বিশ্বের বৃহত্তম এবং বৈজ্ঞানিক সময় গণনা পদ্ধতি



বিশ্বের বৃহত্তম এবং বৈজ্ঞানিক সময় গণনা পদ্ধতি (ঋষিদের দ্বারা করা গবেষণা)।
 1 দিন,
 7 দিন = 1 সপ্তাহ,
 4 সপ্তাহ = 1 মাস,
 2 মাস = 1 ঋতু,
 6টি ঋতু = 1 বছর,
 100 বছর = 1 শতাব্দী,
 10 শতাব্দী = 1 সহস্রাব্দ,
 432 সহস্রাব্দ = 1 যুগ,
 2 যুগ = 1 দ্বাপর যুগ,
 3 যুগ = 1 ত্রেতাযুগ,
 4 যুগ = সত্যযুগ,
সত্যযুগ + ত্রেতাযুগ + দ্বাপরযুগ + কলিযুগ = 1 মহাযুগ
72 মহাযুগ = মন্বন্তর,
1000 মহাযুগ = 1 কল্প
1 নিত্য প্রলয় = 1 মহাযুগ (পৃথিবীতে জীবন শেষ হয় এবং তারপর শুরু হয়)
1 নৈমিতিকা প্রলয় = 1 কল্প (দেবতাদের শেষ ও জন্ম)
মহালয়া = 730 কল্প (ব্রহ্মার শেষ ও জন্ম)

সমগ্র বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং বৈজ্ঞানিক সময় গণনা পদ্ধতি এখানে রয়েছে যা আমাদের দেশে ভারতে তৈরি। এটি  আমাদের গর্ব করা উচিত।

দুই পক্ষ:- শুক্লপক্ষ ও কৃষ্ণপক্ষ।
দুটি অয়ন:- উত্তরায়ণ, দক্ষিণায়ন।
দুটি সুখ:- অভ্যূদয় (জাগতিক), নিঃশ্রেয়স (মুক্তি সুখ)।
তিনটি জগৎ:- পৃথিবী, আকাশ, পাতাল।
তিনটি গুণ:- সত্ত্বগুণ, রজোগুণ, তমোগুণ।
তিনটি অবস্থা:- কঠিন, তরল, বায়ু।
তিনটি স্তর:- শুরু, মধ্য, শেষ।
তিনটি পর্যায়:- শৈশব, যৌবন, বার্ধক্য।
তিনটি অবস্থা:- জাগ্রত, মৃত, অচেতন।
তিনটি কাল:- অতীত, ভবিষ্যৎ, বর্তমান।
তিনটি নাভি:- ইড়া, পিঙ্গলা, সুষুম্না।
তিনটি শক্তি:- শারীরিক,  আত্মিক, সামাজিক ।
তিনটি ঋণ:- পিতৃ ঋণ, দেব ঋণ, ঋষি (আচার্য) ঋণ।
তিন দোষ:- বাত, পিত্ত, কফ।

চার বর্ণ:- ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র।
চার অবস্থা:- জাগ্রত, স্বপ্ন, সুষুপ্তি, তুরীয়।
চারটি নিয়ম:- সাম, দাম, দণ্ড, ভেদ।
চারটি বেদ:- ঋগ্বেদ, সামবেদ, যজুর্বেদ, অথর্ববেদ।
চার নারী:- মা, স্ত্রী, বোন, কন্যা।
চার যুগ:- সত্যযুগ, ত্রেতাযুগ, দ্বাপর যুগ, কলিযুগ।
চার কাল:- সকাল, সন্ধ্যা, দিন, রাত।
চারটি প্রাণী:- জলজ, ভূমিচর, উভচর, খেচর।
উৎপত্তিগত চারটি :- অণ্ডজ, জরায়ুজ, স্বেদজ, উদ্ভিজ।
চারটি আশ্রম:- ব্রহ্মচর্য, গৃহস্থ, বাণপ্রস্থ, সন্ন্যাস।
চারটি খাদ্যদ্রব্য:- চর্ব্য, পেয়, লেহ্য, চোষ্য।
চার পুরুষার্থ :- ধর্ম, অর্থ, কাম, মোক্ষ।
চারটি যন্ত্র:- তাঁত, সুশির, অবনাদ্ব, ঘন।
চারটি কোণ:- ঈশান,  অগ্নি, নৈঋত, বায়ু।

