।
Comments
Post a Comment