Posts

Showing posts from March, 2024

আইনস্টাইন এর জন্মদিন উপলক্ষে লেখা

সর্বকালের সেরা বিজ্ঞানীদের মধ্যে একজন। আবার বিতর্কিতও বটে। আনপ্রেডিক্টেবল। নানাদোষে দুষ্ট। স্ত্রী মিলেভা ছিলেন অত্যন্ত মেধাবিনী, ফিজিক্স ও গণিতের নামী ছাত্রী। সহপাঠী আইনস্টাইনকে তিনি সবার অমতে বিয়ে করেছিলেন। বিয়ের প্রথম দিকে মিলেভা অনেক কষ্ট করেছেন। আইনস্টাইনের মা তাঁকে পুত্রবধূ হিসেবে মেনে মেনে নেননি। মেধাবী হলেও মিলেভা সুন্দরী নন, পায়ে ছিল খুঁত। শাশুড়ি 'ডাইনি' সম্বোধনে তাঁকে লিখেছেন একের পর এক অকথ্য চিঠি।  আইনস্টাইন তখন পেটেন্ট অফিসে সামান্য চাকরি করছেন। সেই দুঃসময়ে মিলেভা আগলে রাখছেন সংসারকে, সামলাচ্ছেন সন্তানদের। "ওদিকে আইনস্টাইন অফিসের সময় চুরি করে দিস্তার পর দিস্তা সাদা কাগজ ভরিয়ে ফেলছেন গণিতের আঁকিবুঁকিতে। শেষ পর্যন্ত ১৯০৫ সালে এসে মোড় ঘুরে যাচ্ছে আইনস্টাইনের জীবনের। একে একে পাঁচটি বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ প্রকাশ করছেন তিনি। একটি পরমাণুবিষয়ক, একটি আলোক তড়িৎক্রিয়ার ব্যাখ্যা, আর তৃতীয়টি বিখ্যাত থিওরি অব রিলেটিভিটি। এরপরই নড়েচড়ে বসছে বিজ্ঞানবিশ্ব। আইনস্টাইনকেও আর চাকরি নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হচ্ছে না। সুইজারল্যান্ডের জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষক কাম অধ্যাপকের পদে চাকরি পাচ্ছেন। প...

শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ কথামৃতং

"তব কথামৃতং তপ্তজীবনং, কবিভিরীড়িতং কল্মষাপহম্‌ ৷ শ্রবণমঙ্গলং শ্রীমদাততং, ভুবি গৃণন্তি যে ভূরিদা জনাঃ ৷৷" সপ্তবিংশ পরিচ্ছেদ ১৮৮৫, ২৭শে অক্টোবর জ্ঞান ও বিজ্ঞান বিচারে — ব্রহ্মদর্শন ইতিমধ্যে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বাহ্যসংজ্ঞালাভ করিয়াছেন। গান সমাপ্ত হইল। তখন পণ্ডিত ও মূর্খের — বালক ও বৃদ্ধের — পুরুষ ও স্ত্রীর — আপামর সাধারণের — সেই মনোমুগ্ধকরী কথা হইতে লাগিল। সভাসুদ্ধ লোক নিস্তব্ধ। সকলেই সেই মুখপানে চাহিয়া রহিয়াছেন। এখন সেই কঠিন পীড়া কোথায়? মুখ এখনও যেন প্রফুল্ল অরবিন্দ, — যেন ঐশ্বরিক জ্যোতিঃ বহির্গত হইতেছে। তখন তিনি ডাক্তারকে সম্বোধন করিয়া বলিতেছেন, *“লজ্জা ত্যাগ কর, ঈশ্বরের নাম করবে, তাতে আবার লজ্জা কি? লজ্জা, ঘৃণা, ভয় — তিন থাকতে নয়। ‘আমি এত বড় লোক, আমি ‘হরি হরি’ বলে নাচব? বড় বড় লোক এ-কথা শুনলে আমায় কি বলবে? যদি বলে, ওহে ডাক্তারটা ‘হরি হরি’ বলে নেচেছে। লজ্জার কথা!’ এ-সব ভাব ত্যাগ কর।”* ডাক্তার — আমার ওদিক দিয়েই যাওয়া নাই; লোকে কি বলবে, আমি তার তোয়াক্কা রাখি না। শ্রীরামকৃষ্ণ — *তোমার উটি খুব আছে।* (সকলের হাস্য) *“দেখ, জ্ঞান-অজ্ঞানের পার হও, তবে তাঁকে জানতে পারা যায়। নানা জ্ঞানের ন...