Posts
Showing posts from April, 2023
জালিয়ানওয়ালাবাগ গণহত্যা
- Get link
- X
- Other Apps
শিরোনাম : জালিয়ানওয়ালাবাগ গণহত্যা কলমে : নীল মিত্র ১৯১৯ সালের ১৩ই এপ্রিল গণহত্যার ইতিহাস কুখ্যাত, রচেছিল ইংরেজ অধিনায়ক ডায়ার, ব্রিটিশ ব্রিগেডিয়ার বিখ্যাত । পাঞ্জাবের অমৃতসর ছিল সেই সময় অবিভক্ত, জেনে ছিল সারা বিশ্ব ব্রিটিশ-রা কতোটা নৃশংস। নিজের আধিপত্যকে জাহির করতে করেছিল গুলির বর্ষণ, অহিংসা আন্দোলনকারী-দের ওপর হয়ে ছিল নির্যাতন । চক্রব্যূহ-তে বন্দি করে দুই সহস্র মানুষকে করেছিল হতাহত যেমন, জালিয়ানওয়ালাবাগের কুয়োতে ফেলে বহুজনকে মারা হয়েছিল তেমন। মানুষের রক্তে ভেসে গিয়েছিলো পাঞ্জাবের অমৃতসর, এই জঘণ্য কাজের নিন্দে ছড়িয়ে ছিল সারা বিশ্বভর। যদিও তার দেশে প্রসংশিত হয়েছিল ব্রিগেডিয়ার ডায়ার, কিন্তু এখান থেকেই সূত্রপাত হয়েছিল ব্রিটিশ শাসনের পতনের অভিসার। এই হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে ছড়িয়ে ছিল ঘৃণা আর ক্ষোভ, "নাইটহুড" উপাধি করেছিলেন ত্যাগ রবীন্দ্রনাথ স্বয়ং। হাকিম আজমল খান "কাইসর-ই-হিন্দ" ফেরত দেন, এবং কংগ্রেস নেতা এন্ডুজ একে "কসাইখানার গণহত্যা" নাম দেন। আমরা আপামোর ভারতবাসী ভুলি নাই সেই কালো দিন, শহীদ হয়ে ছিলেন যারা সেদিন মনে রাখব তাঁদ...
মুখার্জী মাসিমা ( গল্প )
- Get link
- X
- Other Apps
মুখার্জী মাসিমা ( গল্প ) কানপুর থেকে কাজ সেরে মাঝরাতে নিউ দিল্লী শিয়ালদহ রাজধানী এক্সপ্রেস ধরে কলকাতায় ফিরছি ! এ সি টু টায়ার স্লীপার কোচে টিকিট বুকিং করাই ছিল ! ট্রেন প্রায় এক ঘন্টা পঞ্চাশ মিনিট লেট ! উঠে দেখি কম্পার্টমেন্ট ফাঁকা ! একে অফ সিজন তার ওপর শীতের মাঝরাত বলে কথা ! ওঠার পর চেকার আমাকে একটা আপার বার্থ এ সিট দেখিয়ে দিয়ে চলে গেলো ! লোয়ার বার্থের নিচে সুটকেস টা রেখে ওপরে উঠে নজর গিয়ে পড়লো পাশের সিটে ! একে শীতকাল তার ওপর এ সি কম্পার্টমেন্ট, বেশ ঠান্ডা লাগছে ! পাশের ওপরের বার্থে এক ভদ্রলোক সাদা চাদরের ওপর কম্বল গায়ে গভীর নিদ্রায় মগ্ন আর লোয়ার বার্থে এক ভদ্র মহিলা পাশ ফিরে ঘুমিয়ে আছেন ! দেখে স্বামী স্ত্রী বলেই মনে হলো ! সারা দিন কাজের চাপে ক্লান্ত শরীরে কখন ঘুমিয়ে পড়েছি মনে নেই ! ঘুম ভাঙলো সকালের চা আসার পর ! আমার নিচের বার্থের লোক মাঝপথে নেমে যাওয়ায় নিচের সিট টা খালি ছিল ! বাথরুম থেকে মুখ ধুয়ে গরম চায়ের কাপ নিয়ে বসলাম জালনার ধারে ! উল্ট...