পাঁচটি স্থূল ভূত:- পৃথিবী, আকাশ, আগুন, জল, বায়ু।
পাঁচটি ইন্দ্রিয়:- চোখ, নাক, কান, জিহ্বা, ত্বক।
পাঁচটি তন্মাত্রা :- শব্দ, স্পর্শ, রূপ, রস, গন্ধ ।
পাঁচ আঙুল:- বৃদ্ধাঙ্গুলি , তর্জনী, মধ্যমা, অনামিকা, কনিষ্ঠ।
 
পাঁচটি বায়ু:- প্রাণ, আপন, ব্যায়ন, সমান, উদান।
পাঁচটি জ্ঞানেন্দ্রিয়:- চোখ, নাক, কান, জিহ্বা, ত্বক।
পাঁচটি কর্মেন্দ্রিয়:- পায়ু , উপস্থ, হস্ত, পা, বাক।

ছয়টি ঋতু:- গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত।
ছযটি বেদাঙ্গ:- শিক্ষা, কল্প, ব্যাকরণ, নিরুক্ত, ছন্দ, জ্যোতিষ।
ছটি উপাঙ্গ:- যোগ,  সাংখ্য, বৈশেষিক, ন্যায়, বেদান্ত, মীমাংসা ।
ছটি দিক:- পূর্ব, পশ্চিম,  উত্তর, দক্ষিণ, ঊর্ধ্ব, অধঃ।

সাতটি স্বর:- সা, রে, গা, মা, পা, ধা, নি।
সাতটি নোট:- ষড়জ, ঋষভ, গান্ধার, মধ্যম, পঞ্চম, ধৈবত, নিষাদ।
সাত দিন:- রবি, সোম, মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র, শনি।
সাতটি মাটি:- গৌশালা, ঘোড়াশালা, হাতীশাল, রাজদ্বার, বাম্বীর মাটি, নদীর সঙ্গম, পুকুর।
সাতটি মহাদেশ:-জম্বুদ্বীপ (এশিয়া), প্লাক্ষদ্বীপ, শালমলীদ্বীপ, কুশদ্বীপ, ক্রৌঞ্চদ্বীপ, শাকদ্বীপ, পুষ্করদ্বীপ।
সাত ধাতু (শারীরিক):- রস, রক্ত, মাংস, মেদ, অস্থি, মজ্জা, শুক্র।
সাতটি রঙ:- নারাং, বেগুনি, নীল, সবুজ, হলুদ, কমলা, লাল।

