Posts

Showing posts from July, 2023

থানকুনি পাতা

Image
" জীবন নিয়ন্ত্রণে থানকুনি পাতা অপরিহার্য "         থানকুনি আমাদের অতিপরিচিত পাতা। পুকুরপাড় বা জলাশয়ে হামেশাই দেখা মেলে। থানকুনি পাতার এমন ভেষজ গুণ রয়েছে, নিয়মিত খেতে পারলে, পেটের  রোগ নিরাময়ের জন্য আমরা অনেকেই অ্যালোপ্যাথির দ্বারস্থ হই। শরীরের কষ্ট  থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আমরা তখন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বিষয়টা মাথায় থাকে না। বিশেষ করে টাইফয়েড, ডায়রিয়া, কলেরার মতো পেটের রোগ থেকে উপশম পাওয়ার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহর  করি।এতে আমাদের শরীরে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ঘটে চলে অথচ আমাদের হাতের কাছেই কিছু ভেষজ গাছ রয়েছে, যেগুলি অত্যন্ত অল্প দামে বা একটু খুঁজলে বিনামূল্যেও পাওয়া যায়, আমরা জানি না। , নিয়মিত থানকুনি পাতা খেতে পারলে, পেটের অসুখে কোনও দিনও ভুগতে হবে না। শরীর-স্বাস্থ্য তো সতেজ থাকেই, ছোট থেকে খাওয়াতে পারলে বুদ্ধিরও বিকাশ হয়।  পেটের রোগ নির্মূল করতে থানকুনির বিকল্প নেই। নিয়মিত খেলে যে কোনও পেটের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। Asiaticoside নামে একটি উপাদান রয়েছে থানকুনি পাতায়, যা হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়। নিয়মিত থানকুনি পাতার নির্যাস সেবন ...

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ( জন্ম - ২৩ জুলাই ১৮৯৮ )

Image
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম:- ২৩ জুলাই, ১৮৯৮, মৃত্যু:- সেপ্টেম্বর ১৪, ১৯৭১) বিংশ শতাব্দীর এক বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক। তিনি ৬৫টি উপন্যাস, ৫৩টি ছোটোগল্প-সংকলন, ১২টি নাটক, ৪টি প্রবন্ধ-সংকলন, ৪টি স্মৃতিকথা, ২টি ভ্রমণকাহিনি, একটি কাব্যগ্রন্থ এবং একটি প্রহসন রচনা করেন। আরোগ্য নিকেতন উপন্যাসের জন্য তারাশঙ্কর ১৯৫৫ সালে রবীন্দ্র পুরস্কার ও ১৯৫৬ সালে সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার এবং ১৯৬৭ সালে গণদেবতা উপন্যাসের জন্য জ্ঞানপীঠ পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া ১৯৬২ সালে তিনি পদ্মশ্রী এবং ১৯৬৮ সালে পদ্মভূষণ সম্মান অর্জন করেন। ১৯৭১ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। কিন্তু সঠিক অনুবাদের অভাব এবং তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রয়ানে সেই নোবেল আর পাওয়া হয়নি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তারাশঙ্করের উপন্যাস ও ছোটোগল্প অবলম্বনে বাংলা ভাষায় একাধিক জনপ্রিয় ও সমালোচকেদের দ্বারা প্রশংসিত চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। সেগুলির মধ্যে সত্যজিৎ রায় পরিচালিত জলসাঘর ও অভিযান, অজয় কর পরিচালিত সপ্তপদী, তরুণ মজুমদার পরিচালিত গণদেবতা, তপন সিংহ পরিচালিত হাঁসুলী বাঁকের উপকথা বিশে...

পেঁপের উপকারিতা

Image
• নিয়মিত পেঁপে খেলে হার্টের সমস্যার আশঙ্কা কমে যায় । • চোখ ভালো রাখে । • হজম ক্ষমতা বাড়ায় ও পেট পরিষ্কার করে। • ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয়। • ক্যানসারের ঝুঁকি কমে। ১. পেঁপের পুষ্টিগুণ অনেক।খালি পেটে পেঁপে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। ২. পেঁপেতে আছে ভিটামিন এ, সি ,কে ,ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম ও প্রোটিন। এছাড়া প্রচুর ফাইবার রয়েছে।ক্যালোরির পরিমাণ কম ।স্বাদে মিষ্টি হলেও সুগার রোগীদের প্রতিদিন একবাটি করে পাকা পেঁপে খেতে দেওয়া হয়। ৩. এছাড়াও অনেকে হজমের সমস্যায় ভোগেন। এদের পেট পরিষ্কার হয় না, ফলে শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বেরুতে পারে না।তাই তাদের প্রতিদিন পাকা পেঁপে খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। ৪. চুলের জন্যেও পেঁপে খুব উপকারী। এছাড়াও টক দইয়ের সঙ্গে পেঁপে মিশিয়ে চুলে মাখলে গোড়া শক্ত হয়। চুলের শাইনিং ভাব বজায় থাকে। এছাড়াও মাথায় উকুনের সমস্যা হলে পেঁপে ভালো কাজ করে। ৫. খুব কম বয়স থেকেই এখন চশমা লাগছে শিশুদের। এমনকী অল্প বয়সেই ক্ষীণ দৃষ্টিশক্তির মতো সমস্যাও দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে প্রতিদিন পাকা পেঁপে খেলে এই সমস্যা অন...