The first woman mathematician
- Get link
- X
- Other Apps
Hypatia -------- _The 1st woman mathematician_ মেয়ে হয়ে জন্মানোর জন্য ধর্মান্ধ মানুষেরা এই অসাধারণ বিজ্ঞানী এবং গণিতবিদকে কেটে টুকরো টুকরো করে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে দেড় হাজার বছর আগে। বিজ্ঞানী হাইপেশিয়ার জন্ম ৩৭০ সালে। দার্শনিক "থিয়ন" এর মেয়ে। হাইপেশিয়া আলেকজান্দ্রিয়া লাইব্রেরিতে নিয়মিত বক্তৃতা করতেন। দূর-দূরান্ত থেকে জ্ঞানী মানুষেরা আসতেন তার বক্তৃতা শুনতে, রীতিমতো টিকিট কিনে। যে সময়ে মেয়েদের মানুষ বলে গণ্য করাও হতো না সেই সময়ে হাইপেশিয়া শুধু যে একজন তুখোড় গণিতবিদ, সফল পদার্থ বিজ্ঞানী, প্রতিভাময় জ্যোর্তিবিদ আর নিউপ্লেটোনিক দর্শন ধারার প্রধান ছিলেন তা নয়, তিনি ছিলেন আলেকজান্দ্রিয়া লাইব্রেরির শেষ গবেষক। হাইপেশিয়ার সময়ে খ্রিষ্টবাদ প্রচার হতে শুরুকরে। হাইপেশিয়া এই ধর্মগ্রন্থ পড়ে দ্বিমত পোষণ করেন। হাইপেশিয়া মনে করতেন ধর্ম হতে হবে যুক্তিনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক এবং তার বক্তৃতায় সেটা উল্লেখ করেন। একজন মেয়ে হয়ে এরকম সাহসী কথার জন্য মানুষগুলো খুব বিরক্ত হয়, শেষমেশ তাকে হত্যার ষড়যন্ত্র হয়। ৪১৭ খ্রিস্টাব্দে ঘোড়ার গাড়িতে করে বাড়ি থেকে বের হয়েছেন মাত্র কাজে যাবা...
পেনওয়ালা
- Get link
- X
- Other Apps
এক কোটিপতি ব্যবসায়ী ভদ্রলোক দামী গাড়ি চেপে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছেন। হঠাৎ দেখেন ফুটপাতের এক কোণে ইটের ওপর মাথা রেখে একটা লোক অঘোরে ঘুমোচ্ছে। তিনি অবাক, এই চৈত্রের চড়া গরম, গাড়ির আওয়াজ, ধুলো বালির মধ্যে লোকটার ঘুম আসে কিভাবে? তিনি গাড়ি দাঁড় করিয়ে লোকটির কাছে গিয়ে ডাকলেন —এই যে শুনছেন? লোকটি ধড়মর করে উঠে বলে বললো, — অ্যা, কি হলো? —কিছু হয়নি। জিজ্ঞেস করছি আপনি এখানে ঘুমোচ্ছেন কেন? ঘর বাড়ি নেই আপনার? — অ্যা! ঘুম পেয়েছিলো স্যার। বাড়ি আছে, গ্রামে।ভোরে উঠে পেন বিক্রি করতে শহরে আসি। বিকেলে আবার চলে যাই। ব্যবসায়ী ভদ্রলোক কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞেস করলেন — তা আজ কতো টাকার বিক্রি হলো? — দেড়শো টাকার। — এতে সংসার চলে? — হ্যাঁ, চালালেই চলে। সন্ধ্যেতে পাড়ার কানাইদার গ্যারাজে সাইকেল সারাই করি তো। কিছু টাকা হাতে আসে। তবে কি জানেন, আমার মেয়েটার শরীরটা ভালো যাচ্ছে না। কদিন থেকে জ্বরে ভুগছে। ব্যবসায়ী ভদ্রলোক পাঁচশো টাকা বের করে বললেন —এই নাও। মেয়ের জন্য ফল কিনে নিয়ে যেও। লোকটি অবাক হয়ে তাকিয়ে বললো — আমার কাছে টাকা আছে স্যার। এমনি এমনি নেবো কেন? আপনি আমার থেকে বিশ টাকার পেন কিনুন। দেখুন কা...