বেদ-জ্ঞান:-
Q.1- বেদ কাকে বলে?
উত্তর- ঐশ্বরিক জ্ঞানের গ্রন্থকে বেদ বলে।
Q.2- বেদ-জ্ঞান কে দিয়েছেন?
উত্তরঃ ইশ্বর  দিয়েছেন।
Q.3- ঈশ্বর কখন বেদ-জ্ঞান দিয়েছেন?
উত্তর- সৃষ্টির আদিতে ঈশ্বর বেদ-জ্ঞান দিয়েছেন।
Q.4- ঈশ্বর কেন বেদের জ্ঞান দিয়েছেন?
উত্তর- শুধুমাত্র মানুষের কল্যাণের জন্য।
Q.5- বেদ কয়টি?
উত্তর- চারটি।
 1-ঋগ্বেদ
 2-যজুর্বেদ
 3-সামবেদ
 4-অথর্ববেদ
Q.6- বেদের ব্রাহ্মণ:- 
 1 - ঋগ্বেদ - ঐতরেয়
 2 - যজুর্বেদ - শতপথ
 3 - সামবেদ - আরণ্যক 
 4 - অথর্ববেদ - গোপথ
Q.7- বেদের কয়টি উপবেদ আছে।
উত্তর - চারটি।
  1- ঋগ্বেদ- আয়ুর্বেদ
  2- যজুর্বেদ- ধনুর্বেদ
  3 -সামবেদ - গন্ধর্ববেদ
  4- অথর্ববেদ - অর্থবেদ
Q.8- বেদের অঙ্গ কয়টি?
উত্তর- ছয়টি।
 1 - শিক্ষা
 2 - কল্প
 3- ব্যাকরণ
 4- নিরুক্ত 
 5 - ছন্দ 
 6 - জ্যোতিষ
Q.9- ঈশ্বর কোন ঋষিদের বেদের জ্ঞান দান করেছিলেন?
উত্তরঃ চারজন ঋষি।          
 1- ঋগ্বেদ- অগ্নি
 2 - যজুর্বেদ - বায়ু
 3 - সামবেদ - আদিত্য
 4 - অথর্ববেদ - অঙ্গিরা
Q.10- ঈশ্বর কিভাবে ঋষিদের বেদের জ্ঞান দিয়েছেন?
উত্তরঃ সমাধি অবস্থায়।
Q.11- বেদে জ্ঞান কেমন?
উত্তর- সকল সত্য শাখার জ্ঞান-বিজ্ঞান।
Q.12- বেদের বিষয় কি কি?
উত্তর- চারটি।
         ঋষি থিম
 1- ঋগ্বেদ - জ্ঞান
 2- যজুর্বেদ - কর্ম
 3- সামবেদ- উপাসনা
 4- অথর্ববেদ - বিজ্ঞান
ঋগ্বেদে।
 1- মণ্ডল  - 10
 2 - অষ্টক - 08
 3 - সূক্ত -1028
 4 - অনুবাক - 85
 5 - ঋচা - 10589
যজুর্বেদে।
 1- অধ্যায়- 40
 2- মন্ত্র - 1975
সামবেদে।
 1- আর্চিক - 06
 2 - অধ্যায় - 06
 3- ঋচা - 1875
অথর্ববেদে।
 1- কাণ্ড  - 20
 2- সূক্ত - 731
 3 - মন্ত্র - 5977
Q.13- বেদ পাঠ করার অধিকার কার আছে?  উত্তর- বেদ পাঠ করার অধিকার একমাত্র মানুষের।
Q.14- বেদে অবতারের প্রমাণ আছে কি?
উত্তর নাই।
Q.15- সবচেয়ে বড় বেদ কোনটি?
উত্তর – ঋগ্বেদ।
Q.16- বেদের উৎপত্তি কবে?
উত্তর- সৃষ্টির সূচনা থেকেই ঈশ্বরের দ্বারা বেদের উদ্ভব। অর্থাৎ ১ বিলিয়ন ৯৬ কোটি ৮ লাখ ৫৩ হাজার ১২৩ বছর আগে।
Q.17- বেদ-জ্ঞানের সহায়ক দর্শন (উপাং) কয়টি এবং তাদের রচয়িতাদের নাম কী?
উত্তর-
 1- ন্যায় দর্শন- গৌতম মুনি।
 2- বৈশেষিক দর্শন- কণাদ মুনি।
 3- যোগদর্শন - পতঞ্জলি মুনি।
 4- মীমাংসা দর্শন- জৈমিনী মুনি।
 5- সাংখ্য দর্শন - কপিল মুনি।
 6- বেদান্ত দর্শন - ব্যাস মুনি।

