১ লা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস


।। আজ পয়লা মে - 
"আন্তর্জাতিক শ্রমিক মে দিবস"।। 

প্রতিবছর এই দিনটিতে আন্তর্জাতিক শ্রমিক মে দিবস হিসেবে পালিত করা হয়। 
----------------------------------
প্রথমেই আমার শ্রমিক ভাই, দাদা, বন্ধু ... সকলকে জানাই আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা, শ্রদ্ধা এবং অনেক অনেক ভালোবাসা, 
এবং অত্যাচারিত আমার শহীদ ভাইদের জানাই শত শত প্রণাম।
--------------------------------------

।। মে দিবসের সংক্ষিপ্ত বিবরণ ।।

এই দিনটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে বহু শ্রমিক মেহানতি মানুষের আত্মত্যাগ ও রক্তে রাঙানো ইতিহাস। 
আজ থেকে ১০৭ বছর আগে এক বিশাল সংগ্রামের মধ্যে, দিয়ে শ্রমিকরা আজকের এই দিনটির জন্য লড়াই করেছিলেন। ভারত সহ প্রায় বিশ্বের ৮০টি দেশে এই দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়।
১৮৮৬ সালে আমেরিকার শিকাগোতে, হে মার্কেটে শ্রমিকরা জমায়েত হয়েছিল। 
কারারুদ্ধ বন্ধ করতে, ন্যায্য অধিকার আদায় করতে, দাঁড়িয়ে ছিল ইংরেজদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে। 
তাদের ন্যায্য পারিশ্রমিক দিত না। ভালো খেতে পেত না, অনেক শ্রমিক মারা গিয়েছিল। অসহায়িন অত্যাচারে, শ্রমিকদের মাঝে গুপ্ত বাহিনী গড়ে উঠেছিল। 
যুক্তরাষ্ট্রে হাজার হাজার শ্রমিকেরা জমায়েত হয়ে ধর্মঘটের ডাক দেয়। এবং নিজেদের মধ্যে আন্দোলন শুরু হয়। পুলিশ বাহিনীদের খবর দেয়া হয়। এলোপাথাড়ি গুলি চালানো হয়। তার জন্য কয়েকজন শ্রমিক মারা যায়। গ্রেফতার ও হয়। এবং কয়েকজনকে ফাঁসিও দেয়া হয়। তবে আন্দোলনের ফলে শ্রমিকরা ন্যায্য অধিকার ফিরে পায়। নিজেদের সুসম্পর্ক তৈরি হয়। বিচারের অবসান ঘটে এবং সমাজের বৈষম্যের ভেদাভেদ লোপ পায়। ১৯২৩ সালে তামিলনাড়ুতে চেন্নাইয়ে প্রথম পালিত হয় এবং প্রথম এটি আন্তরাষ্ট্রীয় হিসেবে পরিচিতি পায়। এই আন্দোলনের পর যুক্তরাষ্ট্রের ৮ ঘন্টা কর্ম দিবস স্বীকৃতি পায়। ১৮৯৪ সালে শ্রমিক দিবস কে ছুটির দিন হিসেবে ও ঘোষণা করা হয়। আর জার্মান, সুইডেন, ফ্রান্স, পোল্যান্ডো, ফিনল্যান্ড, সহ প্রভৃতি দেশে এই দিনটি "মে দিবস" হিসাবে পালিত হয়। 
-----------------------------------
🙏🙏🙏🙏
সংগৃহীত

Comments

Popular posts from this blog

কানপুরের জগন্নাথ মন্দির

শ্রীরামপুর - এর ইতিহাস ( ভাগ - ১ )