Sr Citizen প্রেম পত্র
- Get link
- X
- Other Apps
" Sr Citizen প্রেম পত্র " গিন্নি , আমি ভাল আছি। সারাদিন তোমার মুখঝামটা না খেয়ে বেশ স্বাধীনভাবে দিন কাটাচ্ছি। তুমি বাবলির মেয়ে মাস-দুয়েকের হলেই ফিরে আসবে, এই কথা ছিল। আজ ঠিক চার মাস আঠারো দিন। কথার খেলাপ করা তোমার চিরকালের স্বভাব। তুমি না থাকাতে আমার কোন অসুবিধা হচ্ছে না। শুধু বলে রাখি দিল্লিতে কিন্তু সাংঘাতিক ঠান্ডা পড়ে। সেই সময় যদি কলকাতা ফিরে না এসে ওখানেই থেকে যাও এবং ঠান্ডা লাগাও পরে তার ঝক্কি এই বয়সে আমি পোহাতে পারব না। তোমার তুলসীগাছে রোজ জল দিতে আর সন্ধ্যায় তুলসীতলায় প্রদীপ জ্বালাতেও আমি আর পারছি না......আমার ভাল লাগছে না, এই বলে দিলাম। তাই বলে ভেবো না যে, আমি তোমার দুঃখে কাতর হয়ে পড়েছি। মোটেও তা নয়। শুধু তুলসীগাছ শুকিয়ে গেলে আমাকে যাতে দোষ দিতে না পার, তাই আগে থেকেই জানিয়ে রাখলাম। আরও জেনে রাখো যে, আমি কিন্তু মনে করে লাইট-ফ্যানের সুইচ বন্ধ করে বাইরে যাচ্ছি না......সারাদিন ওগুলো চলুক, যা ইচ্ছে হোক। তুমি না থাকাতে এসব নিয়ে কেউ আমাকে খিচ্ খিচ্ করছে না, তাই বেশ শান্তিতেই আছি। শুধু ভোরবেলা রান্নাঘরেের পাশে যে কাকগুলোকে...
সুশিক্ষা
- Get link
- X
- Other Apps
বনের ভেতর, এক হরিনীর সময় হলো সন্তান জন্ম দেয়ার। তাই সে বনের ধারে যেয়ে নদীর পাশে ঘাসজমিতে সুন্দর একটি জায়গা খুজে বের করে নিলো সন্তান জন্ম দেয়ার জন্য। সময় কিছু পার হলো, তার প্রসব বেদনাও উঠলো। কিন্তু বিধি বাম। এসময় হরিনীটির চারপাশে শুরু হলো বিপদ। হরিনীটি যখন উপরে তাকালো, দেখলো ঘন মেঘে আকাশ ছেয়ে যাচ্ছে। সে যখন জংগলের দিকে তাকালো, দেখলো ঘন জংগলে হঠাৎ দাবানল শুরু হয়েছে। এর মাঝে সে টের পেলো তার সামনে এক ক্ষুধার্ত সিংহ তার দিকে এগিয়ে আসছে। আর পেছনে ফিরে দেখলো এক শিকারী তার দিকে তীর নিশানা করে আছে। এখন সে কি করবে? দিশেহারা সময়টিতে দাবানল, নদীর স্রোত, ক্ষুধার্থ সিংহ আর নির্দয় শিকারী দিয়ে চারদিক দিয়ে ঘিরে থাকা হরিনীটি তাই চুপচাপ কিছুক্ষন চোখ বন্ধ করে ভাবলো। তারপর সে তার সব বিপদ আপদ অগ্রাহ্য করে সিদ্ধান্ত নিলো সে তার সন্তান জন্ম দিবে। বিপদ আপদ যদি ঘটে ঘটুক। সেটির দায়িত্ব সে বিশ্বাসী মনে চোখ বুজে সৃষ্ঠিকর্তা মহান ঈশ্বরের হাতে ছেড়ে দিলো। সাথে সাথে কিছু মিরাকল ঘটলোঃ - কালো মেঘে ঢাকা আকাশে তুমুল ঝড় বৃস্টি শুরু হলো। সেই সাথে প্রচন্ড বজ্রপাতে শিকারীর চোখ অন্ধ হয়ে গেলো। - অন্ধ শিকারী তীর...