Q.18- শাস্ত্রের বিষয় কী?
উত্তর- আত্মা, পরমাত্মা, প্রকৃতি, জগতের উৎপত্তি, মুক্তি মানে সকল প্রকার শারীরিক ও আধ্যাত্মিক জ্ঞান-বিজ্ঞান ইত্যাদি।
Q.19- কতটি প্রামাণিক উপনিষদ আছে?
উত্তর- মাত্র এগারো।
Q.20- উপনিষদের নাম বল?
উত্তর-
 01-ইশ (ঈশবাস)
 02-কেন
 03-কঠ
 04-প্রশ্ন
 05-মুন্ডক
 06-মান্ডুক্য
 07-ঐতরেয়া
 08- তৈতিরীয়
 09-চান্দোগ্য
 10-বৃহদারণ্যক
 11-শ্বেতাশ্বতর।
Q.21- উপনিষদের বিষয়গুলি কোথা থেকে নেওয়া হয়েছে?
উত্তরঃ বেদ থেকে।
Q.22-  কর্মানুসার চারটি বর্ণ ।
উত্তর-
 1- ব্রাহ্মণ
 2- ক্ষত্রিয়
 3- বৈশ্য
 4- শূদ্র
Q.23- চার যুগ।
 1- সত্যযুগ- 17,28000 বছর।
 2-ত্রেতাযুগ - 12,96000 বছর।
 3- দ্বাপর যুগ - 8,64000 বছরের।
 4- কলিযুগ- 4,32000 বছরের। এ পর্যন্ত কলিযুগের 5122 বছর উপভোগ করা হয়েছে। আরো 4,27024 বছর ভোগ করতে হবে।
পঞ্চ মহাযজ্ঞ:- 
    1- ব্রহ্ম যজ্ঞ
    2- দেব যজ্ঞ 
    3- পিতৃ যজ্ঞ
    4- বলিবৈশ্বদেব যজ্ঞ
    5- অতিথি যজ্ঞ 
স্বর্গ- যেখানে সুখ আছে।নরক - যেখানে দুঃখ আছে।

বেদ মন্ত্রের দ্রষ্টা কয়েকজন মহিলা ঋষিকা:- লোপামুদ্রা, গার্গী, ঘোষা
বনে বসবাস কারী মানুষ হনুমানের মাতার নাম কি ছিল? - অঞ্জনা।
রাম সেতু বানানোর ক্ষেত্রে দুইজন মূল কারিগর ছিলেন তাদের নাম কি? - নল ও নীল।
মূল বাল্মিকী রামায়ণের কতগুলি কান্ড? - ছটি।
মূল বাল্মিকী রামায়ণে মাতা সীতার অগ্নির মধ্যে প্রবেশ সত্যিই কি আছে ?
- নেই।
মহাভারত রচনা কে করেছিলেন ?
- মহর্ষি বেদব্যাস।
পঞ্চপান্ডবের নাম কি কি? - যুধিষ্ঠির, ভীম, অর্জুন, নকুল, সহদেব ।
ভগবান কৃষ্ণের মাতার নাম  কি? - দেবকি।
ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পিতার নাম কি? - বসুদেব। 

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বৃন্দাবন কত বছর বয়সে  ত্যাগ করেছিলেন ?
- আনুমানিক 10 থেকে 12 বছরের মধ্যে।
সনাতন ধর্মে মানসিক শান্তি ও আনন্দলাভ এবং বুদ্ধির বিকাশের জন্য কোন মন্ত্রটি জপ করা প্রয়োজন যার  উপকারিতা বিজ্ঞানের গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে ?  - গায়ত্রী মন্ত্র।
বিশেষ করে ছাত্র-ছাত্রীদের বুদ্ধির বিকাশের জন্য কোন মন্ত্রটি জপ করা উচিত? - গায়ত্রী।
ব্রহ্ম জ্ঞান অর্জন করলে তাকে কি বলা হয়? 
-  ব্রাহ্মণ।
শূদ্র বা বাল্মিকী সমাজে জন্মগ্রহণ করেও ঋষি হয়েছিলেন ওনার নাম কি ? - মহর্ষি বাল্মিকী, রবিদাস, নামদেব ।
কপালে তিলক লাগানোর   বৈজ্ঞানিক কারণ ? 
- "শক্তি"ক্ষয় রোধ করে। তিলক' আজ্ঞা চক্র কে সক্রিয় হয়ে ওঠে আধ্যাত্মিক উন্নতি হয় ।