স্বামী বিবেকানন্দের প্রয়াণ দিবস

Image
আজ সেই ৪ঠা জুলাই ভাববার_কথা স্বামী বিবেকানন্দ মহাসমাধিতে এই পার্থিব শরীর পৃথিবীতে ছেড়ে শ্রী শ্রী ঠাকুরের সঙ্গে লীন হলেন  ৩৯ বছর বয়েসে ১৯০২ সালে । বেলুড় মঠে তখন রাত ৯ টা ১০ মিনিট। তখন বেলুড় মঠে বা তার পার্শ্ববর্তী গ্রামে বিদ‍্যূৎ ছিল না । কিন্তু টেলিফোন ছিল তবুও কোন সংবাদমাধ্যম আসেনি এবং পরের দিন বাঙ্গলাদেশের কোন কাগজেই বিবেকানন্দের মৃত্যূ সংবাদ প্রকাশিত হয়নি,এমন কি  কোন রাষ্ট্রনেতা বা কোন বিখ্যাত বাঙ্গালী কোন শোকজ্ঞাপনও করেননি ।  ভাবতে পারেন ??? স্বামী বিবেকানন্দ তাঁর স্বল্প জীবনে অপমান, অবহেলা বহু পেয়েছেন,উপেক্ষিত হয়েছেন বার বার। পিতার মৃত্যূর পর স্বজ্ঞাতির সঙ্গে কোর্ট কাছারী করতে হয়েছে তাঁকে ।বহু বার হাজিরা দিয়েছেন কাঠগড়ায় l  নিদারুণ দরিদ্রের সংসারে সকালে উঠে অফিস পাড়া ঘুরে ঘুরে চাকরির খোঁজে বেরুতেন । দিনের পর দিন মা কে বলতেন মা আজ রাতে বন্ধুর বাড়িতে খেতে যাবো। প্রায় দিন দেখতেন সংসারে চাল,ডাল,নুন ,তেল কিছুই নেই কিন্তু ভাই ও বোন নিয়ে 5 টা পেটের খাবার কি ভাবে জুটবে ? মুদির দোকানে ধার করে মাকে এক- দুই দিনের চাল ডাল দিয়ে ... মা কে বলতেন আমার রান্না কোরো না...

গুরু পূর্ণিমা

Image
গুরু পূর্ণিমা কি ও কেন... ? গুরুপুর্নিমা একটি বৈদিক প্রথা যার মধ্য দিয়ে শিষ্য তার গুরুকে শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন। প্রাচীন আর্য সমাজে শিক্ষক বা গুরুর স্থান কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল‚ বোঝা যায় যখন ছাত্র-শিক্ষক বা গুরু-শিষ্য পরম্পরাকে সম্মানিত করতে একটি পুর্ন দিন উৎসর্গ করা হয় | তৎকালীন সমাজব্যবস্থায় অন্য কোনও সম্পর্ক এত গুরুত্ব পেত না। গুরুকে শ্রদ্ধা জানাতে বৈদিক যুগ থেকেই আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা তিথিকে বিশেষ ভাবে নির্ধারণ করে ‘গুরুপূর্ণিমা‘ উদযাপন করা হচ্ছে। সংস্কৃতে ‘গূ‘ শব্দের অর্থ হল অন্ধকার | গুরু শব্দের মানে হল যিনি অন্ধকার দূর করেন | গুরু আমাদের মনের সব সংশয়‚ সন্দেহ‚ অন্ধকার‚ জিজ্ঞাসা দূর করেন | নতুন পথের দিশা দেখান | তমসা থেকে জ্যোতির্ময়ের পথে চালিত করেন গুরু | হিন্দিতে একটা প্রবচন আছে‚ ‘ গুরু গোবিন্দ দুয়ো খাড়ে‚ কাকে লাগু পায় / বালিহারি গুরু আপনে যিন গোবিন্দ দিয়ো বতায়ে ‘ অর্থাৎ‚ এমন একটা পরিস্থিতি‚ যখন গুরু এবং গোবিন্দ বা ঈশ্বর দুজনেই সামনে দাঁড়িয়ে আছেন‚ আমি কাকে প্রথম পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করব ? তার পরের লাইনেই আছে সমাধান | যদি ঈশ্বর এবং গুরু দুজনে সামনে থাকেন‚ আগে গুরুর পায়ে হাত দিয়ে প্রণ...