স্বামী বিবেকানন্দ
স্বামীজি স্মরণে
শ্রীরাজদীপ
মোদের শতকোটি প্রণাম গ্রহন করো হে বীর বিবেকানন্দ।
সমরবাহিনী ধ্যান গম্ভীর কর্মযোগী তুমি সাজিয়েছো ধরা ছন্দ।।
স্থাপন করেছো মার্কিন মুলুকে সনাতনী হিন্দু ধর্মের সিংহাসন।
তোমার ভাষণে ওরা ভারত চিনেছে ঈশ্বরে দিয়েছে ওই মন।।
তুমি বলেছিলে হে মোর ভ্রাতৃ ভগিনী আমেরিকা দেশবাসী।
মেথর মুচি ও কামার কুমোর চাষী আমি সকলেরে ভালোবাসি।।
শ্রীগীতায় তোমরা মনখানি দিও ভগবান যেথা বসিয়া।
সকলের কাছে দিও পরিচয় ভারতবাসী আমরা হাসিয়া।।
তুমি বলেছিলে ধরমের চেয়ে করমই প্রধান বলো উন্নত করি শির।
তাই বুঝি তুমি জগৎ সভায় সসম্মানে হয়েছো দেশের বীর।।
কলিকাতার বুকে আবির্ভূত হলে তাই ধন্য ভারত ভূমি।
শয়নে স্বপনে দিবা অবসানে স্বামীজি আজি শ্রীচরণে তব নমিঃ।।
১৯৮৭ সালের জানুয়ারি মাসে আমার জন্ম ২০০৩সালের মাধ্যমিক পাশ করি।সপ্তম পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ার সময় আমি খেলাধুলা নামে একটি কবিতা লিখে আমার পাশের গ্রামের দুর্গা পূজার অনুষ্ঠান উপলক্ষে সুবিনিয়র পত্রিকায় আমার কবিতা প্রকাশিত হয়। তবে কবিতা লেখায় ঝড়ের গতিতে শুরু হয় একাদশ শ্রেণী থেকে।এম বি বি এস পাশ করার পরে অনেক বেশি বেশি করে কবিতা লিখি।গুনে দেখিনি তবে ছয় হাজার কবিতা লেখা আমার পেরিয়ে গেছে।এ ছাড়া সতেরো খানি উপন্যাস আমি রচনা করেছি।সাতখানি ছাপানো হয়েছে। ছোট বড় মিলিয়ে পাঁচশোর বেশি গল্প লিখতে ও প্রকাশিত হয়েছে। হসপিটালে ডাক্তারি করতেই আমার সময় কাটে আর যে টুকু সময় পাই তাতে সময় কুলিয়ে উঠতে পারি নি। এখন তবু কম করে দৈনিক আট দশটা কবিতা লিখতে পারি। কুড়ি লাইনের কবিতা লিখতে আমার কুড়ি মিনিট লাগে।আজ ভোর পাঁচটায় উঠে সাতটার মধ্যে চারখানি কবিতা লিখতে পেরেছি।এর মধ্যে দুটো দিয়েছি আপনার জন্য।
আমার পরিচয় অনেক বাড়াবাড়ি মনে হলেও এটা সত্য। আমি বিজ্ঞানের ছাত্র ছিলাম। বাংলা বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করতে পারিনি। তবুও বাংলা অনার্স এর ছাত্র ছাত্রীদের বাংলা শিক্ষা দান করতে পারি ও করি।
বাকি কিছু জানতে চাইলে প্রশ্ন করতে পারেন। যথারীতি উত্তর দিতে চেষ্টা করব।
Comments
Post a Comment