ঋষি বিজ্ঞানী:- 
জ্যোতির্বিদ্যার জনক: আর্যভট্ট। 
কাজ - আর্যভট্টিয়াম।
জ্যোতিষের জনক: বরাহমিহির, 
কাজ -পঞ্চসিদ্ধান্তিকা, ব্রুহাত হোরা শাস্ত্র।
অর্থনীতির জনক: চাণক্য।
রচনা: অর্থশাস্ত্র।
পরমাণু তত্ত্বের জনক: ঋষি কনাদ।
কাজ: কনাদ সূত্র।
২ঌমেডিসিনের জনক? - ধন্বান্তরি, প্রথম আয়ুর্বেদ প্রচার করেছিলেন।
ভগবান কৃষ্ণ ১৬১০০ বিবাহ করেছিলেন?
জবাবঃ এটা একটা কাল্পনিক কাহিনী যেটা বিদেশি আক্রমণ কালে শাস্ত্রের মধ্যে মেশানো হয়েছে।
ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জীবনে একমাত্র স্ত্রী ছিলেন - রুক্মিণী দেবী এবং ১২ বছর হিমালয় বদ্রীক আশ্রমে ব্রহ্মচর্য পালন করেছিলেন তারপর ওনাদের একমাত্র পুত্র প্রদ্যুম্ন। 

ইশ্বর, ভগবান, দেবতা
ঈশ্বরের মুখ্য নাম ও ঈশ্বরের জন্ম মৃত্যু হয় না। তাই ঈশ্বরের একটি নাম হল অজ। তাছাড়া ঈশ্বরের আরো গৌণিক নাম ওপরে বর্ণনা করা আছে।
ভগবান :- 
যার রূপ আছে তাকে রুপবান বলা হয়। তেমনি যার মধ্যে সমস্ত ঐশ্বর্য্য, সমস্ত বীর্য্য, সমস্ত যশ, সমস্ত শ্রী, সমস্ত জ্ঞান এবং সমস্ত বৈরাগ্য এই ছয়টি গুণ পূর্ণমাত্রায় বর্তমান, তিনি হচ্ছেন ভগবান।

৩৩কোটী দেবতা- 
১১ রুদ্র + ১২  আদিত্য + ৮  বসু + ইন্দ্র  ও প্রজাপতি।
৮ বসু:-  পৃথিবী,অগ্নি, আকাশ, বায়ু, জল, সূর্য, চন্দ্র, নক্ষত্র, এই বসুর জন্য আমরা সুখ-দুঃখ, বাস - নিবাস, ব্যথা - বেদনা, রাতদিন আলো-অন্ধকার, কাল-মহাকাল, সময়, সত্যাসত্য অর্থের প্রকাশ বুঝতে পারি, + ১১রুদ্র প্রাণ, অপান, ব্যান, উদান, সমান, নাগ, কূর্ম, কৃকল, দেবদত্ত, ধনঞ্জয়, জীবাত্মা শরীরের মধ্যেই আছে। মৃত্যুর পর শরীর থেকে এগুলি যখন বেরিয়ে যায় তখন রোদন করায় তাই হলো রুদ্র। আদিত্য হলো বারোটি মাস।

বৈদিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্বর্গ নরক কি কোন স্থান?
- না, বেদ ধর্ম অনুসারে এই পৃথিবীতেই স্বর্গ। 'স্ব' এর অর্থ হলো যে অবস্থায় মানুষ সুখ ভোগ করে স্বর্গ বলে।
অস্ট্রেলিয়ার কোন দেশের মেডিকেল কলেজে স্থাপন করা হয়েছে মহর্ষি  সুশ্রুতের মূর্তি ?
বেদ হলো মানব সভ্যতার প্রাচীনতম ক্লাসিক। ভারতের আত্মা বেদের মধ্যে প্রোথিত - এই উক্তিটি কার ছিল? 
- এপিজে আবদুল কালাম।
৩২ কত মুখী- রুদ্রাক্ষ পুরুষ,মহিলা এবং শিশু- সকলের জন্য নিরাপদ এবং যেকোনো নেগেটিভ শক্তি কিংবা কালা জাদু থেকে আপনাকে রক্ষা করে ? - পঞ্চমুখী।
৩২) আমরা ধানদূর্বা দিয়ে আশীর্বাদ কেন করি ?
- প্রাচীন সনাতনী সমাজে ধান ছিল ধনের প্রতীক। অন্যদিকে দূর্বা হচ্ছে দীর্ঘায়ুর প্রতীক।
৩৩) সূর্যকে তামার পাত্রের মাধ্যমে জল উৎসর্গের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে খুব সকালে সূর্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর উপকারিতা? - সূর্যের সাথে জলের বিকিরণ এর ফলে সেই আলো আমাদের শরীরকে সুস্থ করে তোলে।
৩৪) প্রাচীনকালে নদীতে তামার পয়সা নিক্ষেপ করার বিজ্ঞান ভিত্তিক কারণটি কি?
৩৫) বাড়ির নেগেটিভ এনার্জি দূর হয় ও পজিটিভ এনার্জির সঞ্চার হয়। ফুসফুস মজবুত হয়। এর ফলে ফুসফুস সংক্রান্ত রোগ কম হয়। 
শ্বাস-প্রশ্বাস সংক্রান্ত রোগ দূর করার কোন রীতি আমাদের জীবনে প্রয়োজন? - শঙ্খ।
তামা জলের দূষিত পদার্থ কে শুদ্ধ করতে কাজে লাগে। তাই এই সময়ে জল পরিশুদ্ধ করার মেশিনে তামা ব্যবহার করা হচ্ছে ।
যজ্ঞ কি এবং কেন করবেন?
৩৭ জীবনে আনন্দের রসায়ন তৈরি করা যায় পিটুইটারি গ্রন্থির ক্ষরণের মাধ্যমে। একে কিভাবে জাগিয়ে তোলা যায় ? 
- ধ্যানের মাধ্যমে
৩৮) ভগবান শিব সত্যিই কি গাঁজা খেতেন ? - না
৩৯) আমাদের প্রাচীন শাস্ত্র বিকৃত কখন হয়েছিল ? - বিদেশি শাসনকালে।
৪০) পৃথিবীতে বেদ ও উপনিষদ এর মতো এত প্রণোদনাপূর্ণ, এত অতিমানবীয় গ্রন্থ আর নেই। বলেছেন - ম্যাক্স মুলার, প্রখ্যাত জার্মান দার্শনিক।
৪১) বাল্মিকী রামায়ণের কয়টি কান্ড ও কি কি?
- বাল্মিকী রামায়ণে ছিল মোট 6 টি কান্ড। যথা- বাল কান্ড, অযোধ্যা কান্ড, অরণ্য কান্ড, কিস্কিন্ধা কান্ড, সুন্দরকান্ড, যুদ্ধ কান্ড। 
বাল্মিকী রামায়ণে মাতা সীতার বনবাসের  ও অগ্নিতে প্রবেশের কোন উল্লেখ নাই। সেখানে রাম সীতার মিলন দিয়েই রামায়ন শেষ হচ্ছে যুদ্ধ কান্ডে। পরবর্তীকালে তুলসীদাস কিংবা বিভিন্ন আঞ্চলিক লেখকের রচনায় সীতার অগ্নি প্রবেশ ও বনবাসের প্রসঙ্গ আছে উত্তরাকাণ্ডে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় গবেষণা কেন্দ্রে স্থাপন করা হয়েছে ভগবান শিবের নটরাজ মূর্তি কোন দেশে?
- সুইজারল্যান্ডের সান শহরে।
অষ্ট যোগ ?
যম, নিয়ম, আসন, প্রাণায়াম, প্রত্যাহার, ধ্যান, ধারণা, সমাধি।

Comments

Popular posts from this blog

কানপুরের জগন্নাথ মন্দির

শ্রীরামপুর - এর ইতিহাস ( ভাগ - ১ )